1 Answers
ছত্রাকের গুরুত্ব:
পেনিসিলিনসহ বহু মূল্যবান ওষুধ ছত্রাক থেকে থেকে তৈরি করা হয়। পাউরুটি তৈরিতে ঈস্ট নামক ছত্রাক ব্যবহার করা হয়। ঈস্ট ভিটামিনসমৃদ্ধ বলে ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এগারিকাস নামক এক ধরনের মাশরুম ছত্রাক বর্ত্মানে উপাদেও খাদ্য বলে বিবেচিত। বর্তমানে বাংলাদেশসহ বহু দেশে মাশরুম চাষ করা হয়। আবর্জনা পঁচিয়ে জৈবসার বানিয়ে মাটিতে মেশাতে ছত্রাকের মূখ্য ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশে ছত্রাক সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ সমীক্ষা এখনো হয়নি। ছত্রাকের প্রকৃত মূল, কান্ড এবং পাতা নেই। এখানকার আর্দ্র জলবায়ু ছত্রাকের বৃদ্ধি ও বিকাশের অত্যন্ত অনুকূল এবং সে জন্য এখানে নানা জাতের অজস্র ছত্রাক থাকা সম্ভব। কৃষিপ্রধান দেশ বিধায় এখানে ধান, পাট, আখ, চা, টমেটো, আলু, বেগুন, মরিচ, গম ও ভুট্টার মতো অনেকগুলো প্রধান ফসলের ক্ষতিকর ছত্রাক রয়েছে এবং সেগুলো শনাক্ত করা হয়েছে। অপরাপর বিভিন্ন প্রকার ছত্রাকের আক্রমণের কারণে জীবদেহে নানা প্রকার রোগের সৃষ্টি হয়। আর্থিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ছত্রাক হলো ঈস্ট ও মাশরুম। পাউরুটি তৈরিতে ঈস্ট ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে ছত্রাক চাষের যথেষ্ট সুযোগ থাকলেও এগুলোর ব্যাপক চাষের কোনো উদ্যোগ গৃহীত হয়নি।
এন্টামিবা এক ধরনের এককোষী জীব। সার্কোমাস্টিগোফোরা (sarcomastigophora)পর্বের অর্ন্তগত প্রাণি। খালি চোখে এদের দেখা যায় না। এদের দেহের কোন নির্দিষ্ট আকৃতি নাই কারণ এরা অ্যামিবার ন্যায় আকার ও আকৃতি সর্বদাই পরিবর্তন করতে থাকে। এদের দেহ স্বচ্ছ জেলীর ন্যায় । কখনও কখনও প্রতিকুল পরিবেশে এরা গোলাকার শক্ত আবরণে নিজেদের দেহ ঢেকে রাখে। এ অবস্থায় একে সিস্ট বলে। কখনও লোহিত কণিকা ও ব্যাকটেরিয়া কোষ এরা খাদ্য রূপে গ্রহণ করে।
এন্টামিবার গুরুত্বঃ
এরা মানুষ, বানরজাতীয় প্রাণী, বিড়াল, কুকুর, শুকর ও ইদুরের বৃহদান্ত্রেবাস করে। সাধারণভাবে এরা ক্ষতিকর না হলেও কোন এক অজানা কারণে মাঝেমধ্যে আমাশয় রোগের সৃষ্টি করে। এন্টামিবা কোষ বিভাজন ও অণুবীজ(স্পোর) সৃষ্টির মাধ্যমে বংশবৃদ্ধিকরে। স্পোরুলেশন পদ্ধতিতে একটি কোষের প্রোটোপ্লাজম বহুখন্ডে বিভক্ত হয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণুবীজ বা স্পোর গঠন করে। অনুকূল পরিবেশে এরা প্রত্যেকে একটি নূতন অ্যামিবা হিসাবে বড় হয়।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy