1 Answers
উদ্দীপকের আবিরের চরিত্রটি অশ্লীলতায় পরিপূর্ণ। আর সম্পর্কে মুফতি এনামুলের উক্তিটি যথার্থ। এ অশ্লীলতা হলো মানব চরিত্রের অন্যতম খারাপ দিক। এটি শালীনতার বিপরীত। অশ্লীলতা বলতে অশালীন, অসভ্য, অনাচার প্রভৃতি কাজকর্ম বা কথাবার্তাকে বোঝায়। অশ্লীলতার কিছু উদাহরণ হলো- পর্ণ মুভি দেখা, ইভটিজিং করা, অবৈধ যৌন সম্পর্ক করা ইত্যাদি। ইসলামি শরিয়তে অশ্লীলতাকে হারাম করা হয়েছে। ইসলামে অশ্লীলতার কোনো স্থান নেই। অশ্লীলতা সম্পর্কে মহানবি (স) বলেছেন, 'মানুষের মধ্যে নিকৃষ্টতম হচ্ছে সে ব্যক্তি, যার অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকার জন্য মানুষ তাঁকে পরিত্যাগ করে' (বুখারি ও মুসলিম)। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, 'মুহাম্মদ (স) আপনি বলুন, নিশ্চয়ই আমার রব সব প্রকাশ্য ও গোপন অশ্লীলতাকে হারাম করেছেন' (সুরা আরাফ: ৩৩)। তাই আবিরের কর্মকাণ্ড ইসলামে নিষিদ্ধ।
উদ্দীপকের আবিরের চরিত্র তাস খেলা, জুয়া খেলা, নারীদের উত্যক্ত করাসহ অশ্লীলতায় ভরপুর। এজন্য অনেকেই তাকে এড়িয়ে চলে। অর্থাৎ হাদিসের আলোকে আবির একজন নিকৃষ্টতম ব্যক্তি। অশ্লীলতার কারণে আবিরকে পরকালে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। কেননা অশ্লীলতার পরিণতি হলো জাহান্নাম। মহান আল্লাহ তায়ালা এ সম্পর্কে ইরশাদ করেন, 'তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হয়ো না। এটা অশ্লীল কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ' (সুরা বনি ইসরাঈল: ৩২)। মহান আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন, 'যারা চায় মুমিনদের সমাজে অশ্লীলতার প্রসার ঘটুক তারা দুনিয়ায় ও আখিরাতে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি ভোগ করবে' (সুরা আন-নূর: ১৯)। পরিশেষে বলা যায় যে, অশ্লীলতা একটি ঘৃণীত ও নিকৃষ্ট অপরাধ। এর জন্য পরকালে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। আবিরের অশ্লীলতা প্রসঙ্গে মুফতি এনামুলের বক্তব্যটি যথাযথ। এসব আচরণ থেকে সবাইকে বেঁচে থাকতে হবে।