2 Answers
এটা কখনোই নিশ্চিত ভাবে বলা সম্ভব না। কেনো এক জনের এক এক সময়ে তা আসতে পারে।
তবে কারো হ্মেত্রে প্রেগন্যান্ট হওয়ার ৩/৪ মাসেই তরল আসতে পারে যা সামান্য ।আবার কারো ৬/৭ মাসেও স্তনে চাপ দিলে তরল আসতে পারে।কিন্তু বাচ্চা খাওয়ার উপযোগী স্তনে দুধ/তরল আসতে পারে ৮ মাসের পর থেকেই এবং বাচ্চা ডেলিভারির পর বাচ্চা স্তনের নিপল চুসাতে স্তনে দুধ নির্গত হয়ে থাকে যা পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।কিন্তু একজন গর্ভবতী মায়ের বুকের দুধ আশা বা কমে যাওয়া বা তার সন্তান চাহিদা মত দুধ পাওয়া বা না পাওয়া এসব মায়ের দৈনন্দিন খাবারের উপর নির্ভর করে।
তবে হ্যা প্রেগন্যান্ট থাকাকালীন হরমোন তারতম্যর কারনেও স্তনে তরল আসতে পারে।
আশা করি বুঝতে পারছেন।
ধন্যবাদ।
প্রেসকার্ড নিউজ: সন্তান পেটে আসার পর থেকেই মায়ের বুকে দুধ তৈরি হওয়া শুরু হয়। এরজন্য সাহায্য করে প্রোজেস্টেরন এবং প্রোলাকটিন নামের দুটি হরমোন। এই দুধ শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পান করানো যায়। তবে শিশু কতটা দুধ পাবে তা নির্ভর করে প্রথম স্তন্যপানের ওপর। অর্থাত্ শরীরের প্রোলাকটিন হরমনই মায়ের নার্ভ সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সেভাবেই প্রয়োজনীয় দুগ্ধ উত্পাদন করে।
মায়ের দুধ শিশুদের শরীরে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। শিশুর জন্মের প্রথম সপ্তাহে মায়ের দুধ পান করলে তা বাচ্চাকে অন্ত্র সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে এবং হজম করতে ও দুধ পান করার সময় পেটে বাতাস জমা থেকে রেহাই পেতেও সহায়তা করে। এছাড়া মায়ের দুধ শিশুর প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং অ্যালার্জির বিরুদ্ধে লড়ে। তাছাড়া মায়ের দুধ পান করার কারণে শিশুর মুখের তালু এবং মাড়ি শক্ত হয়।
মায়ের দুধে কী আছে?
মায়ের দুধে কী আছে তার হিসেব অনেক লম্বা। এতে রয়েছে মিনারেল, ভিটামিন, ফ্যাট, পানি ইত্যাদি। মায়ের দুধে বিশেষ এক রকম ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা শিশুর চোখের জ্যোতি বাড়াতেও সাহায্য করে থাকে।
সদ্য প্রসূতির স্তন থেকে বের হওয়া প্রথম দুধ। হলদেটে রঙের এই দুধ পরিমাণে কম হলেও এতে থাকে শ্বেতকণিকা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। শালদুধ শিশুর জন্য অত্যন্ত উপকারি, যা শিশুর জীবনের প্রথম টিকা হিসাবেও কাজ করে। শালদুধে থাকে আমিষ ও প্রচুর ভিটামিন-এ। শালদুধ শিশুর পেট পরিষ্কার করে এবং শিশুর জন্ডিস হবার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।
সুত্রঃ ইন্টারনেট