1 Answers

জাউদ্দীপকে রহিম ও করিম পৃথক পৃথক পদ্ধতিতে মাছ শুটকিকরণ করে। রহিম ছোট মাছ শুঁটকিকরণে যথাযথ পদ্ধতি অবলম্বন করেন। ছোট মাছ শুঁটকিকরণের ক্ষেত্রে আঁইশ বা নাড়িভুঁড়ি ইত্যাদি ফেলা হয় না। পরিষ্কার পানিতে মাছগুলোকে ভালোভাবে ধৌত করা হয়, যাতে কোনো প্রকার ময়লা বা রক্ত লেগে না থাকে। পরিষ্কার মাছকে ১০% লবণ পানিতে ১৫-২০ মিনিট রাখা হয় যাতে শুকানো ও সংরক্ষণ পর্যায়ে মাছ ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের শিকার না হয়। এরপর ভূমি থেকে ০.৫-১ মি উচ্চতায় বাঁশের মাচা তৈরি করে তার উপর মাদুর বা চাটাই বিছিয়ে মাছগুলোকে রোদে শুকানো হয়। এভাবে মাছ দ্রুত শুকায় এবং পচন কম হয়। ছোট মাছের পুরুত্ব কম হওয়ায় রৌদ্রের তাপে অতি সহজেই ৪-৫ দিনের মধ্যে এসব মাছ শুকিয়ে যায়। মাছ শুকানোর সময় পোকামাকড় ও পাখির উপদ্রব থেকে রক্ষার জন্য মাছের উপরে পলিথিন বা জাল দিয়ে ঢেকে দিতে হয়। শুকানোর সময় মাছগুলোকে ওলট- পালট করে দিলে তাড়াতাড়ি ও সমভাবে শুকাতে পারে।

অপরদিকে করিম ছোট মাছ শুঁটকিকরণে যথাযথ পদ্ধতি অবলম্বণ করেননি। তিনি বাজার থেকে মাছ ক্রয় করে এনে সরাসরি রোদে দেন। মাছের দেহের বিভিন্ন অংশে যেমন- আঁইশ, চামড়া, নাড়িভুড়িতে যে অসংখ্য জীবাণু থাকে তা সক্রিয় হয়ে উঠে মাছকে পচায়। ব্যাকটেরিয়া নাশক দ্রবণ ব্যবহার না করায় মাছের মাংসপেশি নরম হয়ে পচন ত্বরান্বিত করে।

উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, মাছ শুঁটকিকরণে রহিম সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করলেও করিম তা করেননি। 

4 views

Related Questions