1 Answers
পাঠ্য বইয়ের দৃষ্টিতে শরীফের মন্তব্যের যথার্থতা রয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশের বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষের প্রসঙ্গে শরীফ ধারণা করে মালিক শ্রমিকের স্বার্থগত সমতা প্রতিষ্ঠিত হলে এমনটি আর ঘটবে না। উদ্দীপকে শরীফের মন্তব্যের সাথে সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাদৃশ্য রয়েছে। মার্কস মনে করেন, পুঁজিবাদের অবসানের সাথে সাথে সমাজে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। মূলত সমাজতন্ত্রের প্রধান লক্ষ্য হলো সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠা করা। সমাজতন্ত্রে থাকে সর্বহারাদের একনায়কত্ব। মার্কস বলেন, রক্তাক্ত বিপ্লবের মাধ্যমে সমাজে সমাজতন্ত্র আসবে। এই সমাজ নিয়ন্ত্রণের একটি বৈশিষ্ট্য হবে সম্পত্তি। তিনি আরও বলেন, সমাজতান্ত্রিক সমাজে ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে আঘাত হানা হবে। আর আঘাত করা হবে বলেই বিপ্লবের পরে পুঁজিবাদী শ্রেণি এটা মেনে নিতে চাইবে না। সর্বহারা শ্রেণির হাতে ক্ষমতা প্রদান করতে হবে এবং সর্বহারা শ্রেণিই হবে একচেটিয়া ক্ষমতার অধিকারী। তাদের মধ্যে সম্পত্তির কোনো ধারণা থাকবে না। ফলে সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠিত হবে। সব বিশ্বে সাম্যবাদ প্রথা চালু হলে সবাই সমান হয়ে যাবে। এর ফলে প্রতিটি সমাজের পরিবর্তন হবে এবং তা শান্তিপূর্ণ থাকবে.। এখানে আর কোনো বিপ্লবের প্রয়োজন হবে না। কারণ এই সমাজে কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নেই। বিশ্বে যখন সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে তখন এটি আর স্তর হিসেবে আখ্যায়িত হবে না।
অতএব বলা যায় যেহেতু, শরীফের মন্তব্যের সাথে সমাজতন্ত্রের লক্ষ্য উদ্দেশ্যের সাদৃশ্য রয়েছে তাই তার ধারণাটি যথার্থ।