5 Answers
অভিভাবকের সম্মতি ব্যতীত কোন বিয়েই বৈধ নয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস এ ব্যাপারটিই নির্দেশ করে।
# “যে নারী তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই নিজে নিজে বিবাহ করে, তার বিবাহ বাতিল, বাতিল, বাতিল।” (আহমাদ,আবু দাউদ,তিরমিযী,ইবনে মাজাহ,দারেমী,মিশকাত ৩১৩১ নং)
আরও বর্ণিত হয়েছে, এক স্ত্রীলোক অপর স্ত্রীলোক বিবাহ দিতে পারে না এবং কোনও স্ত্রীলোক নিজে নিজেই বিবাহ আবদ্ধ হতে পারে না। কারণ, কেবল ব্যভিচারিণীই নিজেকে বিবাহ আবদ্ধ করতে পারে।
আর অভিভাবক হলেন পিতা , পিতা না থাকলে ভাই এভাবে যাবে এবং যদি কাছের কোন আত্মীয় জীবিত না থাকেন বা কাফের/মুরতাদ/ফাসেক হবার কারণে অভিভাবকত্ব হারান তবে তার অভিভাবকত্ব রাষ্ট্রের জিম্মায় চলে যাবে ।
তাই পালিয়ে যদি ছেলে বিয়ে করে কিন্তু মেয়েটির অভিভাবক সম্মতি দিয়েছে তবে বিয়ে বৈধ ।
কিন্তু মেয়ে পালিয়ে অভিভাবকের সম্মতি না নিয়ে বিয়ে করলে বিয়ে বৈধ হবে না । ছেলের পরিবার জানুক বা না জানুক এতে কিছুই এক্ষেত্রে যায় আসবে না ।
সকল মাজহাব এ ব্যাপারে একমত । তবে মেয়ে যদি অভিভাবকের যুলুমের স্বীকার হয় তবে হানাফি মাজহাব সে যুলুম হতে বাচার জন্য একটু ছাড় দিয়েছে তবে অকারণ পালিয়ে বিয়েকে বৈধতা দেয়নি ।
সুতরাং মেয়েদের জন্য পালিয়ে বিয়ে সম্পূর্ণ অবৈধ ।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আর তোমরা তোমাদের মধ্যে অবিবাহিত নারী-পুরুষদের বিবাহ দাও।” [সূরা নূর, ২৪:৩২] তবে আধুনিক যুগে অনেক তরুণ- তরুণীকেই দেখা যায়, তারা বাবা- মাকে না জানিয়ে নিজের ইচ্ছে মতো বিয়ে করে থাকে। তরুণ- তরুণীদের এই ধরণের বিয়ে ইসলামের দৃষ্টি কোন থেকে কি বৈধ? অনেকেই তা জানে না। তরুণ- তরুণীদের এরূপ লুকিয়ে বিয়ে করার বিষয়ে মহানবী (সা.) স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:“যে নারী তার অভিভাবকের (বাবা-মা কিংবা বড়ভাই এক কথায় অবিভাবক) অনুমতি ছাড়া বিয়ে করবে তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল।” [হাদিসটি তিরমিযি (১০২১) ও অন্যান্য গ্রন্থকার কর্তৃক সংকলিত এবং হাদিসটি সহীহ] মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর এই ব্যাখ্যায় স্পষ্টই প্রমানিত যে, বাবা-মা কিংবা অভিভাবকদের বিনা অনুমতিতে পালিয়ে বিয়ে করাকে ইসলাম সমর্থন করে না। নবীজী (সা.) এই রূপ বিয়েকে সরাসরি বাতিল বলে অ্যাখ্যায়িত করেছেন, সুতারাং এই বিয়ে হারাম এবং অবৈধ।bissoy থেকে সংঘিত।
কখনোই না ইসলাম কখনোই পালিয়ে বিয়ে করা সমর্থন করে না।বিয়ের আগে বেগানা নারী পুরুষের মধ্যে যে প্রেম ভালবাসার সৃষ্টি হয় ইসলামে তাও নিষিষ্ধ।
বিয়ে প্রতিটি মুসলমানদের জন্য ফরজ। এ বিষয়ে মহান আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, ‘আর তোমরা তোমাদেরমধ্যে অবিবাহিত নারী-পুরুষদের বিবাহদাও’। [সূরা নূর, ২৪:৩২]আধুনিক যুগে অনেক তরুণ-তরুণীকেই দেখা যায়, বাবা-মাকে নাজানিয়ে নিজের ইচ্ছেমতোপালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে থাকে।তরুণ-তরুণীদের এ ধরনের বিয়েইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে কিবৈধ? অনেকেই তা জানে না।তরুণ-তরুণীদের এরূপ লুকিয়ে বিয়েকরার বিষয়ে মহানবী (সা.) স্পষ্টব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘যে নারী তারঅভিভাবকের (বাবা-মা কিংবা বড়ভাই এককথায় অভিভাবক) অনুমতি ছাড়া বিয়েকরবে তার বিয়ে বাতিল, তার বিয়েবাতিল, তার বিয়েবাতিল’। [হাদিসটি তিরমিযি (১০২১) ওঅন্যান্য গ্রন্থকার কর্তৃক সংকলিত এবংহাদিসটি সহীহ]মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর এইব্যাখ্যায় স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে,বাবা-মা কিংবা অভিভাবকদের বিনাঅনুমতিতে পালিয়ে বিয়ে করা ইসলামসমর্থন করে না। নবীজী (সা.) এইরূপ বিয়েকে সরাসরি বাতিল বলেঅ্যাখ্যায়িত করেছেন।সুতরাং যে কাজ আল্লাহর রাসুল করতেনিষেধ করেছেন সেই কাজথেকে সবাইকে বিরত থাকতেহবে।আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিতহাদীসে এসেছে, ‘যে নারী তারঅভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত বিয়েকরল, তার বিয়ে বাতিল, তার বিয়ে বাতিল,তার বিয়ে বাতিল’। (তিরমিযি)নারীকে তার উপযুক্ত স্বামী গ্রহণকরার অর্থ তাকে মুক্ত স্বাধীনছেড়ে দেয়া নয় যে, যাকে ইচ্ছাসে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করবে,যার বিয়ের খারাপ প্রভাব পড়ে তারআত্মীয় ও পরিবারের ওপর।নারী অভিভাবকের সাথে সম্পৃক্ত,অভিভাবক তার ইচ্ছাকে দেখবে এবংতাকে সঠিক পথ বাতলাবে, তার বিবাহেরদায়িত্ব নেবে, সে নিজে নিজেরআকদ সম্পন্ন করবে না, যদি সেনিজের আকদ নিজে সম্পন্ন করেবাতিল বলে গণ্য হবে।অন্য হাদীসে এসেছে- ‘অভিভাবকব্যতীত নারীর কোনো বিয়েনেই’।এ দু’টি হাদীস ও এ জাতীয় অন্যান্যহাদীস প্রমাণ করে যে, অভিভাবকব্যতীত নারীর বিয়ে বৈধ নয়।
আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে, ‘যে নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত বিয়ে করল, তার বিয়ে বাতিল, তার বিয়ে বাতিল, তার বিয়ে বাতিল’। (তিরমিযি)
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy