1 Answers
জনাব ফুয়াদের বক্তব্য যথার্থ ও যৌক্তিক বলে আমি মনে করি। মানবজীবনের সব দিক ও বিভাগের যাবতীয় সমস্যা সমাধানে সুনির্দিষ্ট ও কল্যাণময় নির্দেশনা দিয়েছে আল কুরআন। বাস্তব জীবনে এ নির্দেশনার অনুশীলন ও অনুসরণ করার মাধ্যমে প্রকৃত শান্তি ও মুক্তি লাভ সম্ভব। একইভাবে কুরআনের নির্দেশনা মেনে চলার মাধ্যমে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিকসহ জীবনের সব ক্ষেত্রেই শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা সম্ভব। জনাব ফুয়াদের বক্তব্যে এ বিষয়েরই প্রতিফলন ঘটেছে।
জনাব ফুয়াদের মতে শুধু ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে নয় বরং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি ক্ষেত্রেও কুরআনের অনুসরণ ব্যক্তিকে শ্রেষ্ঠ মানবে পরিণত করে। তার এ বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে সঠিক। কেননা, রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতিসহ মানুষের জীবনের সব বিষয়ের দিকনির্দেশনা রয়েছে আল কুরআনে। পদপ্রার্থিতা, আত্মপ্রচার, ক্ষমতা ও পদের লোভ, স্বেচ্ছাচারিতা ও দম্ভ, প্রকৃত গণতান্ত্রিক পদ্ধতির অনুপস্থিতি প্রভৃতি রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান রয়েছে পবিত্র কুরআন মাজিদে। আবার সম্পদের অসম বণ্টন, উপার্জন ও ব্যয়ে হারাম পদ্ধতির অনুসরণ, সম্পদ আত্মসাৎ, অপচয়, সুদ প্রভৃতি অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানে কুরআন মাজিদ অনবদ্য ভূমিকা পালন করে। এছাড়া শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও কুরআন মাজিদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় আমাদের সকলের উচিত রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইত্যাদি সব ক্ষেত্রেই কুরআনের বিধানসমূহ অনুসরণ করা।