1 Answers

উক্ত গ্রামের অর্থাৎ রতনপুর গ্রামের বর্তমান জীবনব্যবস্থার সাথে দৃষ্টবাদের সম্পর্ক রয়েছে। কারণ দৃষ্টবাদে অতিপ্রাকৃত, ঐশ্বরিক ও অলৌকিক শক্তিকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করা হয়।

উদ্দীপকের রতনপুর গ্রামের মানুষ এখন শিক্ষিত ও আধুনিক হয়েছে। তারা ধর্মীয় গোঁড়ামি ত্যাগ করে বিজ্ঞানমনস্ক হয়েছে, যা অগাস্ট কোঁৎ বর্ণিত দৃষ্টবাদী স্তরকে নির্দেশ করে। কারণ দৃষ্টবাদের মূলকথা হলো, ঐশ্বরিক, অতিপ্রাকৃত ও অলৌকিক শক্তির অস্তিত্বকে বৈজ্ঞানিক উপায়ে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করতে হবে। সমাজ বিকাশের এ স্তরে কল্পনার পরিবর্তে বস্তুনিষ্ঠ যুক্তি ও পর্যবেক্ষণ জ্ঞানের উৎস হিসেবে কাজ করে এবং ঘটনার কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অগাস্ট কোঁৎ মনে করেন, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বনে জড় জগতকে যেভাবে জানা যায়, সেভাবে সামাজিক ঘটনা ও পরিস্থিতিকেও বস্তুনিষ্ঠভাবে পাঠ করা যায়। তার মতে, এ পর্যায়ে মানুষের শান্তিপূর্ণ জীবন নিশ্চিত, জ্ঞান উন্নত এবং বিজ্ঞানের প্রকৃত জয়যাত্রা সূচিত হয়। যেমনটি উদ্দীপকের রতনপুর গ্রামের মানুষের ক্ষেত্রেও দেখা যায়।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, রতনপুর গ্রামের বর্তমান জীবনব্যবস্থার সাথে দৃষ্টবাদের সম্পর্ক রয়েছে।

5 views

Related Questions