1 Answers
ওয়্যারলেস ডিভাইস মূলত বৈদ্যুতিক চুম্বকীয় তরঙ্গ সৃষ্টি করে কাজ করে। ট্রানজিস্টর দ্বারা হাই স্পিড বৈদ্যুতিক ফ্রিকোয়েন্সী তৈরি করা হয়। এরপর তা ট্যাংক কয়েল দ্বারা ইন্ডাকশন করা হয়। এই ইন্ডাকশনে একটি কাপলিং ডিকাপলিং ক্যাপাসিটর থাকে যা ফ্রিকোয়েন্সী কন্ট্রোল করে বাতাসে ইথার যোগ্য বাহক তরঙ্গ সৃষ্টি করে। এই বাহক তরঙ্গই ইনপুট কৃত সিগনালকে শক্তি হিসাবে বহন করে যা গ্রাহক যন্ত্রের এন্টেনায় ক্ষুদ্র আবেশ প্রবাহ সৃষ্টি করে। এই আবেশ প্রবাহ গ্রাহক যন্ত্রের এমপ্লিফায়ার দ্বারা বিবর্ধিত হয়ে ব্যবহার উপযোগী মূল সিগনালে পরিণত হয়। এভাবেই মূলত ওয়্যারলেস ডিভাইস কাজ করে।
যেমন আপনি যখন মোবাইলে কথা বলেন তখন ফোনের মাইক্রোফোনের একটি কাপলিং ক্যাপাসিটরের ডায়াফ্রাম আপনার কথার ফ্রিকোয়েন্সী অনুসারে কাপতে থাকে। কথা বলার কম্পন বুঝতে গলায় হাত দিয়া কিছু বলুন, দেখবেন গলার ভোকাল কর্ড কাপছে। এই কম্পনের ফলেই শব্দ বের হয়।
মাইক্রোফোনের ডায়াফ্রাম শব্দের এই ফ্রিকোয়েন্সী মাইক্রোফোনের বিদ্যুতকে এসি বা কম্পনমান সিগনাল বিদ্যুতে পরিনত করে উপরের প্রথম বলা টেকনিক অনুসারে বাতাসে ইথার তরঙ্গ হিসাবে ছড়িয়ে দেয়। এরপর টাওয়ারের বাহক তরঙ্গ ঐ ইথার তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সী গণনা করে সেই ফ্রিকোয়েন্সীর বাহক তরঙ্গ গ্রাহক মোবাইলের এন্টেনায় পৌছে দেয়। এতে গ্রাহক মোবাইলের এন্টেনায় ঐ ফ্রিকোয়েন্সী অনুসারে হুবু একটি ক্ষুদ্র কম্পনমান বিদ্যুত এন্টেনায় আবিষ্ট হয় যেমনটা মাইক্রোফোনে হয়েছিল। এই ক্ষুদ্র আবিষ্ট কম্পনমান বিদ্যুত ফোনের এমপ্লিফায়ার দ্বারা বিবর্ধিত হয়ে স্পিকারে যায়। তখন কম্পনমান বিদ্যুতের জন্য স্পিকারের পর্দা কাপতে থাকে। এই কম্পনেই হুবু কথা শোনা যায়।
এই হল সংক্ষেপ কৌশল। অবশ্য আরও অনেক বড় প্রসেস আছে যা শুধু লিখে বোঝানো যায়না।