আমার চাচাতো ভাইয়েরা বাহিরে কাজ করে, সেখান থেকে বাসায় টাকা পাঠায় আমার বিকাশে, নগদ এ। তারা খরচ সহ পাঠায়। যেমন ৫ হাজার ১০০ টাকা আমার পার্সোনাল নাম্বারে দেয় আর সেটা এজেন্ট থেকে আমি ৫ হাজার টাকা  বের করতে খরচ কাটে ৫৭ টাকা ৪৪ পয়সা।  বাকি ৪২ টাকা ৪৬ পয়সা আমার একাউন্ট এ জমা থাকে এবং সেই ৪২ টাকা ৪৬ পয়সা আমি নিজে ভোগ করি।এভাবে আমাকে অনেকেই টাকা পাঠায় কখনো আমার কাছে হাজার টাকা বা ৫ টাকা বা ৮/৭ টাকা করে আমার একাউন্ট এ জমা হয় খরচ থেকে।

এইযে এই জমা কৃত টাকা গুলো আমার একাউন্ট এ থাকে বা সেগুলো আমি নিজেই ভোগ করি এতে করে কি আমার গোনাহ হবে বা হালাল হবে।  সহজ ভাবে বলছি আমার বিকাশে কেউ ১০২০ টাকা দিলো সেটা বের করতে ১০১৭.৫০ টাকা লাগে বাকি ২.৫০ পয়সা আমার পার্সোনাল একাউন্ট এ থাকে যেটা আমি ভোগ করি।আর এই ভোগ করা পয়সা গুলো আমার পক্ষে নেওয়া কি ঠিক নাকি অন্যায় বা হারাম। যদিও আমি ব্যবসায়ী নই। কুরআন হাদিসের আলোকে বলবেন।

1845 views

3 Answers

ইসলামী শরীয়তে ঈমানদার লোকেরা বিশ্বাস করেন যে, অন্যের সম্পদ তার অনুমতি ছাড়া ভোগ করা হারাম।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন, যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের লোকসান করে অথবা প্রবঞ্চনা করে সে অভিশপ্ত।

অন্যায় ভাবে অন্যের সম্পদ গ্রাস করা প্রসঙ্গে, আবু উমামা হতে বর্ণিত হাদীসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন, যে ব্যক্তি হলফ করে অন্য মুসলমানের হক নষ্ট করলো তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত এবং জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন। এক ব্যক্তি বললো হে আল্লাহর রাসূল! যদি তা সমান্য ও হয়? জবাব দিলেন, যদিও তা একটি ছোট গাছের শাখাও হয়।

আল্লাহ বলেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা অন্যায়ভাবে একে অন্যের সম্পদ গ্রাস করো না, তবে পারস্পরিক সম্মতিতে ব্যবসার মাধ্যমে হলে ভিন্ন কথা। (সুরা নিসা ৪ঃ ২৯)।

প্রশ্ন হচ্ছে বিকাশ বা নগদে খরচ সহ পাঠানো টাকার অতিরিক্ত বাকি ২.৫০ পয়সাগুলো নেওয়া ঠিক নাকি অন্যায় বা হারাম:

এক্ষেত্রে প্রথম মত হচ্ছে, পারস্পরিক সম্মতিতে বাকি ২.৫০ পয়সাগুলো নেওয়া হালাল। অথবা অনেকেই জানে বিকাশ বা নগদে ক্যাশ আউট চার্জে ২০ টাকা কাটেনা ২.৫০ বেচে যায়। যদি তিনি এসব জেনেই ২.৫০ টাকা বেশি দেয় তাহলে পয়সাগুলো নেওয়া হালাল।

কিন্তু, তিনি যদি জানে বিকাশ বা নগদে ক্যাশ আউট চার্জে ২০ টাকাই কাটে ২.৫০ বেচে যায়না।

এক্ষেত্রে ২০ টাকাতে ২.৫০ বেশি দেয় তাহলে পয়সাগুলো নেওয়া হারাম। এক্ষেত্রে তাকে আগে জানাতে হবে। তার সম্মতি, অনুমতি বা খুশিমনে উক্ত টাকা ছাড় দিলেই হালাল হবে।


1845 views

সে পরিমাণ টাকা থাকুক যার টাকা উনার অনুমতি ব্যতিত হালাল হবার কোনো সম্ভাবনা দেখি না!  আপনি বরং উনাদের সাথে  কথা বলার সময় অবহিত করেনিলেন যে এই পরিমাণ টাকা অবশিষ্ট রয়েছে তখন দেখলেন উনারা কি বলে, যদি বলে আপনি নিয়ে নেন তাহলে তো হালাল হয়ে গেলো   নয়ত তা হালাল হচ্ছে না। 

আশা করি বুজাতে পেরেছি 

1845 views

H

1845 views

Related Questions