5 Answers
কথাটির অর্থ হলো- প্রথমে ভাষার সৃষ্টি। তারপর সেই ভাষাকে সুন্দর ও শুদ্ধভাবে উপস্থাপন করার জন্য ব্যকরণের আবির্ভাব। তাই প্রশ্নে বর্ণিত কথাটি বলা হয়।
ব্যাকরণ সবসময় ভাষাকে অনুসরণ করে,কিন্তু ভাষা ব্যাকরণকে অনুসরণ করে না।অনবরত ব্যবহারে ভাষার যে নিয়ম দাঁড়িয়ে যায়,তা ব্যাকরণের নিয়ম হয়ে ওঠে।তাই আমরা বলতে পারি,ব্যাকরণ ভাষাকে সৃষ্টি করেনি,ভাষাই ব্যাকরণকে সৃষ্টি করেছে।
প্রথমে ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। তারপর ভাষা সহজে আয়ত্ব করার জন্য ভাষানুযায়ী গ্রামার বা ব্যাকরণ তৈরী করা হয়েছে।
কোনো ভাষার উপাদান সমগ্রভাবে বিচার ও বিশ্লেষণ হচ্ছে ব্যাকরণ বিদ্যার বিষয়।অর্থাৎ,ভাষার উপর ব্যাকরণ নির্ভরশীল।এজন্য ভাষার প্রয়োজনে অর্থাৎ,ভাষার সুষ্টু প্রয়োগের জন্যই ব্যাকরণের সৃষ্টি।ভাষা থাকলে তবেই ব্যাকরণের প্রয়োজন হবে।ব্যাকরণ নিজেই ভাষা সৃষ্টি করতে পারবে না,কারণ ভাষা না থাকলে ব্যাকরণ অস্তিত্বহীন।তাই বলা হয় 'ব্যাকরণ ভাষাকে সৃষ্টি করেনি, ভাষা ব্যাকরণকে সৃষ্টি করেছে'।
ব্যাকরণ ভাষাকে সৃষ্টি করেনি। ভাষা ব্যাকরণকে সৃষ্টি করেছে। কথাটির অর্থ হচ্ছে- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের ভাষা বিভিন্ন রকম। তাই ভাষাকে ভালো ভাবে বুঝতে এবং ভাষার দ্বারা মনের ভাব সম্পূর্ণ রুপে প্রকাশ করতে এবং লিখতে ব্যাকরণের সৃষ্টি হয়েছে। তাই বলা যায় ভাষা ব্যাকরণকে সৃষ্টি করেছে।