1 Answers

রতন প্রামাণিক নিজ উদ্যোগে তার গ্রামে পতিত জমিতে বিভিন্ন জাতের বৃক্ষ রোপণ করেন যার মাধ্যমে এলাকার দারিদ্র্য বিমোচন, বনজ সম্পদ বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত উন্নয়ন ঘটেছে।

রতন প্রামাণিক তার গ্রামে ফল, ফুল, কাঠ, ভেষজ বিভিন্ন ধরনের বৃক্ষ' রোপণ করেছেন। তার লাগানো বৃক্ষ থেকে গ্রামবাসীরা ফল, মধু পেয়েছে এবং প্রাপ্ত কাঠ থেকে তাদের আসবাবপত্র, গৃহনির্মাণ, জ্বালানি ইত্যাদির চাহিদা পূরণ করতে পেরেছে। এছাড়া বিভিন্ন দেশীয় কৃষিজ যন্ত্রপাতি যেমন- লাঙল, মই, আঁচড়া ইত্যাদি এই কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়। তার এ বৃক্ষ রোপণের দ্বারা গ্রামবাসীরা পেয়েছে একটি সুস্থ সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ। বনভূমি উদ্ভিদের প্রস্বেদনের হার বৃদ্ধির মাধ্যমে বৃষ্টিপাত বাড়ায়। এতে আবহাওয়ার চরম ভাবাপন্নতা কমে যায়, আবাদি জমির পরিমাণ বাড়ে, ভূগর্ভস্থ বিশুদ্ধ পানির পরিমাণ বেড়েছে এবং তাদের গ্রামের মরুময়তা দূর হয়েছে। বনভূমি একই সাথে বায়ুমন্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ায়, গ্রিন হাউস প্রভাব রোধ করে ও ওজন স্তরের ক্ষয় কমায়। বনভূমি প্রাকৃতিক ঝড়, তুফান, জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা প্রতিরোধ করে ও ভূমিক্ষয় রোধ করে। তার লাগানো বিভিন্ন ধরনের বৃক্ষ থেকে প্রাপ্ত কাঠ, ফুল, ফল, ভেষজ বিভিন্ন উৎপাদন ব্যবস্থার কাঁচামাল হিসেবে ও ওষুধ শিল্পে ব্যবহৃত হয়। বনজ কাঠ থেকে তৈরিকৃত বিভিন্ন আসবাবপত্র ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে অনেক গ্রামবাসী তাদের আয় রোজগারের ব্যবস্থা করছে।

এভাবে রতন প্রামাণিকের বৃক্ষ রোপণের দ্বারা গ্রামের মানুষ বিভিন্নভাবে অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দিক থেকে উপকৃত হচ্ছে।

4 views

Related Questions