1 Answers
জাভেদের রমজানের রোজা না রাখা ইসলামের দৃষ্টিতে কবিরা গুনাহ এবং চরম অন্যায়। সাওম ইসলামের মৌলিক একটি ইবাদত এবং ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি স্তম্ভ। এটি একটি ফরজ ইবাদত। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ, বিবেকসম্পন্ন মুসলিম ও মুকিম ব্যক্তির ওপর এটি ফরজ। আর এসব শর্ত জাভেদের মধ্যেও বিদ্যমান। কাজেই তার ওপর রমজানের সাওম পালন করা অবশ্যই ফরজ। তবে ইচ্ছাকৃত সাওম বর্জন করায় জাভেদ কাফির হবে না। কারণ তারা কেউ সাওমকে অস্বীকার করেনাই। সাওম অস্বীকার করলে মা ও ছেলে উভয়েই কাফির হয়ে যেত।
উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, জাভেদ এবার এইচ. এস. সি. পরীক্ষার্থী। তার ওপর সাওম ফরজ হয়েছে। কিন্তু তার মার ধারণা, তাকে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হবে। কিন্তু এমতাবস্থায় সে যদি সাওম পালন করে, তার পড়ালেখা ও প্রস্তুতির ব্যাঘাত ঘটবে। আর এর ফলে সে অসুস্থও হয়ে যেতে পারে। এতে পরীক্ষায় সমস্যা দেখা দেবে। তার মায়ের এরূপ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল, ইসলাম বিরোধী এবং ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব। কারণ রমজান মাস হলো রহমত ও বরকতের মাস। সাওম পালন করলে তার তো সমস্যা হবেই না, বরং আল্লাহ তার ওপর রহমত ও বরকত নাজিল করবেন। এতে অল্প পড়লেও আল্লাহ তাতে বরকত দিবেন এবং রহমত নাজিল করবেন। কারণ আল্লাহ না চাইলে যে যতই পড়ালেখা করুক সফল হতে পারবে না। তাই জাভেদের আচরণ ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয়।