এখনও পর্যন্ত আপনার সেরা পরিবর্তন কোনটি?
আমার জীবনে লক্ষ্যনীয় পরিবর্তন আসা শুরু হয় একজন প্রিয় মানুষের চলে যাওয়ার পর থেকে । এ পর্যন্ত আমার দেখা নিজের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হচ্ছেঃ-
- কোন পরিস্থিতিতেই আর হতাশ হই না ।
- রাগ ক্ষোভ নিয়ন্ত্রন করতে পারি ।
- উপলব্ধি করতে শিখেছি জীবনে কোন কিছুই অপরিহার্য নয় ।
নিজের সঙ্গ উপভোগ করতে শিখেছি । একাকীত্বের আনন্দ মানুষের ভীড়ে পাওয়া সম্ভব নয় । একাকীত্বের মাঝে নিজের প্রতি যতটা ফোকাস করা সম্ভব , ভীড়ের মাঝে সেটা সম্ভব নয় ।
নিজের খারাপ সময় এলে হতাশ হবার কোন দরকার নেই মনে রাখতে হবে এই সময় আপনে আপনার জীবনের সবচেয় কাছ থেকে মানুষ ক চিনাবার সময় দিয়েছে । তাই সময় টা কে খুব ভালোভাবে পরিদশন করুন আর শিক্ষা নিন।
সব্ সময় মনে রাখতে হবে যে কোন সময় এক থাকে না সেটা খারাপ সময় হোক বা ভালো সময় । তাই উপভোগ করুন ।
- অবলীলায় ক্ষমা করে দিই , কিন্তু ভুলিনা কিছুই ।
- বুঝতে শিখেছি আমার আশেপাশের মানুষগুলো সবাই আমার কাছে কিছু না কিছু প্রত্যাশা করে । কিন্তু শুধু একটা মানুষ হিসেবে আমাকে কেউ চায় না ।
অজস্র ধন্যবাদ সেই চলে যাওয়া মানুষটাকে , আমাকে এতগুলো ভালো ভালো ব্যাপার শেখার সুযোগ করে দেবার জন্য ।
10 Answers
আমার জীবনে লক্ষ্যনীয় পরিবর্তন আসা শুরু হয় যখন আমি বুঝতে শিখেছি এবং তখন থেকেই এ পর্যন্ত আমার দেখা নিজের বেশ কয়েকটি পরিবর্তন উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ
- মিথ্যা বলা।আমি না বুঝেই আগে মিথ্যা কথা বলতাম, মজার ছলে মিথ্যা বলতাম। কিন্তু যখন জানলাম যে মজা বা ফাজলামো করেও মিথ্যা বলা যায় না তখনেই মিথ্যা বলা সম্পূর্ণ ভাবেই বন্ধ করি। মজা হোক বা সিরিয়াসলি হোক বা কোন বিপদে পরলেও মিথ্যা বলিনা।
- টাকা। আমি নিজের হালাল রোজিগার ও নিজের সম্পৎ নিয়ে হ্যাপি থাকতে চাই।
- আমার অনেক রাগ কিন্তু সেটা কন্ট্রোল করতে শিখেছি। খুব কম সময়েই রাগ আসে ও রাগ ঠান্ডাও হয় কিন্তু পরিবর্তন একটাই রাগ হলেই কান্না পায় আমার। কেউ আমার উপর রাগ করলেও কান্না পায় খুব। এবং একা থাকতে লাইক করি।
- আমি যেকোন কোন কিছুতেই হতাশ বা ভয় পাই না সেটা বুঝার ক্ষমতা ও সাহস হয়েছে।
- মানুষের কোন অপরাধ দেখলে সেটা প্রতিবাদ করার আগে বুঝিয়ে দেই। এবং সর্বদাই নিজে অপরাধমূলক কাজ থেকে বিরত থাকি।
- আমি মিথ্যা কথা সহ্য করতে পারি না এতে রাগ আসলেও মিথ্যা বাদিকে আর বিশ্বাস করি না।
- মানুষকে ধোকা দেই নি কখনো।
- অবহেলা করিনি কাউকে।
- খুব কম সময়ে যে কাউকে আপন করে নেই।
- যেকাউরো সাথে মজা করতে ও হ্যাপি থাকতে ইচ্ছা করে।
- ছোট বাচ্চারা আমার কাছে প্রিয়।
- পশু পাখিদের ও সৃষ্টির সকল প্রানিকে ভালোবাসি
- যে কাউকেই সহজেই বিশ্বাস করি।
এছাড়াও আরো অনেক অনেক পরিবর্তন আছে যা আমার জীবনের প্রথম বুঝতে শিখা থেকে হয়েছে।
ভালোবাসা ।
লাইফে অনেক মেয়েই আমাকে অফার করেছে রিলেশন করতে । কিন্তু কারো মাঝে বিশ্বাস খুজে পাইনি।পাইনি রিয়েল ভালোবাসা তাই এসব থেকে বেড়িয়ে এসেছি। একজনকে লাব করতাম সে ও অনেক লাব করতো কিন্তু সে চলে যাওয়াতে লাইফে প্রেম ভালোবাসার প্রতি ঘৃনা জমেছে। পরিবর্তন এখন কাউরো সাথে রিলেশন করতে ইচ্ছা নেই।
ধর্ম ক্ষেত্রে পরিবর্তন হলো ২ টি।
- নামায পড়ি ৫ ওয়াক্ত বাকি জীবন ইনশাআল্লাহ ৫ ওয়াক্ত নামায পড়বো। আল্লাহ্ ভয় মনে ঢুকেছে। বেশ কয়েকটি বাস্তব কারন বসত।
- আমি এখন কোরআন তেলাওয়াত করতে পারি। যা ছিলো আল্লাহ কাছে আমার সব থেকে শেরা চাওয়া। এবং অনুবাদ সহ কোরআন তেলাওয়াত করতে ভালো লাগে।
উক্ত এই দুইটি পরিবর্তন এর মাধ্যমে আমার বাকি জীবন টি সম্পূর্ন ভাবে ইসলামে আনতে চাই। ভবিষ্যৎ এ বেচে থাকার মাঝে এই ইসলাম ও আল্লাহ রাসুল মুহাম্মদ (সাঃ) এর পথ অনুসারন করে বিবাহ বন্ধন ও পরিবার এর ও সমাজের ও প্রতেকটি মানুষের মাঝে সুখে ও শান্ততে থাকতে চাই।।
পরিশেষে আমার সেরা ও শ্রেষ্ঠ
সেরা পরিবর্তন হলো :- কোন কিছু করা আগে বা বলার আগে ভেবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভ্যাস।
যেকোন কাজ বা কাউকে কথা দেওয়া বা কোন কিছুতে আগ্রহ জাগা বা কাউকে কিছু বলার মাঝে আগে আমি ভেবে নেই তার পর সিদ্ধান্ত নেই না বুঝলে কারো কাছে বুঝে নেই ।আর যত গুলো সিদ্ধান্ত ভেবে চিন্তে নিয়েছি সেগুলো থেকে সফলতা অর্জন করেছি। আর তাই একটা কথা সবাইকে জানিয়ে দেই
ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না।
এটাই ছিলো আমার সেরা পরিবর্তন।
যেহেতু প্রশ্নটি ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস Topics এ করা এজন্য বলতে হয় এখনও পর্যন্ত আমার সেরা পরিবর্তন হচ্ছেঃ
ইসলামের মৌলিক বিধান হচ্ছে, কোন প্রাণীর ছবি প্রয়োজন ছাড়া তোলা, সংরক্ষণ করা, প্রকাশ করা, ব্যবহার করা হারাম।
ডিজিটাল ক্যামেরায় ছবি তোলা, কম্পিউটার ও মোবাইলে সংরক্ষিত ছবিও নিষিদ্ধ ছবির অন্তর্ভুক্ত বিধায় ২০১৫ সালের পর থেকে কোন ছবি তুলিনা।
বেনামী যে ব্যক্তি যে উত্তর দিয়েছে, আমার উত্তর তার সাথে আংশিকভাবে মিলেছে। আমি আগে ছবি আঁকতাম। একেবারে মদ খাওয়ার মত নেশা ছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন ইসলামী সংঘের ব্যাখ্যা ও শরিয়াতি প্রমাণ বা দলিল যখন পেলাম তখন অনুশোচিত হয়ে আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে এ কাজ ছেড়ে দিয়েছি। আমার কাছে এটাই সেরা পরিবর্তন।
এখনও পর্যন্ত আমার জীবনে সেরা পরিবর্তন হয়ত আসেনি। কিন্তু আমার জীবনে এখন যেটা টার্নিং পয়েন্ট এসেছিল সেটা হয়ত আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। একসময় পড়ালেখা একদমই ভালো লাগত না। একেবারে লিস্টের ডাউনে চলে আসি। ভেবেছিলাম পড়ালেখা ছেড়েই দিব।সবাই আমাকে উপহাসের পাত্র বানিয়ে ফেলেছিল।নিরালা-নির্জনে একলা বসে চিন্তা করতাম কি করা যায়।
বিভিন্ন অনুপ্রেরণা মূলক বই পড়ে নিজেকে সান্ত্বনা দিতাম। বিশেষ করে টমাস আলভা এডিসন,এ.কে আবুল কালাম আজাদের জীবন বাণী আমাকে অনুপ্রাণিত করতে।
অবশেষে ঘুরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেই আমি।অদম্য-নিরন্তর প্রচেষ্টায় নিজেকে গড়ে তুলি।
এভাবে একান্তর সাধনা ও নিরন্তর প্রচেষ্টার মাধ্যমে ৬-৭ বছর পর একেবারে সেরা টপ লিস্টে আসি।
এটাই ছিল আমার জীবনের এখন পর্যন্ত সেরা পরিবর্তন।
জীবনে অনেক প্রতিকূলতা আসবে। কিন্তু নিরান্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।আর আল্লাহ তো ধৈর্যশীলদের সাথেই থাকবেন।
আমার জীবনের টার্নিং পয়েন্ট আমি, আমার অভাব, আর হতে পারে একটি সরকারী জব বা ভাল জবের সুযোগ।
প্রেম ভালবাসা, জীবনে প্রেমিকা আশা, চলে যাওয়া এসব আমাকে প্রভাব করেনা।
আমার সব থেকে শেরা পরিবর্তন হচ্ছে।
- এখন আমি নামায পড়ি?
- মিথ্যা কথা বলি না। বলবো না।
বাকি জীবন টি এভাবে কাটাতে চাই।
ভালবাসায় যখন ব্যর্থ হয় তখন আসলে মানুষটির মধ্যে অনেক পরিবর্তন আসে। সে এমনি যে কোন পরিস্থিতি পরর্বতীতে মেনে নিতে পারে। যত বড় আঘাত আর কষ্ট হোক না কেন তাকে আর কাঁদাতে পারে না। তবে প্রিয় মানুষটিকে সে কখনো ভুলতে পারে না। মনের অজান্তে কখনো কখনো তার কথা মনে পড়ে । বাস্তব ভালবাসা শেখায় , বাস্তবতা । বাস্তবতা যে কত কঠিন তা ভালবাসায় ব্যর্থ না হলে কেউ কখনো বুঝতে পারে না। মানুষকে বুঝতে শেখে , মানুষের ভেতরের অন্তরটাকে বুঝতে পারে । তবে তার অন্তরে কখনো কঠোরতা থাকে না। অন্তর থাকে মায়ায় পূর্ণ। ভালবাসায় ব্যর্থ হয়ে, পরিবারের লোকগুলোকে আপন ভাবা শুরু করে , সুখে দুঃখে তাদের পাশে থাকে। সেই মানুষটিকে ভুলতে সে সব চেষ্টাই করে কিন্তু কখনো ভুলতে পারে না। সব শেষ কথা হল মানুষটি অতি কষ্টে নীরব হয়ে যায়। শান্ত হয়ে যায়, আবার অনেকেই উশৃঙ্খল জীবন বেছে নেয়। সর্বপরি ভালবাসা মানুষকে পুরো দুনিয়াটা বোঝাতে শেখায়। ভালবাসার প্রতি যেমন ঘৃণা জন্মেছে তেমনি ভালবাসায় কেউ স্বার্থক হলে অনেক খুশি লাগে। কিন্তু যখন দেখি সেই ভালবাসার বিয়েতে পরে সংসার জীবনটাকে মেনে নিতে তারা মতামতের অমিলে ভুগে । তখন ভালবাসার বিয়েটাকে ভুল মনে হয়। ব্যর্থ হয়েছে তবে , এখন সবকিছু মেনে নিতে শিখেছি। কষ্টকে কষ্ট মনে হয় না। কেউ নিজেকে আঘাত দিলে মনে হয় না। নিজের জীবনের প্রতি ভালবাসা বেড়ে গেছে। পরিবারের সদস্যদের প্রতি কতব্য বেড়ে গেছে। দায়িত্ববোধ থেকে তাদের পাশে থাকি । চেষ্টা করি যথাসাধ্য ধর্ম পালনে । ধার্মিক বিষয়গুলো মেনে চলি। মানুষকে এখন সম্মান করি। দায়িত্ববোধ সম্পূর্ণ আচরণ করি। পরিপক্ব ভাবে যেকোন বিষয় কে নিই। দূরদৃষ্টি সম্পূর্ণভাবে বিষয়গুলোকে বিচার করি। সর্বোপরি, নিজেকে সামাজিক কাজে বিলিয়ে দিয়েছি, যতটুকু সম্ভব নিজের কাজের ফাকে। যাইহোক এসব আমার নিজের মতামত। ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
মানুষের জীবনে পরিবর্তন কখনো স্থায়ী হয় না কারণ পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে সর্বদা নিজেকে পরিবর্তন করতে হয়।বলতে গেলে অনেক সময় বাধ্য হয়েও নিজেকে পরিবর্তন করতে হয়। তাই বলা চলে পরিবর্তন বিষয়টা মানুষের জীবনের বাকেঁ বাকেঁ পরিবর্তিত হয়।
আমার জীবনও পরিবর্তনশীল তবে খুব আমূল পরিবর্তন হয়েছে ব্যাপারটা এমন কিন্তু নয়।কেবল সময়ের সাথে সাথে পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজেকে খাঁপ খাইয়ে নিয়েছি।
একটা সময় ব্যাপক ইমোশনাল ছিলাম,এখনো ইমোশনাল আছি তবে ইমোশনের ক্ষেত্রটা কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে।
একটা সময় প্রচন্ড খেলাধুলা করতাম,ফুটবলটা একটু বেশি পছন্দনীয় ছিলো।এখন সময়ের অভাবে আর খেলা হয় না, এই বিষয়টা চরম মিস করলেও নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি বর্তমান পরিস্থিতির সাথে।পরিবর্তন বলতে এটুকুই।
পড়ালেখা নিয়ে সর্বদা সিরিয়াস ছিলাম,এখনো প্রচন্ড সিরিয়াস তবে ক্ষেত্রটা পরিবর্তন হয়েছে।আগে পাঠ্যবই আর এখন পাঠ্যের বাইরের বই নিয়ে সিরিয়াস।পরিবর্তন এটুকুই।
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন বলবো নিজের চিন্তা ভাবনায় হয়েছে।আগে সবকিছু জাজমেন্ট করতে পারতাম না,অনেকটা খাপছাড়া ছিলাম,এখন অনেক গম্ভির,বাস্তবতা বুঝি এবং বুঝতে চেষ্টা করি।আগের তুলনায় সাংসারিক হয়ে গেলাম। আরেকটা বড় পরিবর্তন বলবো হুট করে কোন কিছুতে আর রিয়েকশন করিনা,চিন্তা ভাবনা করে ফলাফল কি হতে পারে তা ভেবে রিয়েকশন করি।
পূর্বে যথেষ্ট আমুদে ছিলাম এখনো তাই আছি তবে পরিবেশ বিবেচনা করে নিজেকে লিমিটেড় করতে পারি।
আরেকটা পরিবর্তন বলবো সমাজ মেনটেইন করতে পারি,মানুষও মূল্যায়ন করে যা পূর্বে ছিলো না।
পরিবর্বন বলতে এটুকুই।
আমার জীবনের সব থেকে সরণীয় দিন ১৭ এপ্রিল। এই দিনটার ঠিক ১২ দিন আগে ফিরে যাই তারিখ ৫ ই এপ্রিল ২০১৮ সকালে আম্মু ঘুম থেকে ডেকে তুলে দিলেন আমি ফ্রেস হলে আসতেই আম্মু ভাত হতে দাড়িয়ে আছেন খাইয়ে দিচ্ছিলেন আর বলতেছেন গ্রামের বাড়ি যাবে কিছুদিনের জন্য আমি সম্মতি জানতে চাচ্ছিলাম না কিন্তুু কোনো জানি বলে ফেললাম ফিরবেন কবে বললো ২ দিন পরে আমি কিছু না বলে খানা খেয়ে শেষ করে কোচিং এর উদ্ধেসে বের হলে গেলাম তখন সকাল ৭:৩০ a.m. ক্লাস শেষ করে বাসায় আসলাম তখন বেলা ১০ টা বাজে বসায় আসতে ই দেখি আমার আপু কান্না করতেছে আমি ভ্যাবা চ্যা কা খেতে বললাম কি হইছে বললো আম্মু accident করছে আমি যেনো সরিল এর সব ব শক্তি হারিয়ে ফেলেছি । কি করবো কিছু বুঝতে পারতেছি না ঘরের ব্যাগ নামিয়ে কাছে ১০ হাজার টাকা ছিল সবটা নিয়ে খালাতো ভাইকে নিয়ে বেরিয়ে গেলাম শাথে সাথ। accident টা হইছিলো গোপালগঞ্জ যাবার পথে আমার যেনো মাথাই কিছু কাজ করতেছেনা শেষ মেষ অনেক বাধা বিপত্তি কাটিয়ে ঘটনা ইস্থলে পৌঁছাতেই শুনি ৫ জন মারা গেছে আমার কলিজা যেনো চিরে গেলো তার মধ্যে ছিল ২ জন ছাত্র সম্ন্যেই তাদের কলেজ গাড়ি আর চলছেনা কি এদিকে আম্মু কে এম্বুলেন্স এ করে সহরে নিয়ে গেছে সেখান থেকে ও অনেক বাধা পেরিয়ে শহরে সরকারি hospital এ গএলাম পাওছাতে না পাওছাতেই শুনি খুলনা নিয়ে গিছে সহর থেকে একটি মাইক্রো ঠিক করলেন এর মধ্যে ২ মামা আর ১ মামী এসে হাজির তাদের নিয়ে রওনা হলাম যেতে শুনি আম্মু ইমারজেন্সি রুম এ ২০ মিনিট পরে বললো ঢাকা নিতে হবে আম্মুকে বের করতেই আমার সামনে আমি যেনো জমে পাতর আম্মু আমাকে দিকে তাকিয়ে চোখের পানি ছেড়ে দিলেন আমি আব্বুর বকে ঢুলে পরে গেলাম হয় তো গিয়ান হারিয়েছিলাম কিছুক্ষণ পরে আবার আম্মুর কাছে গেলাম আমার পুরা সরিল কাপ্তেছে আম্মু কে ঢাকা নিয়ে যাওয়া হলো যেতে দিলনা আমাকে সাঠে তার ৪ দিন পরে গেলাম তার পরে ১ টা ১টা দিন পর হোয় আর আম্মু ও সুস্থ হতে থাকে ১৬ তারিখ আম্মুকে আইসিইউ থেকে বেড এ দিয়ে দিল বললো ৭ দিন পরে বাড়ি যেতে পারবে বিকেলে এক ডক্টর আছে ০.১ মিলি এর জায়গাই ১০ মিলি এর একটা ইনজেকশন সেলাইন এর মধ্যে দিয়ে গলেন যেটা দেয়ার কথা নাভিতে আম্মু আসতে আস্তে নিজতেজ হতে লাগলেন ওইদিন হটাত করে আমার জর ১০৪ রাত ১২:৪৫ এ আম্মুর কাছে গেলাম ইস্পর্শ করলেন একদম ঠান্ডা রাত ১:৩৫ খবর এলো আম্মু আর নেই।
(এখানে যতটা সর্ট করতে পারছি সেভাবে লিখছি কারণ এভাবে না সব লেখা যায় আর না বলা যায় )
এখন পযন্ত আমার সেরা কোন পরিবর্তন নেই। তবে যেটুকু পরিবর্তন হয়েছে আমি তাতেই আল্লাহর কাছে খুশি। আমি আগে দিনের কিছুটা সময় এমনিতেই অনলাইনে ঘুরাঘুরি তারপর কি একটা যেনো মনে করেই গুগলে একটা ব্লোগার সাইট খুললাম।তারপর সেখানে কষ্ট করে কিছু টাকা দিয়ে একটা সাব ডোমেইন কিনে লাগালাম। আর ওয়েবসাইট টা বানানোর সময় আল্লাহর কাছে নিয়ত করলাম এখান থেকে যা ইনকাম হবে তার তার ৩ ভাগের ১ ভাগ আমি ইতিম খানা কিংবা গরিব দুঃখি মানুষ এর মাঝে বিলিয়ে দিবো। প্রায় ৭ মাস দিন রাত কষ্ট করার পর ইনশাআল্লাহ সেই স্বপ্ন টা সত্যি হবার পথে। এটা আমার পরিবর্তন কিনা জানি না। তবে এই কাজটি করে সত্যি অনেক শান্তি পাই। নিজেকে তাদের জায়গায় তুলে ধরতে পারি।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy