1 Answers
ইদ্রিস আলি ও স্বপন মিয়ার কর্মকাণ্ডের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। মদের দ্বারা শুধু ধর্মীয় ক্ষতি সাধিত হয় না। দৈহিক ও মানসিক ক্ষতিও সাধিত হয়। মদ্যপানের ফলে মানুষের চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে পর্যায়ক্রমে তার শরীরে ধীরে ধীরে অপুষ্টি দানা বাঁধে। লিভার ও কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে এবং চোখ গর্তে ঢুকে যায়। একজন জার্মান বলেছেন, যারা মদ্যপানে অভ্যস্ত তারা চল্লিশ বছর বয়সে ষাট বছরের বৃদ্ধ মানুষের মতো অকর্মণ্য হয়ে পড়ে এবং তাদের শরীর এত হালকা হয়ে যায় যে ষাট বছরের বৃদ্ধেরও তেমন ঘটে না। মদ পানের বিরূপ প্রভাব উত্তরাধিকার সূত্রে সন্তান-সন্ততির উপরেও পড়ে।
বস্তুত মদ সব অপকর্ম ও অশ্লীলতার মূল। মদ এবং মদ সংশ্লিষ্ট সব কিছু হারাম। এতে জড়িত থাকার অর্থই হচ্ছে নিজেকে আল্লাহর লানতের যোগ্য করে তোলা। মদ ও মাদকতা মুমিনকে ইবাদত থেকে দূরে রাখে। বিভিন্ন রকম অশ্লীলতায় নিযুক্ত হয়। আর এসব কর্মকাণ্ড মানুষকে জাহান্নামের দিকে ধাবিত করে। সুতরাং ইদ্রিস আলি ও স্বপন মিয়া নিজেদেরকে মদের সাথে সংশ্লিষ্ট থেকে নিজেরা পাপ করছে এবং অন্যকে পাপে সহায়তা করছে। এজন্য পরকালে তাদেরকে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে।