1 Answers
মদের ওপর ভিত্তি করে প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্য হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। ইসলাম একটি বিজ্ঞানময় ধর্ম। এর প্রতিটি বিধানের পেছনে বৈজ্ঞানিক যুক্তি রয়েছে। যার বাস্তবতা নেশা হারাম হওয়ার মধ্যে লক্ষ করা যায়। বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে নেশা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ইসলামও এ ধরনের দ্রব্য হারাম করেছে। কুরআন- হাদিসের স্পষ্ট বাণীর মাধ্যমে মদ হারাম ঘোষিত হয়েছে। শুধু তাই নয় বরং মদ ও মাদকজাত দ্রব্য প্রস্তুত, ক্রয়-বিক্রয়, পান ইত্যাদি সবকিছুই হারাম। অন্যদিকে কুরআন ও হাদিসে গাঁজা, ইয়াবা, হেরোইন কিংবা কোকেনের বিধান উল্লেখ নেই। কারণ রাসুল (স) এর জীবদ্দশায় এগুলো ছিল না। পরবর্তী সময়ে মানুষ বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষের অপব্যবহার করে হেরোইন বা ইয়াবার মতো বহু ক্ষতিকর মাদকদ্রব্য তৈরি করেছে। আর সাধারণ মানুষ তা গ্রহণ করে নেশাগ্রস্ত হচ্ছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এগুলোর বিষয়ে বিধান জরুরি হয়েছে। এক্ষেত্রে কিয়াসের মাধ্যমে বিধান বের করা হয়েছে। মদের সাথে তুলনা করে কিয়াস করে বিধান দেওয়া হয়েছে যে, গাঁজা, হেরোইন ও কোকেন হারাম। কারণ মদ, গাঁজা, হেরোইন ও কোকেনের মধ্যে একই বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান, আর তা হচ্ছে নেশার উপস্থিতি। এখানে মদপান করা হারাম- এটা হচ্ছে আছল বা মূল আর গাঁজা কোকেন ও হেরোইন হচ্ছে ফরয়া বা শাখা।
উদ্দীপকে আবরার সাহেবের বক্তব্যে একই বিষয় ফুটে উঠেছে। মাদকদ্রব্য হওয়ার কারণেই মূলত ইয়াবা, হেরোইন প্রভৃতি হারাম। যা যুক্তিসঙ্গত।