1 Answers
মইন উদ্দিন সাহেব একটি স্টেরিলাইজেশন ও একটি ইনকিউবেটর মেশিন কিনে যথাক্রমে দুধ জীবাণুমুক্ত করেন ও কৃত্রিম উপায়ে মুরগির বাচ্চা ফুটানোর একটি খামার প্রতিষ্ঠান করেন। মইন উদ্দিন সাহেব ইনকিউবেটর যন্ত্রটি দিয়ে কৃত্রিম উপায়ে একসাথে অনেক ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা তৈরি করতে পারেন। এর মাধ্যমে যে কোনো সময় তিনি ডিম ফুটাতে পারেন। এতে সব ডিম ফুটে, ডিম নষ্ট হয় না। এখানে ডিম ভাঙা ও বাচ্চা মরার সম্ভাবনা নেই। ফলে তিনি গ্রামবাসীকে পর্যাপ্ত পরিমাণে মুরগির বাচ্চা সরবরাহ করতে পারেন। এতে তার পাশাপাশি গ্রামবাসীও মুরগি পালনের মাধ্যমে আর্থিক সফলতা অর্জন করতে পারে।
আবার, তিনি স্টেরিলাইজেশন মেশিনের মাধ্যমে দুধ জীবাণুমুক্ত করে সংরক্ষণ করে চাহিদা অনুযায়ী বাজারে বিশুদ্ধ দুধ সরবরাহ করতে পারেন। এতে দুধ নষ্ট হওয়াজনিত আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবেন। তাছাড়া গ্রামবাসীও জীবাণুমুক্ত বিশুদ্ধ দুধ পাবে। এতে একদিকে যেমন গ্রামের লোকের পুষ্টি চাহিদা মিটবে তেমনি মইন উদ্দিন নিজেও আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। সুতরাং, সবদিক বিবেচনায় বলা যায়, মইন উদ্দিন সাহেবের উদ্যোগটি যথার্থ ছিল।