1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত চুক্তির মাধ্যমে যে দুটি বিষয়ের জ্ঞানের পারস্পরিক সম্পর্কের ইঙ্গিত বহন করে তা হলো অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান।
অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান এ দুটি সামাজিক বিজ্ঞানের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। সমাজজীবনকে যেমন অর্থনীতি প্রত্যক্ষভাবে প্রভাবিত করে থাকে, তেমনি সামাজিক পরিবেশ দ্বারাও অর্থনীতি প্রভাবিত হয়ে থাকে। অনেকের মতে, সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান ছাড়া অর্থনীতির আলোচনা ভুল পথে পরিচালিত হতে পারে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ অসম্পূর্ণ হতে পারে। অনুরূপভাবে সমাজবিজ্ঞানের আলোচনাও অর্থনৈতিক বিধিসমূহের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার ধারণা ছাড়া মূল্যহীন প্রতিপন্ন হয়। অর্থনীতির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় সম্পদ, উৎপাদন, বণ্টন, ভোগ, সঞ্চয় প্রভৃতি। অর্থনীতির এসব প্রতিপাদ্য বিষয়রে ওপর ভিত্তি করে সমাজবিজ্ঞানের বিভিন্ন প্রত্যয়কে বিশ্লেষণ করা হয়। উদ্দীপকে যেহেতু সম্পদ ভাগাভাগি নিয়ে চুক্তির কথা বলা হয়েছে সে দিক থেকে বলা যায় এটি অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত। আর তানিশার বক্তব্যে সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও সামাজিক পরিবর্তনের কথা ফুটে উঠেছে যা সমাজবিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত।
সুতরাং আমরা বলতে পারি, সমাজবিজ্ঞান ও অর্থনীতির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর এবং ওতপ্রোতভাবে জড়িত।