1 Answers
কামাল দুগ্ধ উৎপাদন ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে ও সুষ্ঠু উপায়ে করায় কয়েক মাসেই তার খামারের দুধ উৎপাদন বেড়ে গেল।
দুধ উৎপাদন কম বেশি হওয়া, বিশুদ্ধ দুধ উৎপাদন, দুধ দোহন ইত্যাদি দুধ উৎপাদন ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পর্কিত। গাভির খাদ্যের প্রকৃতি ও পরিমাণের উপর দুধ উৎপাদনের তারতম্য হয়। কামাল তার গরুকে পানি ও সবুজ কাঁচা ঘাস খাওয়ান। এতে দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় কিন্তু দুধে চর্বির পরিমাণ হ্রাস পায়। কাঁচা ঘাসের পাশাপাশি গাভিকে খড় ও দানাদার খাদ্য সহযোগে সুষম খাদ্য খাওয়ানোর ফলে দুধ ঘন হয় ও দুধে চর্বির পরিমাণ বাড়ে। দুধ হাত দিয়ে দোহন করলে উৎপাদন কম হয়। তাই তিনি যন্ত্রের সাহায্যে এবং প্রতিদিন একই সময়ে দুধ দোহন করেন। এতে উৎপাদন বাড়ে। তবে একই গাভিকে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দোহন করলে দুধের পরিমাণ কমে যায়। তাই তিনি গাভিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২-৩ বার দোহন করেন। গরুকে থাইরক্সিন, আয়োডিনেটেড কেসিন এবং থাইরোপ্রোটিন উপযুক্ত অনুপাতে প্রদান করেন। ফলে দুধের উৎপাদন ও গুণগত মান বৃদ্ধি পায়।