1 Answers
করিম পুকুরে নিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ করেছিলেন।
করিম চিংড়ি চাষের জন্য প্রথমে বন্যামুক্ত, সূর্যালোকপূর্ণ, পানি সরবরাহের ব্যবস্থা আছে এমন পুকুর নির্বাচন করেছিলেন। গলদা চিংড়ির পোনা মজুদের পূর্বে তিনি পুকুর থেকে রাক্ষুসে ও অবাঞ্চিত। মাছ দূর করেছিলেন। পুকুরের অবাঞ্ছিত প্রাণী অপসারণের জন্য রোটেনন ও আগাছা দূরীকরণের জন্য গ্লাইসেল প্রয়োগ করেছিলেন। পুকুরে প্রতি শতকে প্রয়োজনমাফিক চুন এবং ১-২ কেজি গোবর, ১০০ গ্রাম ইউরিয়া ও ৫০ গ্রাম টিএসপি দিয়েছিলেন। তার পুকুরের মাটি ঈষৎ ক্ষারীয়, পানির অম্লমান ৭.৫-৮.০ ও পানির লবণাক্ততা ০-৪ পিপিটি ছিল। পুকুরের পানিতে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্যের উপস্থিতি নিশ্চিত করে প্রতি শতকে তিনি ৬০০টি পোনা ছাড়েন। তিনি প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি চিংড়িকে প্রতিদিন ২ বার দেহের মোট ওজনের ৩-৫% হারে সম্পূরক খাদ্য প্রদান করেন। পুকুরে চিংড়ি বেঁচে থাকার হার, দৈহিক বৃদ্ধি, রোগবালাই নিরূপণ ও শনাক্তকরণের জন্য নিয়মিতভাবে পুকুর পর্যবেক্ষণ করেন। উল্লিখিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে করিম পুকুরে চিংড়ি চাষ করেন।