1 Answers
জনাব আকরামের বক্তব্যের আলোকে মুবাল্লিগের গুণগুলোর মধ্যে সত্যবাদী ও বিনয়ী হওয়ার গুণ দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সত্যবাদী একজন মুবাল্লিগের গ্রহণযোগ্যতা সমাজে অনেক বেশি। মানুষ যদি তাকে সত্যবাদী হিসেবে বিশ্বাস না করে তার প্রচার কাজ ব্যর্থ হবে। প্রচারক বিশ্বস্ত হলে কোনো তথ্য ও লেনদেনে মানুষ তার ওপর আস্থা রাখবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন- তোমরা সংগত ও ন্যায় কথা বল। আমরা জানি আমাদের নবি মুহাম্মাদ (স) ছিলেন একজন সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত। তৎকালীন সমাজে সবাই তাঁকে বিশ্বাস করত। যার কারণে তাঁকে 'আল আমিন' উপাধি দেওয়া হয়েছিল। আর পরবর্তীতে ইসলাম প্রচারে এ মহৎ গুণ তাঁকে অনেক সহযোগিতা করেছিল।
সত্যবাদী হবার পাশাপাশি মুবাল্লিগ অত্যন্ত বিনয়ী, নম্র, সদালাপী ও মিষ্টভাষী হবেন। কেননা সাধারণ মানুষ বিনয়ী লোকদের পছন্দ করে। উগ্র, রুক্ষ ও বেআদব মানুষের কথা শোনার আগ্রহ কারও নেই। এজন্যই মুসা (আ) ও হারুন (আ) কে আল্লাহ তায়ালা নরম সুরে কথা বলার আদেশ দিয়েছেন। আমরাও সমাজে দেখতে পাই যেসব ব্যক্তি বিনয়ী তাদের সবাই শ্রদ্ধা করে এবং সে যেসব কথা বলে তা পালনে অনুপ্রাণিত হয়। এ কারণে মুবাল্লিগ যদি বিনয়ী হন, তাহলে অন্য মানুষ তার আচরণে মুগ্ধ হয়ে তার দাওয়াত গ্রহণ করেন।
উল্লিখিত কারণে ইসলাম মুবাল্লিগদেরকে সত্যবাদী ও বিনয়ী হবার প্রতি উৎসাহিত করেছেন। যাতে ইসলাম প্রচার অত্যন্ত সহজ হয়ে যায়।