1 Answers

উদ্দীপকে মিনহাজের আলোচনায় পবিত্র কুরআনের মাদানি সুরার বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। সাধারণভাবে মদিনায় নাজিলকৃত সুরাসমূহকে মাদানি সুরা বলে। মহানবি (স) এর মদিনায় হিজরতের পরে অর্থাৎ ৬২২ খ্রিষ্টাব্দের পরবর্তী সময়ে যেসব সুরা অবতীর্ণ হয়েছিল সেগুলো মাদানি সুরা নামে পরিচিত। এ সুরার প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- অতীত জাতির জীবনাচার, অবাধ্যতা ও পরিণতির বিস্তারিত বিবরণ; ইমান ও আকিদার বর্ণনা; আহকামে শরিয়াহ, হালাল-হারামের বিবরণ; জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জীবন এবং বিধি-বিধান, কাফির- মুনফিকদের ষড়যন্ত্রের বিবরণ এবং পরিণতির বর্ণনা পাওয়া যায়। যার আংশিক ইঙ্গিত মিনহাজের বক্তব্যে পাওয়া যায়।

উদ্দীপকে মিনহাজের উক্তি, 'কুরআনের অনেক সুরায় মুসলমানদের বিরুদ্ধে ইহুদি ও মুনাফিকদের নানা চক্রান্তের বিষয় উল্লেখ রয়েছে। এ উক্তিটিতে মাদানি সুরাসমূহের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। এ সুরাগুলোতে আল্লাহ তায়ালা কাফিরদের নানা চক্রান্ত ও মুনাফিকদের সাথে আঁতাতের বিষয় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করে মুসলমানদের তাদের ব্যাপারে সাবধান হতে বলেন। তারা নবি (স) কে হত্যার উদ্দেশ্যে মক্কার কুরাইশদের সাথে হাত মিলিয়ে বিভিন্ন শান্তিচুক্তি ভঙ্গ করে। আল্লাহ তায়ালা তাদের এসব ঘৃণ্য পরিকল্পনা নবি (স) কে ওহির মাধ্যমে জানিয়ে দেন। মাদানি সুরাসমূহে আল্লাহ তায়ালা সেগুলো তুলে ধরেন। সুতরাং উপরের বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করলে বুঝা যায় যে মিনহাজের আলোচনায় মাদানি সুরাসমূহের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।

5 views

Related Questions