ঘরে দুই জন আলাদাভাবে নামাজ পরছে একজন শব্দ করে পরছে?

ঘরে দুই জন আলাদাভাবে নামাজ পরছে, একজন শব্দ করে পরছে। আর অপর জনের ডিষ্টাব হচ্ছে সূরা কালাম পরতে, শব্দ করে পড়া ব্যক্তি কি সঠিক করছে, জামায়াত ছাড়া নামাজ পড়লে শব্দ করে পরার কি প্রয়োজন আছে?

2888 views

3 Answers

যোহর, আছর ছাড়া বাকী প্রত্যেক ওয়াক্তে মানে মাগরিব, এশা এবং ফজরের সময় অবশ্যই শব্দ করে পড়তে হবে। আরেকটা কথা; একই ঘরে দুইজন আলাদা করে নামাজ পড়ার দরকার কি? দুইজনেও জামায়াত করে নামাজ আদায় করতে পারে।
2888 views Answered

একাকী নামাযীদের জন্য ইকামত দেওয়া এবং রাতের নামায সশব্দে পড়া জরুরী নয়। এ কেবল জামাআতের জন্য জরুরী।

জামাআত ছাড়া নামায পড়লে শব্দ করে পড়ার প্রয়োজন নেই। আর অপর জনের ডিষ্টাব করা মোটেই উচিত নয়।

তবে দুই জন-ই ভুল করছেন জামাআত ছাড়া নামায পড়ার কারনে। কেননা, দুই জন নামাযী হলেই জামাআত হবে। এক্ষেত্রে কারো কোন ডিষ্টাব হবে না।

ইমাম ছাড়া কম পক্ষে একটি নামাযী হলে জামাআত গঠিত হবে; চাহে সে নামাযী হোক না কোন জ্ঞানসম্পন্ন শিশু।

মহানবী (সাঃ) ইবনে আব্বাস (রাঃ) কে নিয়ে জামাআত করে নামায পড়েছেন।

তিনি সফরে উদ্যত দুইজন লোককে বলেছিলেন, নামাযের সময় উপস্থিত হলে তোমাদের একজন আযান দেবে এবং তোমাদের মধ্যে যে বড় সে ইমামতি করবে।

2888 views Answered
জামাত করে নামাজ পড়ার বিষয়ে উপরে উত্তর হয়েছে। আমি এখানে সাধারন একটি কথা বলতে চাই। তা তারা যদি জামাত না করে আলাদা নামাজ পড়তেই চাই তবে যার ডিস্টার্ব হয় তিনি নম্রতার সাথে বলতে পারেন যে, যেহেতু আলাদা নামাজ পড়ি, তাই আপনার শব্দে আমার ছুরা তেলাওয়াতে সমস্যা হয়। যেহেতু শব্দ করা আবশ্যক নয় তাই দুজনই চুপে চুপে পড়লে অধিক ভাল হয়। কথাট বলা যেমন ব্যক্তির দায়িত্ব তেমনি অপর ব্যক্তি তা শুনে মান্য করবে এটাও দায়িত্ব। যদি দুজনের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ না থাকে তাহলে বলে ধরিয়ে দেওয়াটা উচিত। আর পারলে জামায়াত করে পড়া উত্তম
2888 views Answered

Related Questions

Next steps