1 Answers

ল্যাকটোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব মেপে ভেজাল ও খাঁটি দুধ নির্ণয় করা যায়। দুধের সাথে পানি বা পাউডার মিশিয়ে, খাঁটি দুধ হতে মাখন উঠিয়ে প্রভৃতি বিভিন্ন উপায়ে দুধে ভেজাল দেওয়া হয়। গবাদিপশুর প্রজাতিভেদে দুধে পানির পরিমাণে ভিন্নতা দেখা যায়। সাধারণত দুধে গড়ে ৮৭% পানি থাকে এবং স্বাভাবিক দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব ১.০৩২ ১.০৩৪ এর মধ্যে হয়। তাই দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব যদি ১.০৩২ এর নিচে হয়, তবে দুধে পানি মেশানো হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। আবার দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব ১.০৩৪ এর অধিক হলে দুধের ফ্যাট তুলে নিয়ে গুঁড়া দুধ বা ময়দা মিশানো হয়েছে বলে অনুমান করা হয়।

২০০ তাপমাত্রা বাড়ানো হলে অর্থাৎ (৬৫° + ২০) = ৮৫° ফারেনহাইট তাপমাত্রায় মালেক মিয়ার দোকানের দুধের ল্যাকটোমিটার পাঠ ছিল ৩০ এবং দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব পাওয়া যায় ১.০৩১। তাই উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে মালেক মিয়ার দোকানের দুধে ভেজাল রয়েছে বলা যায়।

4 views

Related Questions