1 Answers

বাদল সাহেবকে গর্ভবতী গাভির যত্ন সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান দেওয়া হয়েছিল।

গাভির গর্ভকালীন অবস্থার সাত মাস পর্যন্ত তাহের আলী খাদ্য, পরিচর্যা ও দুধ দোহন স্বাভাবিকভাবে করবেন। সাত মাস থেকে আস্তে আস্তে দুধ দোহন বন্ধ করবেন। গাভিকে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসপূর্ণ শুকনো ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জায়গায় রাখবেন। প্রয়োজনে জীবাণুনাশক মিশ্রিত পানি দ্বারা ঘর ধুয়ে নিবেন। গাভির ঘর যাতে অতিরিক্ত ঠান্ডা অথবা গরম না হয় সেদিকে লক্ষ রাখবেন। গাভির শোবার জায়গাতে খড় বিছিয়ে দেবেন যাতে আরাম করে শুতে পারে। গাভিকে ভয় দেখানো, গাভি দ্বারা হালচাষ, ভারবহন, ফসল মাড়াই জাতীয় কোনো কাজ করাবেন না। গাভিকে সব সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করবেন। দুধের প্রবাহ বন্ধ না হলে দানাদার খাদ্যের পরিমাণ কমিয়ে খড় জাতীয় খাদ্যের পরিমাণ বাড়িয়ে দেবেন। প্রসবের ১ মাস আগে অন্যান্য গাভি হতে আলাদা করে রাখবেন এবং প্রসবের ২/৩ দিন আগে থেকে ২৪ ঘণ্টা বিশেষ নজরে রাখবেন। গাভিকে বাচ্চা প্রসবের প্রায় দুই সপ্তাহ আগে থেকে শুকনা খাদ্যের পরিমাণ আস্তে আস্তে কমিয়ে কাঁচা ঘাস ও খুঁদের জাউ জাতীয় নরম খাদ্য খাওয়াবেন। গাভিকে প্রথমে দৈনিক ১.৫ কেজি এবং পরে ৬ মাস পর হতে ২ কেজি দানাদার খাদ্য প্রদান করবেন।

গর্ভকালীন সময়ে সঠিকভাবে পরিচর্যা করা না হলে গর্ভবতী গাভি অপুষ্টিতে ভুগবে, নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিবে। ফলে বাছুর জীর্ণ, শীর্ণ ও রোগাক্রান্ত হবে। তাই গর্ভকালীন সময়ে গাভির যত্ন নেওয়া অপরিহার্য।

4 views

Related Questions