1 Answers

আসিফ বাজার থেকে কবুতরের বাচ্চা ক্রয় করে পালন শুরু করেন। কবুতর একটি জনপ্রিয় পোল্ট্রি। কবুতরের বাচ্চার চাহিদা ও দাম বেশি বলে আসিফ কবুতর পালনে আগ্রহী হন। অল্প জায়গায় অধিক সংখ্যক কবুতর পালন করা যায় বলে বাসস্থান খরচ কম হয়। বাসার ছাদে বা উঁচুতে দেয়ালের পাশে পালনঘর তৈরি করা যায়। কবুতর বাইরের খাবার বেশি খায় না বলে খাদ্য বাবদ খরচও কম লাগে। এক জোড়া কবুতর থেকে বছরে ১২ জোড়া বাচ্চা পাওয়া যায়। কবুতর পালনের জন্য অতিরিক্ত জমি বা জায়গার প্রয়োজন হয় না। বাড়িতেই অতি সহজে পালন করা যায়। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। কাজের অবসরে পালন করা যায়। কবুতর সহজেই পোষ মানে বলে সবাই পালন করতে পারে। এসব সুবিধা বিবেচনা করে আসিফ কবুতর পালন শুরু করেন। ৪ সপ্তাহেই কবুতরের বাচ্চা খাওয়ার উপযোগী হয়। এরা ৫-৬ মাস বয়সে ডিম দেয় এবং মাত্র ১৮ দিনে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়।' আসিফ উৎপাদিত কবুতর বাজারে বিক্রি করে দেন। প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে তিনি তার লেখাপড়ার খরচ মেটান। কিন্তু কবুতরের মাংস অনেক সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। আসিফ কবুতরের বাচ্চা না খাওয়ার ফলে পুষ্টিগুণ হতে বঞ্চিত হচ্ছেন।

উপরের আলোচনা হতে বলা যায়, আসিফের কবুতর পালনের কার্যক্রম যথার্থ ছিল কিন্তু না খেয়ে সব কবুতর বিক্রি করে দেওয়া ঠিক হয়নি। 

4 views

Related Questions