1 Answers
মোঃ আবুল কাসেমের পোল্ট্রি ফার্মটি ছিল মুরগি ডিম উৎপাদন খামার।
বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার ভিত্তিতে যেখানে কাম্য সংখ্যক পোল্ট্রির বাসস্থান, খাদ্য সরবরাহ, জৈব নিরাপত্তা, চিকিৎসা, উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়, আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখা হয় তাকে পোল্ট্রি খামার বলে। উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে পোল্ট্রি খামার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যথা- (ক) ডিম উৎপাদন খামার (খ) মাংস উৎপাদন বা ব্রয়লার খামার (গ) বাচ্চা উৎপাদন খামার (ঘ) প্রজনন বা ব্রিডার খামার (৬) হাঁস-মুরগি- মাছ সমন্বিত খামার। যেহেতু মোঃ আবুল কাসেমের খামারে প্রতিদিন প্রচুর ডিম উৎপাদন হয় সেহেতু তার খামারটি হবে ডিম উৎপাদন খামার। লেয়ার খামারে বাচ্চা উঠানোর ২০-২১ সপ্তাহ পর মুরগি ১ম ডিম পাড়ে এবং এক থেকে দেড় বছর পর্যন্ত ডিম দেয়। তাই লাভজনকভাবে মুরগির খামার পরিচালনায় বিভিন্ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা হয়। মূলধনের পরিমাণ ও উৎস, স্থান নির্বাচন ও জমি ব্যবস্থাপনা, বাসস্থান নির্মাণ ও খামারের আকার উন্নত জাতের হাইব্রিড বাচ্চা নির্বাচন, সুষম খাদ্য সরবরাহ, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, জৈব নিরাপত্তা সুবিধা, চিকিৎসা ব্যবস্থা, শ্রমিক প্রাপ্যতা, আয় ব্যয়ের হিসাব রাখা কারিগরি জ্ঞান। এ সকল বিষয়ে বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা রাখতে হবে। উল্লিখিত আলোচনার মাধ্যমে জানা যায়, আবুল কাসেমের পোল্ট্রি ফার্মটি ছিল ডিম উৎপাদন খামার।