1 Answers

নজরুল সাহেব প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে মুরগির ডিম না ফুটিয়ে কৃত্রিম পদ্ধতি অবলম্বন করেন এবং এতে তিনি বেশ লাভবান হন।

বাংলাদেশের গ্রাম অঞ্চলে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে মুরগির ডিম হতে বাচ্চা ফুটানো হয়। এ পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ ১০-১৫টি ডিম ফুটানো যায়। প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ডিম ফুটানোর জন্য তাপ দিতে গিয়ে মুরগি ডিম ভেঙ্গে ফেলে, এতে করে বাচ্চা মারাও যায়। কিন্তু, কাজী সাহেব ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর জন্য ইনকিউবেটর যন্ত্র ব্যবহার করেন। এই ইনকিউবেটর যন্ত্র দিয়ে একই সময়ে অধিক সংখ্যক ডিম ফুটানো যায়। কৃত্রিম পদ্ধতি অবলম্বনের ফলে কাজী সাহেবের ডিম নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। তাছাড়া কাজী সাহেব মুরগির বাচ্চার চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে কৃত্রিম পদ্ধতিতে ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেন। তার খামারে উৎপাদিত বাচ্চা দিয়ে আশেপাশে অনেক ব্রয়লার ও লেয়ার খামার গড়ে উঠবে। ফলে দেশে মুরগির উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। যা দেশের খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা পূরণেও ভূমিকা রাখবে। সর্বোপরি কৃত্রিম পদ্ধতিতে আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে তার খামারের অধিক উৎপাদনশীলতা অন্যদেরকেও এই কাজে অনুপ্রাণিত করবে।

অতএব, কৃত্রিম পদ্ধতি ব্যবহার করে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য নজরুল সাহেবের উদ্যোগটি অত্যন্ত সময়োপযোগী।

6 views

Related Questions