ডেইলি ছোলা, পেয়াজু আরো উপকরণ মিক্সড করে মুড়ি খাওয়া হয় ইফতারে। ব্যতিক্রম কিছু চাচ্ছি যা আমার মুড়ির স্বাদ বাড়িয়ে দিবে। বাইদাওয়ে ফুড এক্সপেরিমেন্ট করতে আমার কিন্তু সেই XOSS লাগে......হা হা হা

2580 views

1 Answers

প্রথমে পেয়াজু বানান নরম করে, কড়া ভাজা নয়।

যদি চিংড়ি মাছ পান, তাহলে হয় মিষ্টি কুমড়া গাছের ফুল অথবা কচুশাখের ডাটা জোগাড় করে অল্প ভেসন ও ডালের গুড়া দিয়া বড়া বানাতে পারেন।

এবার কিছুটা টক দই নিন,  টমেটো কেটে নিন, ছোলা ভোনা করে রান্না করুন। অতিরিক্ত কিছু পেয়াজ ও সরিষার তেল নিন। কিছু রসুন আস্ত আস্ত ছোলার সাথে রান্না করে নিবেন।

এবার পেয়াজু টুকরা করে নিন, চিংড়ি মাছের বড়াও টুকরা করে নিন, ছোলা ভোনা নিন, একটি গামলায় রেখে আরেকটি ঢাকনা দিয়া ঢেকে ঝাকিয়ে মিক্সড করুন। 

এবার মুড়ি, আসত আস্ত রান্না সেই রসুন, পেয়াজ, সরিসার তেল, টক দই আরেকটি পাত্রে নিয়া আগের মতই ঝাকিয়ে মেশান। এবার তা ছোলা মিক্সড পাত্রে দিয়া আবারও একটু লাকড়ি বা চামশ দিয়া ঘুটে মেশান। তারপর আরও একটু ঝাকি দিয়া মেশান। এবার যদি গরম গরম খেতে চান তবে চুলায় হালকা তাপে একটু উষ্ণ গরম করে নিন।

ব্যস। একটু কষ্ট হলেও প্রতিদিন খেতে ইচ্ছা করবে।

আরও একটা উপায়ঃ

গরুর পা যদি খেতে ভালবাসেন তবে গরুর পা কিনে নিহারী রান্না করুন তবে সরিষার তেল দিয়া রান্না করবেন। মসলার সাথে চুই বাটা দিবেন। তারপর এটি রেখে দিন তবে দুপুরের রান্না হলে, রাতেও গরম করে রাখুন, সকালে আবার গরম করবেন তারপর দুপুর বা বিকালে ইফতারের আয়োজনের সময়, কড়াই থেকে ঝোল মসলা, টুকরা মাংশ বা হাড়ের মর্যা/নিহারী ইত্যাদি তুলে নিন, হাড় নিবেন না। এবার প্রায় ২০০ গ্রামের মত পেয়াজ যতটুকু চান সবার জন্য, তাতে ৫০ গ্রামের বেশি রসুন, চুই বাটার অল্প রস দিয়া,পরিমান মত শুকনা ঝাল বেটে(গুড়া ঝাল এড়িয়ে চলুন) এবং কয়েকটি কাচা ঝালও দিবেন। এগুলো একত্রে গোস ভোনা করার মত ভিজা ভিজা করে রান্নাতে বসান, যখন অর্ধেক রান্না হয়ে গেছে মনে হবে(আসলে মসলা তো, সময় লাগেনা) তখন সেই নিহারি তাতে ঢেলে দিয়া অল্প সময় ঘুটে রান্না করুন। এবার নামিয়ে তার কিছু পরিমান নিয়া ছোলা মুড়ি মাখান। দেখবেন আঙ্গুল চেটে খেতে ইচ্ছা করবে।

হ্যা নিহারী কিন্ত সব দিবেন না, নিহারী মসলা রান্না মুড়িতে সব দিবেন না। সব দিলে ভাল লাগেনা। এক মসলা নিহারী দিয়া কয়েকদিন পর্যন্ত ছোলা মুড়ি করতে পারবেন।

2580 views

Related Questions