1 Answers
জামাল হোসেন স্থানীয় একটি এনজিও থেকে কৃষি ঋণ গ্রহণ করেন। তিনি ফসল চাষাবাদ না করায় ঋণের টাকা পরিশোধে সমস্যায় পড়েন। কৃষিঋণের ক্ষেত্রে এরূপ আরো অনেক সমস্যা লক্ষ করা যায়। নিম্নে তা বর্ণিত হলো-
জামানত সমস্যা: কৃষিঋণ গ্রহণ করতে জামানত দিতে হয়। এদেশের অনেক কৃষকের জামানত দেওয়ার মতো কোনো মূল্যবান সম্পদ থাকে না। দুর্যোগে ফসল বিনষ্ট হওয়া: কৃষিঋণ গ্রহণের পর কৃষি উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা কালে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়ে ফসল বিনষ্ট হলেও নির্দিষ্ট হারে সুদসহ আসল ঋণদাতা উৎসকে ফেরত দিতে হয়। ঋণের সুদ বেশি থাকা: এদেশের অনেক ব্যাংকে ঋণের সুদের পরিমাণ বেশি যা কৃষকের জন্য সুবিধাজনক নয়।
কৃষি বিমা না থাকা: কৃষি বিমা থাকলে যেকোনো কারণে ফসল বিনষ্ট হলে বিমার টাকায় তা পূরণ করা সম্ভব হয়। কৃষি বিমা না থাকায় কৃষকদের ক্ষেত্রে ঋণের বোঝা মাথা পেতে নিতে হয়। অন্যান্য সমস্যা: উপরের সমস্যাগুলো ছাড়াও বাজারের নিয়ন্ত্রণ না থাকা, ঋণ আদায়ে কঠোরতা, প্রযুক্তিগত কৃষিযন্ত্র সরবরাহের অভাবসহ আরও অনেক সমস্যা কৃষিঋণের ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়।