1 Answers

জনাব শাহেদের এরূপ আচরণ পুরোপুরি ইসলামসম্মত নয়। সন্তানের সদাচরণের প্রথম ও প্রধান হকদার মাতাপিতা। তাদের সাথে সন্তান সংগত ও সুন্দর আচরণ করবে। মাতা-পিতার সাথে সদাচরণ করাকে আল্লাহ ফরজ করে দিয়েছেন। কেননা মাতা সীমাহীন কষ্ট সহ্য করে তাকে গর্ভে ধারণ করেন, প্রসব করেন, দুগ্ধ পান করান। পরম মমতায় লালন-পালন করেন। এসব কারণে সন্তানের যৌক্তিক কর্তব্য হলো মাতা-পিতার কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা। নওমুসলিম হওয়া সত্ত্বেও তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করা যাবে না। তবে তারা যদি শিরক বা কুফর করার জন্য নির্দেশ দেয় বা চাপ প্রয়োগ করে, তাহলে তাদের নির্দেশ মানা যাবে না। কিন্তু তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা যাবে না এবং সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব শাহেদ একজন নওমুসলিম। তিনি নিজের ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। কিন্তু তার পিতা-মাতা তার এ কাজটিকে সহজে মেনে নেননি। তারা শাহেদকে পূর্ব ধর্মে ফিরে যেতে চাপ প্রয়োগ করছেন। এ কারণে তিনি অমুসলিম পিতা-মাতার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। ইসলামি বিধান অনুযায়ী যেহেতু কোনো অবস্থায়ই পিতা-মাতার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা যাবে না, তাই শাহেদের এ কাজটি ইসলামের পরিপন্থি।

6 views

Related Questions