1 Answers
জহির যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হতে প্রশিক্ষণ নিয়ে তার পুকুরটি খনন করে তাতে মাছ চাষ করেন। এতে তিনি গ্রামের বেকার যুবকদেরও নিয়োজিত করেন।
জহির মাছ চাষ করে একদিকে যেমন আর্থিকভাবে সচ্ছল হবেন, তেমনি এর মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টির সঠিক যোগানও পাৰেন। আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ৬০% আমিষের যোগান দেয় মাছ। আবার সে গ্রামের বেকার যুবকদের নিয়োজিত করে কাজের সুযোগ করে দেয়। এটি দেশের বেকার সমস্যা দূর করার একটি উত্তম প্রচেষ্টা।
বাংলাদেশে বিগত চার বছরে এ সেক্টরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অতিরিক্ত বার্ষিক ৬ লক্ষাধিক দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। আবার, বর্তমানে মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাসমূহে নিয়োজিত শ্রমিকের শতকরা প্রায় ৮০ ভাগই নারী। আর এসবই সম্ভব হয়েছে জহিরের মতো কিছু সাহসী উদ্যোক্তার জন্যে। তার মতো অন্য বেকার যুবকেরাও যদি প্রশিক্ষণ নিয়ে মৎস্য চাষ করেন, তাহলে দেশের অর্থনীতিতে তা ভূমিকা রাখার পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থানে যুগান্তকারী পদক্ষেপ রাখবে।
অতএব বলা যায়, জহিরের উদ্যোগটি যথার্থ ছিল।