1 Answers

ইজমা রাসুল (স)-এর যুগের চাইতে তাঁর পরবর্তী তথা বর্তমান যুগে অধিক গুরুত্ব বহন করে বলে আমি মনে করি। রাসুল (স)-এর যুগে কোনো সমস্যার সৃষ্টি হলে রাসুল নিজেই তার সমাধান দিতেন। এক্ষেত্রে অধিকাংশ সময় কুরআনের আয়াত নাজিল হতো। রাসুল (স) সমস্যার সমাধান দিলে সব মুসলমান তা নির্দ্বিধায় মেনে নিতেন। কিন্তু রাসুল (স)-এর ইন্তেকালের পর বিভ্রান্তি ছড়াতে থাকে। এ সময় ইজমার গুরুত্ব ও কার্যকারিতা অনস্বীকার্য হয়ে পড়ে।

উদ্দীপক থেকে জানা যায়, নবিজি (স) যাবতীয় সমস্যায় কুরআন- হাদিস থেকে সাহাবিদের সমাধান দিতেন। তাছাড়া সাহাবিদের যুগে সমস্যা খুব বেশি ছিল না। কিন্তু তৎপরবর্তী যুগে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি বাড়তে থাকে। ইসলামের আবির্ভাব থেকে দীর্ঘ সময় তথা বর্তমান যুগে সমস্যা আরও প্রকট হয়েছে। কেননা সময়ের সাথে সাথে নবোদ্ভাবিত সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে রাসুল (স) যুগের চাইতে বর্তমান যুগে ইজমার গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। রাসুল (স) কিছু বিষয়ে নিজে থেকে সমাধান দিতেন। এক্ষেত্রে তিনি সাহাবিদের পরামর্শ গ্রহণ করতেন। এর মাধ্যমে তিনি পরবর্তী যুগের মানুষের জন্য ইজমার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন।

ওপরের আলোচনায় প্রমাণিত হয়, রাসুল (স)-এর যুগে ইজমার শিক্ষা উদ্ভাবিত হলেও প্রয়োগগত বিষয়টি দেখা দিয়েছে তাঁর ইন্তেকালের পরে। আর বর্তমান যুগেই সর্বাধিক ইজমাভিত্তিক সিদ্ধান্তের প্রয়োজন।

7 views

Related Questions