১/নফল নামাযে কেরাত কি দীর্ঘ করে পড়া যাবে?

২/ নফল নামাজে রুকু ও সেজদার তাসবীহ কি ৭ বারের অধিক পড়া যাবে?

৩/ নফল নামাজে সেজদায় কি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া যাবে?

৪/ নফল নামাজে ছোট সূরা ৩/৪ টা একত্র করে কি কেরাত পড়া যাবে?

৫/ অনেকেই বলে এই শবে বরাতে আল্লাহর কাছে ইবাদত করে কান্নাকাটি  করে ক্ষমা চাইলে আল্লাহর তার সব গুনাহ মাফ করে দেন এবং যা চাইবেন তাই আল্লাহ দিবেন? যদি কোন ব্যক্তি তার গুনাহের জন্য অনুতপ্ত,লজ্জিত হয়ে কান্না না আসলে কিন্তু মন কে নরম করে বিনয়ী হয়ে ক্ষমা চায় তাহলে কি আল্লাহ ক্ষমা করবেন না।??

2881 views

1 Answers

 

১, ২, ৩, ৪ এর উত্তর যাবে এতে কোন মসস্যা নেই।

শবে বরাতের রাতে আল্লাহর কাছে ইবাদত করে কান্নাকাটি করে ক্ষমা চাইলে আল্লাহর তার সব গুনাহ মাফ করে দিতে পারেন। আর যা চাইবেন তাই আল্লাহ দিবেন এটা বলা যাবেনা।

আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ মধ্য শাবানের রাতে আত্নপ্রকাশ করেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ব্যতীত তার সৃষ্টির সকলকে ক্ষমা করেন।

(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নম্বরঃ ১৩৯০ হাদিসের মানঃ হাসান)।

আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন মধ্য শাবানের রাত আসে তখন তোমরা এ রাতে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ো এবং এর দিনে সওম রাখো। কেননা এ দিন সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর আল্লাহ পৃথিবীর নিকটতম আকাশে নেমে আসেন এবং বলেনঃ কে আছো আমার নিকট ক্ষমাপ্রার্থী, আমি তাকে ক্ষমা করবো। কে আছো রিযিকপ্রার্থী, আমি তাকে রিযিক দান করবো। কে আছো রোগমুক্তি প্রার্থনাকারী, আমি তাকে নিরাময় দান করবো। কে আছো এই প্রার্থনাকারী। ফজরের সময় হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত (তিনি এভাবে আহবান করেন)।

(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নম্বরঃ ১৩৮৮ তাহক্বীক্ব আলবানী: যঈফ)।

যদি কোন ব্যক্তি তার গুনাহের জন্য অনুতপ্ত, লজ্জিত হয়ে কান্না না আসলে কিন্তু মনকে নরম করে বিনয়ী হয়ে ক্ষমা চায় তাহলেও আল্লাহ ক্ষমা করবেন। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু।

2881 views

Related Questions