1 Answers

মামুন তার পুকুরে নাইলোটিকা মাছ চাষ করেছিল। নিম্নোক্ত উপায়ে সে পুকুর প্রস্তুত করেছিল-

পানির গভীরতা ১-১.৫ মিটার এবং বছরে ৪-৫ মাস পানি থাকে এমন পুকুর নির্বাচন করে মামুন পুকুরের পাড় মেরামত করেছিল। পুকুর শুকানো বা রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের (শতক প্রতি ৩০-৩৫ গ্রাম রোটেনন বা ৩ কেজি মহুয়ার খৈল) মাধ্যমে রাক্ষুসে মাছ, যেমন- শোল, গজার, টাকি ইত্যাদি এবং অপ্রয়োজনীয় মাছ, যেমন- মলা, ঢেলা, চান্দা ইত্যাদি সম্পূর্ণরূপ সরিয়ে ফেলেছিল। কীটপতঙ্গ ও জলজ আগাছা দূর করার জন্য সে পুকুরে প্রতি শতকে ২০ গ্রাম হারে (২০ × ২৫) = ৫০০ গ্রাম ডিপটারেক্স প্রয়োগ করেছিল। পুকুরে পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদনের জন্য শতক প্রতি ১ কেজি হারে (১× ২৫) = ২৫ কেজি চুন প্রয়োগ করেছিল। চুন প্রয়োগের ৩দিন পর শতক প্রতি ৮- ১০ কেজি হারে মোট ২০০ - ২৫০ কেজি গোবর, ৩৫ × ২৫ = ৮৭৫ গ্রাম ইউরিয়া, ৭০ × ২৫ = ১৭৫০ গ্রাম টিএসপি প্রয়োগ করেছিল।

অতএব বলা যায়, মাছের শারীরিক বৃদ্ধি ও ভালো ফলন পেতে মামুন পুকুর প্রস্তুতির বিভিন্ন পর্যায়, যেমন- পাড় মেরামত, জলজ আগাছা নিয়ন্ত্রণ, রাক্ষুসে ও অপ্রয়োজনীয় মাছ দমন, চুন এবং সার প্রয়োগ ইত্যাদি কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করেছিল।

5 views

Related Questions