1 Answers
উদ্দীপকে সামাজিক স্তরবিন্যাসের জাতিবর্ণ প্রকরণের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।
সামাজিক স্তরবিন্যাসের একটি রূপ হলো জাতিবর্ণ ব্যবস্থা। জাতিবর্ণ বলতে বোঝায় অন্তর্গোত্র বিবাহভিত্তিক এমন এক গোষ্ঠী যার একটি সাধারণ নাম থাকে, যার সদস্যপদ জন্মসূত্রে লাভ করতে হয় এবং সদস্যদের সামাজিক মেলামেশার ক্ষেত্রে কতিপয় নিয়মনীতি মেনে চলতে হয়। এই প্রথায় কোনো ব্যক্তি যে জাতিবর্ণে জন্মগ্রহণ করে তাকে আজীবন সেই জাতিবর্ণের পরিচয়ই বহন করতে হয়। ঐতিহ্যগতভাবে জাতিবর্ণের জন্মগত পেশা পরিবর্তন করা সহজসাধ্য নয়। জাতিবর্ণ প্রথা স্থিতিশীল। জাতিবর্ণ প্রথার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, নিত্যদিনের জীবনযাত্রার ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলতে হয়। কোনো বিশেষ জাতিবর্ণের সঙ্গে অন্য কোনো জাতিবর্ণের সামাজিক মেলামেশার ওপর বিধি-নিষেধ লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকের রাখালচন্দ্র একজন জেলে। বংশ পরম্পরায় তার পরিবার একই পেশায় কাজ করে আসছে। বিবাহ এবং অন্যান্য সামাজিক সম্পর্ক তাদের একই জাতিবর্ণের লোকজনের সজোই হয়। যা কিনা জাতিবর্ণ প্রথার বৈশিষ্ট্যকেই প্রতিফলিত করে।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে সামাজিক স্তরবিন্যাসের জাতিবর্ণ প্রকরণের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।