1 Answers
সন্তানদের প্রতি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করায় মিসেস সালমা সীমাহীন মর্যাদার অধিকারী হবেন। মাতা যদি বিধবা হন, তার যদি বিয়ে করার মতো বয়স, সুযোগ ও চাহিদা থাকে তারপরও ইয়াতিম সন্তানের জন্য তিনি যদি বিয়ে না করেন, রাসুল (স) তাঁর সীমাহীন মর্যাদার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। কেননা প্রত্যেকটি মেয়ের কাছে স্বামীর সঙ্গ, তার আদর-ভালোবাসা অতি আকর্ষণীয়। আর স্বামী তার আর্থিক ও সম্ভ্রমের নিরাপত্তা বিধানে বেশি ভূমিকা রাখেন। এমতাবস্থায় মাতা যদি নিজের জীবনের এমন সুখের হাতছানি মাড়িয়ে সন্তানের ভালোবাসায় বিবাহ না করেন ইসলাম তার অনেক বেশি মর্যাদা দিয়েছে। রাসুল (স) বলেন, যে বিধবা রূপ, গুণ ও বংশমর্যাদা থাকা সত্ত্বেও ইয়াতিম সন্তানদের প্রতিপালনের জন্য পুনরায় বিয়ে করা থেকে বিরত থাকে এবং সন্তান লালন-পালনের কষ্ট ও পরিশ্রমে তার চেহারা মলিন হয়ে যায়, কিয়ামতে এ বিধবা আর আমি একত্রে অবস্থান করব। (সুনানে আবু দাউদ)
উদ্দীপকে দেখা যায় মিসেস সালমা দুটি শিশু সন্তান নিয়ে বিধবা হলে রূপ, গুণ ও বিয়ের বয়স থাকা সত্ত্বেও তিনি পুনরায় বিয়ে করেননি। ইয়াতীম সন্তানদের লালন-পালনে তিনি জীবনের বাকিটা সময় অতিবাহিত করেছেন। তার এ ধরনের কর্মকাণ্ড অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। মহানবি (স.) এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। সুতরাং বলা যায়, মিসেস সালমা তার উক্ত কাজের জন্য পরকালে জান্নাত লাভসহ বিশেষ মর্যাদার অধিকারী হবেন।