1 Answers

উদ্দীপকে আলিম ও অন্য কৃষকরা ধানক্ষেতে ঘের তৈরি করে বাগদা চিংড়ি এবং ঘেরের পাড়ে শাকসবজি চাষ করেন।
বাগদা লবণাক্ত পানির চিংড়ি। উপকূলীয় যেসব এলাকায় লবণাক্ততার জন্য ধান চাষ করা সম্ভব হয় না সেসব এলাকায় ঘের নির্মাণ করে সহজেই বাগদা চিংড়ি চাষ সম্ভব। আবার, ঘেরের বাঁধের উপর বা পাড়ে শাকসবজি চাষ করা যায়।

 একই ঘেরে একসাথে বাগদা চিংড়ি ও শাকসবজি চাষ করা হয় বলে আলাদা জায়গার প্রয়োজন হয় না। এই ধরনের সমন্বিত চাষ পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষির আয় বাড়ে। ঘেরের বাঁধে শাকসবজি চাষ করায় আইল  মজবুত থাকে, ভূমিক্ষয় হয় না। শাকসবজির চাষ ব্যবস্থাপনায় আলাদা এ করে শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না বলে আর্থিক সাশ্রয় হয়। চিংড়ি ও শাকসবজির যৌথ উৎপাদনে পরিবারের সুষম পুষ্টি নিশ্চিত হয়। কৃষকের আর্থিক সচ্ছলতাও নিশ্চিত হয়। দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে বাগদা চিংড়ি ও শাকসবজি চাষের সম্ভাবনা খুবই উজ্জ্বল। উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, আলিম ও অন্যান্য কৃষকদের কার্যক্রম সঠিক ছিল।

6 views

Related Questions