1 Answers

মাসয়ালা-মাসায়েল সম্বলিত ফিকহশাস্ত্র অনুযায়ী আমল না করায় মারুফের কর্মকাণ্ডের পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ।

ফিকহশাস্ত্রের মূল লক্ষ্য হলো মানুষকে আল্লাহর বিধি-নিষেধ পালনের সঠিক রীতি-পদ্ধতি নির্দেশ করা। ইসলামের মূল দুটি উৎস হলো আল-কুরআন ও হাদিস। কুরআন ও হাদিসে বিধান পালনের ক্ষেত্রে বিশদ নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তাই সর্বসাধারণের পক্ষে কুরআন ও হাদিস বুঝে সঠিক আমল করা সম্ভব হয় না। এজন্য একদল দীনদার মুজতাহিদ তাদের প্রজ্ঞা ও শ্রম দিয়ে মুসলিমদের ধর্মীয় জীবন সহজতর করার জন্য কুরআন ও হাদিস বিশ্লেষণ করে ফিকহশাস্ত্রের উদ্ভাবন করেন। আল্লাহর আইন সহজ ও যথাযথভাবে পালন করে ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি লাভে সহায়তা করাই ফিকহশাস্ত্রের মূল লক্ষ্য। তাই মারুফের কর্মকাণ্ড পরকালে তাকে কঠিন প্রশ্নের সম্মুখীন করবে।

উদ্দীপকে উল্লেখিত মারুফ ব্যবসা করে অনেক সম্পদের মালিক হয়েছেন। কিন্তু জীবনের সব বিষয়ে কুরআন-হাদিস থেকে উৎসারিত মাসয়ালা-মাসায়েলের তোয়াক্কা করেননি। এরূপ উদাসীনতার কারণে পরকালে মারুফকে জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হবে। কারণ একজন সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে কুরআন- হাদিসের নিগূঢ় অর্থ অনুসন্ধান করে সঠিক আমল করা সম্ভব নয়। তাই স্পষ্ট মাসয়ালা-মাসায়েল না জেনে জীবন পরিচালনা করলে আমল শরিয়ত পরিপন্থি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে পরকালে কঠিন আজাবের সম্মুখীন হতে হবে।

সুতরাং বলা যায়, মারুফের কর্মকাণ্ডের পরিণতিতে তাকে পরকালে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।

5 views

Related Questions