MR Hossain (@NisuaAmri)

অনেকের সাথে বসে লিখলে আপনি শুধু নিজের লেখাই দেখবেন। গ্রুপ স্টাডি কার্যকর।সবার সাথে একসাথে লিখবেন‌।

গুগলে তো প্রচুর ডাটা সার্ভারে জমা থাকে কিছু ই হয় না। তেমনি বিস্ময় এ সার্ভারে ডাটা যাতে ওভারলোড না হয় সে ব‍্যবস্থা অবশ্যই আছে।এতে কোনো কিছু বাধাগ্রস্ত হয় না।

টাকা পাঠালে বা রিচার্জ করলে কি কর্তৃপক্ষ কোনো টাকা কেটে নেয়

Prepaid

Postpaid

কাউকে টাকা রিচার্জ করার সময় কোনটা সিলেক্ট করব?

পৃথিবীর সেরা ইউনিভার্সিটি তে হয়তো আপনার মনের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পেতে পারেন।কারণ সেখানে গবেষণা অনেক বেশি হয়। মানুষ কথা বলার সুযোগ কম পায়। আমাদের দেশের মত ছাত্র রাজনীতি কম।
ভূত বলতে কিছু নেই। জ্বিন থাকতে পারে ‌। পৃথিবীতে কিছু স্থানে অলৌকিক কিছু ঘটতে পারে। কিন্তু বিশুদ্ধ গবেষণা করলে দেখা যায় সেসব রহস‍্য খুব স্বাভাবিক ভাবেই ঘটে থাকে।খাট কাপলে তো ভুত ধরছে এমন ভাবলে মস্ত বড় ভুল করবেন। ভূমিকম্পের মাধ্যমে ও তো হতে পারে।:অনেকে বলে তেঁতুল গাছে ভুত থাকে।এটা কুসংস্কার ছাড়া কিছুই না‌। আপনার ভয় লাগলে আয়াতুল কুরসি পড়বেন এবং আল্লাহকে স্মরণ করবেন।

শুধু চিত্র দেখেই উত্তর দিতে হবে?

NisuaAmri
May 14, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন
মিথ‍্যা বলার শাস্তি বোঝানো হয়েছে।

Cash back কী?

NisuaAmri
May 5, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

ধরলে কীভাবে?

ব্রডব্যান্ড হল উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেরট কানেকশন,যার গতি কমপক্ষে ২০০ কিলোবিটস প্রতি সেকেন্ড হতে অত্যন্ত উচ্চগতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। কো-এক্সিয়াল কেবল, অপটিক্যাল ফাইবার কেবল,স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন, মাইক্রো-ওয়েভ কমিউনিকেশন কিংবা নেটওয়ার্কিং প্রক্রিয়ায় ডাটা স্থানান্তরে সাধারণত ব্রডব্যান্ড ব্যবহূত হয়। ডাটা কমিউনিকেশন স্পিডের তারতম্যের ফলে বিভিন্ন ব্যান্ডের উদ্ভব
হয়। আর এসব ব্যান্ড আবার বিভিন্ন গতিসম্পন্ন বিভিন্ন প্রযুক্তিতে ডাটা স্থানান্তরে ব্যবহার হয়ে থাকে।তার মধ্যে কিছু হল ডিএসএল (DSL)।
ডিএসএল (DSL) এর পূর্ন রূপ হলো Digital Subscriber Line, যা কিনা কপার এর টেলিফোন লাইন এর মাধ্যমে সংযোগ দিয়ে থাকে ।

লাইন ওয়ে ফ্রিকুইন্সি দুই (০২) ভাগে বিভক্ত
থাকে। যাহা নিন্মরূপঃ
১। ডাটা আদান প্রদান এবং
২। ভয়েস আদান প্রদান সাধারন্ত ডিএসএল (DSL) এর ডাটা স্পিড হয়ে থাকে ৭৬৮ কেবিপিএস (Kbps) থেকে ৭ এমবিপিএস (Mbps),কিন্তু
ব্যবহারকারীকে অবশ্যই টেলিফোন অফিস থেকে ২ কিঃমিঃ এর মধ্যে হতে হবে।

VPN আপনার ইন্টারনেট সংযোগকে এনক্রিপ্ট করে আপনার ডিভাইসের IP Adress বদলে অন্য একটিতে রূপান্তরিত করে। এটি আসলে আপনি ও আপনার ইন্টারনেট গন্তব্যের মধ্যে একটি ভার্চুয়াল ‘Tunnel’ বা সুড়ঙ্গ তৈরি করে। আপনার ডিভাইস ও একটি VPN সার্ভারের মধ্যে সংযোগের পর সৃষ্টি হয় এই সুড়ঙ্গ। VPN সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হওয়ার পর ঐ সার্ভারই তার এনক্রিপশন প্রোটোকলের মাধ্যমে নিশ্চিত করে আপনার গোপনীয়তা। যার ফলে আপনি কোনো তথ্য আদান-প্রদান করলে তা যাচ্ছে সুরক্ষিত সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে। এই সুড়ঙ্গকে তুলনা করতে পারেন খামে ভরে চিঠি পাঠানোর সাথে। আপনি চিঠিতে কী লিখেছেন তা যেমন খাম না ছিঁড়ে দেখা সম্ভব নয়, তেমনি VPN ব্যবহার করে আপনি কী করছেন, তা জানাও সহজে সম্ভব নয়।

তাহলে ISP অর্থাৎ আপনার ইন্টারনেট সংযোগদাতা কি বুঝতে পারবে না যে আপনি VPN ব্যবহার করছেন বা কী কী করছেন? উত্তর হলো- না, আদতেই নয়! অবশ্য আপনার ISP এটি বুঝতে পারবে যে আপনি VPN ব্যবহার করছেন, কিন্তু তারা বলতে পারবে না আপনি ইন্টারনেটে কোথায় যাচ্ছেন, কী করছেন।

পরিশেষে আপনি যদি একটু বেশিই গোপনীয়তা চান, তবে আপনার ISP-এর Domain Name Servers (DNS) ব্যবহার করা ছেড়ে দিয়ে Google Public DNS ব্যবহার করতে পারেন।

হঠাৎ নাক দিয়ে রক্ত পড়ার কতিপয় কারণ ও আমাদের করণীয় সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো 

রক্ত পড়ার বিভিন্ন কারণ

যে কোনো বয়সের নারী অথবা পুরুষ এ সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। নাক দিয়ে রক্ত পড়ার সমস্যাটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। শুধু যে নাক,কান,গলার সমস্যার কারণে নাক দিয়ে রক্ত পড়ে তাই নয় এছাড়াও শরীরের অন্য অনেক রোগের কারণেও নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে। নাক দিয়ে রক্ত পড়ার কিছু কারণ নিম্নে দেওয়া হলো-  

ক) কতিপয় সাধারণ কারণ  

১। কারও উচ্চরক্তচাপ জনিত সমস্যা থাকলে ।

২। কারও জন্ডিস বা লিভারের প্রদাহ যেমন লিভার সিরোসিসের মতো লিভারের অসুখ থাকলে।

৩। কারও রক্তনালিতে জন্মগত কোন ত্রুটি থাকলেও নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে।

৪। এছাড়া রক্তের বিভিন্ন রোগ, যেমন- অ্যানেমিয়া, হিমোফিলিয়া, থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া, পারপুরা ইত্যাদি থাকলেও নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে।

৫। মহিলাদের মাসিক এবং গর্ভাবস্থায় ও অনেকের এ সমস্যা হতে পারে।

৬। Aspirin জাতীয় ওষুধ সেবন করলেও অনেক সময় নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে।

খ) অন্যান্য কারণ সমূহ

১। কোন কারণে আঘাত পেলে।

২। নাকে অপারেশন হলে।

৩। নাকের সর্দি, সাইনোসাইটিস ইত্যাদি সমস্যা হলে।

৪। নাকের মধ্যে ইনফেকশন যেমন- রাইনাইটিস থাকলে।  

৫। নাকের ভিতর টিউমার থাকলে।  

৬। নাকের মাঝখানের হাড় অতিরিক্ত বাঁকা হলে।

৭। নাকের মাঝখানের পর্দায় ছিদ্র থাকলে ইত্যাদি।

হঠাৎ নাক দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হলে প্রাথমিক চিকিৎসায় করণীয় :

১। কারও নাক দিয়ে হঠাৎ রক্ত পড়া শুরু হলে তাঁর নাকে চাপ দিয়ে সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে বসাতে হবে। তারপর বৃদ্ধাঙ্গুল ও প্রথম আঙুল দিয়ে নাকের দুই ছিদ্র জোরে বন্ধ করে দিতে হবে। তাকে বলতে হবে মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে এবং আনুমানিক ১০ মিনিট এভাবে ধরে রাখতে হবে। এ সময় কোন অবস্থাতেই আঙ্গুল ছাড়া যাবেনা, প্রয়োজনে হলে আরও বেশিক্ষণ চাপ দিয়ে ধরে রাখতে হবে।

২। সম্ভব হলে এ সময় তার কপালে, নাকের চারপাশে বরফ ধরে রাখুন। মুখের ভেতরে তালুর যে অংশ নাক বরাবর সেখানে বরফ চাপ দিয়ে ধরুন। এর ফলে রক্ত পড়া তাড়াতাড়ি বন্ধ হয়ে যাবে।  

৩। আর যদি ১৫-২০ মিনিটের পরেও রক্ত পড়া বন্ধ না হয় তাহলে দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালের নাক কান গলা বিভাগে গিয়ে তাড়াতাড়ি ডাক্তার দেখাতে হবে।  

৪। যদি রোগীর অতিরিক্ত রক্তপাত হয় তাহলে তাকে রক্ত দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

চিকিৎসা:

নাক দিয়ে রক্ত পড়ার চিকিৎসা করতে প্রথমে কী কারণে রক্ত পড়ছে সেটি কারণটি প্রথমে নির্ণয় করে তারপর রোগীকে চিকিৎসা দিতে হবে। নাকের সামনের দিক থেকে রক্তপাত হতে থাকলে তা দ্রুত বন্ধ করা যায় তবে পেছন বা ভিতরের দিক থেকে রক্তপাত হলে অনেক ক্ষেত্রে তা বন্ধ করতে বেশ সময় লাগে। নাকের এন্ডোস্কোপির মাধ্যমেও অনেক সময় রক্তপাতের কারণ নির্ণয় করা হয়। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে দায়ী রক্তনালিগুলো বন্ধ করে চিকিৎসা করা হয়। নাকের কারণ ছাড়া অন্যান্য কোন শারীরিক কারণে রক্তপাত হলে সংশ্লিষ্ট রোগের চিকিৎসাও করাতে হবে।

Loading...