Jobedali

Jobedali

Jobedali

Chocolate3
Coffee0
Ice-cream0
Burger0

About Jobedali

.
Chamber has no been started yet

Experience and Highlight
Male
Single
Hinduism
Services
Work Experiences
Skills
copy writing
Language
English Hindi Bengali/Bangla
Trainings
Education
Calcutta Boys' School
  • ISC
  • 0-0
Social Profile
Add social profile
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 8.06M বার দেখা হয়েছে এই মাসে 164.01k বার
5.29k টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 3.90M বার
4.99k টি উত্তর দেখা হয়েছে 4.16M বার
518 টি ব্লগ
2 টি মন্তব্য
টাইমলাইন

ঈদ সালাহ হল একটি বিশেষ প্রার্থনা যা ঈদ-উল-ফিতরের দিনে রমজানের শেষ এবং ঈদ উল-আযহার দিনে হযরত ইব্রাহীম (আঃ) আত্মত্যাগের স্মরণে আদায় করা হয়। সারা বিশ্বের মুসলমানরা বছরে দুবার এই সালাত আদায় করে এবং পদ্ধতিটি প্রতিদিনের নামাজ থেকে আলাদা। এটি দুই রাকাত নামাজ। এই নামায মসজিদে না হয়ে বড় মাঠের মত খোলা জায়গায় পড়া সুন্নাতের অংশ।

সকল পুরুষ মুসলমানদেরকে ঈদের সালাহ পালন করতে হবে, এবং নারী মুসলমানদেরকে উপস্থিত হতে উৎসাহিত করা হয়, যদিও তাদের অবশ্যই হিজাব এবং অন্যান্য মসজিদের অধ্যাদেশগুলি পালন করতে হবে।

ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম ও নিয়ত
বছরে মাত্র দুইবার ঈদের নামায আদায় করা হয়, ফলে আমরা অনেকেই ঈদের নামাজের নিয়মগুলো গুলিয়ে ফেলি। অনেকেই কখন হাত বাঁধবেন, কখন হাত ছেড়ে দেবেন এটা নিয়ে খুব চিন্তিত থাকেন, এমনকি অনেকে একবার ডানপাশের লোকেরটা অনুসরণ করেন, আরেকবার বামপাশের লোকেরটা অনুসরণ করেন। অথচ বিষয়টা খুবই সহজ। বিস্তারিত দেখে নিন।

ঈদের নামাযের নিয়ত
নামাজের নিয়ত আরবিতে করা জরুরি নয়। নিয়ত আরবিতে করতে হবে এমন কোন নিয়ম নাই। যেকোনো ভাষাতেই নামাজের নিয়ত করা যায়। নিয়ত মনে মনে করাই যথেষ্ট। ঈদের দিন ইমামের পেছনে কিবলামুখী দাঁড়িয়ে মনে এই নিয়ত করবেন—

ঈদের নামাযের বাংলা নিয়ত: "আমি ঈদুল ফিতরের/ঈদুল আযহার দু রাকাত ওয়াজিব নামায ছয় তাকবিরের সাহিত এই ইমামের পিছনে কিবলামুখি হয়ে আদায় করছি, আল্লাহু আকবার।"



ঈদের নামাজের আরবিতে নিয়ত: "নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তাআ'লা রাকয়া তাই ছালাতি ঈদুল ফিত্রি/ঈদিল আদ্বহা মায়া ছিত্তাতি তাকবীরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তা আলা ইক্বতাদাইতু বিহাজাল ইমামি মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা'বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।"

ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম
ঈদের নামাজ দুই রাকাত। ঈদের নামাজ মসজিদে, খোলা জায়গায় কিংবা বাসা-বাড়িতে যেখানেই পড়া হোক না কেন, অবশ্যই তা জামাআতের সঙ্গে পড়তে হবে। জুমআ নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য যে শর্ত প্রযোজ্য, ঈদের নামাজ আদায় করার জন্যও সে একই শর্ত প্রযোজ্য।



প্রথম রাকাতে ছানা পড়ার পর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দিতে হয়। আল্লাহু আকবার বলে হাত বেঁধে নামাযে দাঁড়ানোর পর, আপনাকে শুধু ছানা পড়তে হবে। ছানা পড়ার পর ইমাম সাহেব ৩টি অতিরিক্ত তাকবীর দিবেন। প্রথম ২টিতে হাত উঠিয়ে আবার ছেড়ে দিবেন এবং ৩য় তাকবীরের সময় হাত বাঁধবেন।

দ্বিতীয় রাকাতে কেরাত পড়ার পর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দিতে হয়। এখানেও প্রতি তাকবীরের পর হাত ছেড়ে দিবেন অর্থাৎ হাত বাঁধতে হবেনা। এইবার ৩য় তাকবীর শেষ হলে চতুর্থবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত না বেঁধে রুকুতে চলে যান এবং স্বাভাবিকভাবে নামাজ শেষ করুন।



প্রত্যেক নামাযের শুরুতে আমরা যে, আল্লাহু আকবার বলে তাকবির দেই, একে তাকবিরে তাহরিমা বা প্রধান তাকবির বলা হয়। যে তাকবীর দ্বারা নামাজ শুরু হয় তাকে তাকবীরে তাহরিমা বলে। সকল নামাযে এই তাকবির দেওয়া ফরয। ঈদের নামাযে এই তাকবিরে তাহরিমা এবং অন্যান্য সাধারণ তাকবিরের সাথে অতিরিক্ত ৬টি তাকবির দিতে হয়।

মানে, ঈদের সালাতের দুই রাকাতে অতিরিক্ত ৬টি তাকবির দিতে হয়। এর মধ্যে-
প্রথম রাকাতে ছানা পড়ার পর অতিরিক্ত ৩ তাকবির,
দ্বিতীয় রাকাতে রুকুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত ৩ তাকবির।
প্রথম রাকাতে করণীয়: তাকবিরে তাহরিমা আল্লাহু আকবার বলে আপনি ছানা পড়বেন, ছানা পড়ে কেরাত পড়ার আগে অতিরিক্ত ৩টি তাকবীর দিবেন। এই অতিরিক্ত ৩টি তাকবীরের প্রথম ২টিতে হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে আবার ছেড়ে দিবেন। এবার ৩য় তাকবীরের সময় কান পর্যন্ত হাত উঠিয়ে আবার হাত বাঁধবেন। এরপর রুকু করবেন, সিজদা করবেন। এভাবে প্রথম রাকাত সম্পন্ন হবে।

  • (১ম তাকবির) তাকবিরে তাহরিমা হাত বাঁধা,
  • (২য় তাকবির) হাত ছেড়ে দিবেন,
  • (৩য় তাকবির) হাত ছেড়ে দিবেন,
  • (৪র্থ তাকবির) হাত বাঁধবেন।

সংক্ষেপে, ঈমাম সাহেব তাকবিরে তাহরিমা বলে হাত বাঁধবেন, এরপর ছানা পাঠ করে অতিরিক্ত ৩টি তাকবীর দিবেন। প্রথম দুইটি তাকবীরে হাত ছেড়ে দিয়ে, ৩য় তাকবীরে হাত বাঁধবেন। এরপর সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা মিলিয়ে কেরাত পড়বেন, তারপর রুকু-সিজদায় গিয়ে প্রথম রাকাত শেষ করে ২য় রাকাতের জন্য হাত বেঁধে দাঁড়াবেন।



দ্বিতীয় রাকাতে করণীয়: দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে কেরাত পড়ার পরে অতিরিক্ত তিনটি তাকবীর দিবেন। এই অতিরিক্ত ৩টি তাকবীরেই হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে আবার ছেড়ে দিবেন। এবার হাত না উঠিয়ে ৪র্থ তাকবীর দিয়ে আপনি সরাসরি রুকুতে যাবেন। তারপর, সিজদা করবেন, পরে স্বাভাবিক নামাজের মতোই বৈঠক শেষ করে নামাজ শেষ করবেন।

(২য় রাকাত শুরু) ঈমাম সাহেব কেরাত পড়বেন (সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা মিলাবেন),

  • (১ম তাকবির) হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে আবার ছেড়ে দিবেন,
  • (২য় তাকবির) হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে আবার ছেড়ে দিবেন,
  • (৩য় তাকবির) হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে আবার ছেড়ে দিবেন,
  • (৪র্থ তাকবির) তারপর হাত না উঠিয়ে চতুর্থ তাকবির বলে রুকুতে যাবেন।

সার সংক্ষেপ: প্রতি রাকাতের শুরুতেই প্রথমে হাত বাঁধা থাকবে। তারপর প্রথম রাকাতে দুইবার হাত ছেড়ে দেয়ার পর হাত বাঁধতে হয় আর ২য় রাকাতে তিনবার হাত ছেড়ে দেয়ার পর ৪র্থ তাকবিরে রুকু করতে হয়।

একনজরে ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম
ঈদের নামাজের প্রথম রাকাআত
তাকবিরে তাহরিমা (দু হাত কান পর্যন্ত তুলে "আল্লাহু আকবার") বলে হাত বেঁধে ছেড়ে না দিয়ে ছানা (সুবাহানাকা আল্লাহুমা ওয়া বিহামদিকা ওয়াতাবারা কাসমুকা ওয়া তায়ালাজাদ্দুকা ওয়া লা-ইলাহা গাইরুকা।) পড়বেন। এরপর দু হাত কান পর্যন্ত তুলে "আল্লাহু আকবার" বলে হাত ছেড়ে দেবেন। তারপর আবার দু হাত কান পর্যন্ত তুলে "আল্লাহু আকবার" বলে হাত ছেড়ে দেবেন। তারপর তৃতীয়বার দু হাত কান পর্যন্ত তুলে "আল্লাহু আকবার" বলে হাত বেঁধে নেবেন। অতিরিক্ত এই তিনটি তাকবিরের মাঝে তিন তাসবিহ তথা তিনবার "সুবহানাল্লাহ" বলা যায় এই পরিমান সময় অপেক্ষা করা মুস্তাহাব। তারপর আউজুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পড়ার পর ইমাম সাহেব সুরা ফাতিহা পড়ে এর সঙ্গে অন্য একটি সুরা পড়বেন তার সঙ্গে মিলাবেন। তারপর স্বাভাবিক নামাজের মতোই রুকু সিজদা করে প্রথম রাকাত শেষ করবেন।

ঈদের নামাজের দ্বিতীয় রাকাআত
এরপর দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে বিসমিল্লাহ সহ ইমাম সাহেব কিরাত পড়বেন “আলহামদু ও অন্য একটি সুরা পড়বে । কিরাত শেষ করে এরপর তিন বার কান পর্যন্ত হাত উঠিয়ে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত ছেড়ে দেবেন। তারপর হাত না উঠিয়ে চতুর্থ তাকবির বলে রুকুতে যাবেন এই ভাবে ঈদের নামায পড়তে হবে। পরে স্বাভাবিক নামাজের মতোই নামাজ শেষ করবেন।

ঈদের খুতবা পাঠ
নামাজ শেষে ইমাম মিম্বারে উঠবেন। পরপর ২ খুতবা পাঠ করবেন এবং মাঝখানে তিন আয়াত পড়া যায় এতটুকু সময় পরিমান বসবেন, এই বসা সুন্নাত। এ সময় ইমামের খুতবা মনোযোগসহকারে শুনতে হবে।

ঈদের নামাজ শেষে ইমাম সাহেব খুতবা পাঠ করবেন। জুমার খুতবার মতো এই খুতবা শোনা মুসল্লিদের জন্য ওয়াজিব। খুতবার সময় কথাবার্তা বলা,চলাফেলা করা, নামাজপড়া সম্পূর্ণরূপে হারাম। কারও ঈদের নামাজ ছুটে গেলে কিংবা যে কোনো কারণে নামাজ নষ্ট হয়ে গেলে পুনরায় একাকী তা আদায় বা কাজা করার কোনো সুযোগ নেই। তবে চার বা তার অধিক লোকের ঈদের নামাজ ছুটে গেলে তাদের জন্য ঈদের নামাজ পড়ে নেয়া ওয়াজিব।

জুমআ'র নামাজের খুতবার মতো দুই ঈদের খুতবা শোনাও ওয়াজিব। খুতবা চলাকালীন সময় কথা বলা ঠিক না। তখন, চুপ থেকে খুতবা শুনতে হয়।



ঈদের দিনের সুন্নত সমূহ
ঈদের দিনের সুন্নত পর্যায়ের করণীয় কিছু বিষয় হলো। আরও দেখুন: ঈদ উদযাপনের সুন্নাহ সম্মত পদ্ধতি।

  • ১) শরীয়তের সীমার মধ্যে থেকে যথাসাধ্য সুসজ্জিত হওয়া (এবং খুশী প্রকাশ করা),
  • (২) গোসল করা,
  • (৩) মিসওয়াক করা,
  • (৪) যথাসম্ভব উত্তম কাপড় পরা,
  • (৫) খুশবু লাগানো,
  • (৬) সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠা,
  • (৭) ফজরের পর সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া,
  • (৮) ঈদগাহে এক রাস্তায় যাওয়া অন্য রাস্তায় আসা,
  • (৯) পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া,
  • (১০) যাবার সময় উচ্চস্বরে ঈদুল আযহার তাকবীর বলতে বলতে যাওয়া।

তাকবীর টি হল: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার; লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার, ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।



ঈদুল ফিতরের ও ঈদুল আযহার নামাজের পার্থক্য
ঈদুল আযহার নামাযের নিয়ম ঠিক ঈদুল ফিতরের নামাযেরই অনুরূপ এবং যেসব কাজ ওখানে সুন্নত সেসব এখানেও সুন্নত। পার্থক্য শুধু এই যে,

নিয়তের মধ্যে ঈদুল ফিতরের পরিবর্তে ঈদুল আযহা বলবে।
ঈদুল ফিতরের দিন কিছু খেয়ে ঈদগাহে যাওয়া সুন্নত কিন্তু ঈদুল আযহার দিনে খেয়ে যাওয়া সুন্নত নয় (বরং ঈদুল আযহার নামাযের পূর্বে কিছু না খেয়ে যাওয়াই মুস্তাহাব)।
ঈদুল আযহার দিনে ঈদগাহে যাওয়ার সময় উচ্চস্বরে তাকবীর পড়া সুন্নত। ঈদুল ফিতরে আস্তে পড়া সুন্নত।
ঈদুল আযহার নামায ঈদুল ফিতর অপেক্ষা অধিক সকালে পড়া সুন্নত।
ঈদুল ফিতরে নামাযের পূর্বে সদকায়ে ফিতরা দেয়ার হুকুম, ঈদুল আযহার নামাযের পর সক্ষম ব্যক্তির জন্য কুরবানী করার হুকুম।
ঈদের তাকবীরে তাশরিক
ঈদগাহে যাওয়ার দোয়া: মহান আল্লাহ তাআলার জিকির তথা তাঁর বড়ত্ব প্রকাশ করা, তাঁর একত্ববাদের স্বীকৃতি ও প্রশংসার ঘোষণাই হলো তাকবিরে তাশরিকের মূল কথা। ঈদুল ফিতরের সময়, শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার পর থেকে ঈদগাহে যাওয়ার আগ পর্যন্ত এই তাকবীর পাঠ করতে করতে ঈদগাহে যেতে হয়।

ঈদগাহে যাওয়ার দোয়া, ঈদের তাকবীর

اَللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَر لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَروَلِلهِ الْحَمْد

উচ্চারণ: ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’

অর্থ: ‘আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ মহান, আল্লাহ ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই; সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আল্লাহ মহান।’

ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম
ঈদের নামাজ মসজিদে, খোলা জায়গায় কিংবা বাসা-বাড়িতে যেখানেই পড়া হোক না কেন, অবশ্যই তা জামাআতের সঙ্গে পড়তে হবে। জুমআ নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য যে শর্ত প্রযোজ্য, ঈদের নামাজ আদায় করার জন্যও সে একই শর্ত প্রযোজ্য।
ঈদের নামাজ
ঈদের নামাজের জন্য কোনো আজান ও ইকামত নেই। তবে জুমআর নামাজের মতোই উচ্চ আওয়াজে কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে ঈদের নামাজ আদায় করতে হয়।
ঈদের নামাজের পার্থক্য
তবে ঈদের নামাজের জন্য পার্থক্য হলো অতিরিক্ত ৬টি তাকবির দিতে হবে। - প্রথম রাকাআতে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত বেঁধে অতিরিক্ত তিন তাকবির দিয়ে সুরা ফাতিহা পড়া। -দ্বিতীয় রাকাআতে সুরা মিলানোর পর অতিরিক্ত তিন তাকবির দিয়ে রুকতে যাওয়া।
নামাজের নিয়ত
ঈদের দুই রাকাআত ওয়াজিব নামাজ অতিরিক্ত ৬ তাকবিরের সঙ্গে এই ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর জন্য আদায় করছি... আল্লাহু আকবার।
প্রথম রাকাআত
- তাকবিরে তাহরিমা : ঈদের নামাজে নিয়ত করে তাকবিরে তাহরিমা 'আল্লাহু আকবার' বলে হাত বাঁধা। - ছানা পড়া : 'সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়াতাআলা যাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা। - অতিরক্তি ৩ তাকবির দেয়া। এক তাকবির থেকে আরেক তাকবিরের মধ্যে তিন তাসবিহ পরিমাণ সময় বিরত থাকা। প্রথম ও দ্বিতীয় তাকবিরে উভয় হাত উঠিয়ে তা ছেড়ে দেয়া এবং তৃতীয় তাকবির দিয়ে উভয় হাত বেধেঁ নেয়া। - আউজুবিল্লাহ-বিসমিল্লাহ পড়া - সুরা ফাতেহা পড়া - সুরা মিলানো। অতপর নিয়মিত নামাজের মতো রুকু ও সেজদার মাধ্যমে প্রথম রাকাআত শেষ করা।
দ্বিতীয় রাকাআত
- বিসমিল্লাহ পড়া - সুরা ফাতেহা পড়া - সুরা মিলানো। - সুরা মিলানোর পর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দেয়া। প্রথম রাকাআতের মতো দুই তাকবিরে উভয় হাত কাধ বরাবর উঠিয়ে ছেড়ে দেয়া অতপর তৃতীয় তাকবির দিয়ে হাত বাঁধা। - তারপর রুকুর তাকবির দিয়ে রুকুতে যাওয়া। - সেজদা আদায় করে তাশাহহুদ, দরূদ, দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরানোর মাধ্যমে নামাজ সম্পন্ন করা।
খুতবা
ঈদের নামাজ পড়ার পর ইমাম খুতবা দেবে আর মুসল্লিরা খুতবা মনোযোগের সঙ্গে শুনবে। অবশ্য অনেকেই খুতবা না দেয়ার ব্যাপারে শিথিলতার কথা বলেছেন। খুতবা না দিলেও ঈদের নামাজ আদায় হয়ে যাবে বলে মত দিয়েছেন। উল্লেখ্য, অতিরিক্ত তাকবিরের ক্ষেত্রে অন্যান্য মাজহাবসহ অনেকেই প্রথম রাকাআতে তাকবিরে তাহরিমাসহ ৭ তাকবির আর দ্বিতীয় রাকাআতে ৫ তাকবিরে দিয়ে থাকেন। এতে কোনো অসুবিধা নেই।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যথাযথ নিয়মে ঈদের নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। ঈদের নামাজ আদায়ে যথাযথ নিরাপত্তা বজায় রেখে সুস্থ থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

শবে কদরের নামাজ
লাইলাতুল কদরে বিশেষ কোনো নামাজের পদ্ধতি নেই। লাইলাতুল কদরের রাতে নামাজ দুই রাকাত করে যত সুন্দর করে পড়া যায়, যত মনোযোগ সহকারে পড়া যায় ততই ভালো। আল্লাহ সুবহানাআলাতায়ালার প্রতি যত খুশু খুজুসহকারে নামাজ আদায় করা যায়, ততই ভালো। দুই রাকাত, দুই রাকাত করে আপনি যত খুশি পড়তে পারবেন। এছাড়া বিশেষ কোনো সূরা পড়তে হবে-এটা লোকমুখে প্রচলিত আছে, তবে এর কোনো ভিত্তি নেই। এই রাতে কোরআন তেলাওয়াত করবেন। বেশি বেশি দোয়া পড়বেন। ইস্তেগফার পড়বেন। তওবা করবেন। এই রাতে ভালো কাজ করবেন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য।



এই রাতে যে দোয়া বেশি পড়বেন
হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ, শবে কদরের রাতে আমার কোন দোয়াটি পড়া উচিত?’ তিনি তাঁকে পড়ার জন্য নির্দেশ দিলেন-‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি।’

অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। তাই আমাকে ক্ষমা করুন।’ (সুনানে ইবনে মাজা)।


পবিত্র রমজান মাসে আল্লাহ তায়ালা কোরআন নাজিল করেছেন। রমজান মাসের একটি রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছ হেরা গুহায় আল্লাহর ফেরেশতা অহী নিয়ে এসেছিলেন । এই রাতকেই শবে কদর বা লাইলাতুল কদর রাত বলা হয় ।

সূরা দুখানের ৩নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, আমি এই কুরআনকে এক বরকতময় রাতে অবতীর্ণ করেছি। (সূরা দুখান-৩)

গুরুত্বপূর্ণ এই রাতের ফজিলত সম্পর্কে বর্ণনা করতে গিয়ে মহান আল্লাহ তায়ালা সূরা কদর নাজিল করেছেন।


লাইলাতুল কদর সুরা
সূরা কদর বাংলা অনুবাদ, আরবি উচ্চারণ ও অর্থ
(১)إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ
উচ্চারণঃ ইন্নাআনঝালনা-হু ফী লাইলাতিল কাদর।
অর্থঃ আমি একে নাযিল করেছি শবে-কদরে।
(২)
وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ
উচ্চারণঃ ওয়ামাআদরা-কা-মা-লাইলাতুল কাদর।
অর্থঃ শবে-কদর সমন্ধে আপনি কি জানেন?

(৩)لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ
উচ্চারণঃ লাইলাতুল কাদরি খাইরুম মিন আলফি শাহর।
অর্থঃ শবে-কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।

(৪)تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمْرٍ
উচ্চারণঃ তানাঝঝালুল মালাইকাতুওয়াররুহু ফীহা-বিইযনি রাব্বিহিম মিন কুল্লি আমর।
অর্থঃ এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে।

(৫)سَلَامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ
উচ্চারণঃ ছালা-মুন হিয়া হাত্তা-মাতলা’ইল ফাজর।
অর্থঃ এটা নিরাপত্তা, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।

এ রাতের ফজিলত অন্য যেকোনো রাতের চেয়ে অনেক গুণ বেশি। বলা যেতে পারে- এ রাত হাজার রাত অপেক্ষা উত্তম। এ রাতে যত বেশি নফল নামাজ আদায় করবেন তত বেশি সওয়াব।

মহান আল্লাহ্‌ বলেন:
“নিশ্চয়ই আমি (কোরআন)কে অবতীর্ণ করেছি এই মর্যাদাপূর্ণ রাত্রিতে (লাইলাতুল কদরে)। আর মর্যাদাপূর্ণ রাত্রি সম্বন্ধে আপনি কি জানেন? মর্যাদাপূর্ণ রাত্রি হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। ঐ রাত্রিতে ফেরেশতাগণ ও রূহ (জিবরীল) অবতীর্ণ হয় প্রত্যেক কাজে তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে। শান্তিময় সেই রাত্রি ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত।” (সূরা কদর)

হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ৪ রাকাত নামাজ ক্দরের রাতে আদায় করবে এবং উক্ত নামাজের প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর ২১ বার করে সূরা ইখলাছ পাঠ করবে, আল্লাহ তা’য়ালা ওই ব্যক্তিকে সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর ন্যায় নিষ্পাপ করে দেবেন এবং বেহেশতের মধ্যে এক মনোমুগ্ধকর মহল তৈরি করে দেবেন।

অপর এক হাদিসে বর্ণিত রয়েছে, হযরত রাসূল (সা.) এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি ক্দরের রজনীতে ৪ রাকাত নামাজ আদায় করবে এবং উহার প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর সূরা কদর ও সূরা ইখলাছ তিনবার করে পাঠ করবে, নামাজ শেষে সিজদায় গিয়ে নিম্নের দোয়াটি কিছু সময় পাঠ করে আল্লাহর দরবারে যা-ই প্রার্থনা করবে তিনি তাই কবুল করবেন এবং তার প্রতি অসংখ্য রহমত বর্ষিত করবেন।

দোয়াটি হলো: সুব্হানাল্লাহি ওয়ালহাম্দু লিল্লাহি ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।
শবে কদরের রাত কবে ? এই সম্পর্কে কোথাও নিদির্ষ্ট করে কোন তারিখ উল্লেখ করা নাই। তবে, হাদিস শরিফ ও আলেমদের অভিমত হল, ২০ রমজানের পর যেকোনো বিজোড় রাত শবে কদরের রাত হতে পারে। তবে ২৬ রমজানের দিবাগত রাতকেই লাইলাতুল কদরের রাত হিসাবে মুসল্লিরা প্লান করে আসছেন।

শবে কদর নামাজের নিয়ত আরবীতে: “নাওয়াইতুআন্ উছল্লিয়া লিল্লা-হি তা‘আ-লা- রাক‘আতাই ছালা-তি লাইলাতুল কদর-নাফলি, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা-জিহাতিল্ কা‘বাতিশ্ শারীফাতি আল্লা-হু আকবার”।

শবে কদর নামাজের বাংলা নিয়ত: “আমি ক্বেবলামূখী হয়ে আল্লাহ্ এর উদ্দেশ্যে শবে কদরের দু‘রাক‘আত নফল নামাজ আদায়ের নিয়ত করলাম- আল্লাহু আকবার”।

শবে কদরের নামাজ কত রাকাত :
শবে কদরের নামাজ দু‘রাকাত করে যত বেশী পড়া যায় তত বেশি ছওয়াব। নামাজের প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ার পর সূরা ইখলাছ, সূরা ক্বদর, আয়াতুল কুরছী বা সূরা তাকাছুর ইত্যাদি মিলিয়ে পড়া অধিক ছওয়াবের কাজ। এই ভাবে কম্পক্ষে ১২ রাকাত নামাজ আদায় করা উত্তম। এর বেশি যত রাকাত আদায় করা যায় ততই ভালো।

কেউ যদি উপরে উল্লেখিত সূরাগুলো না পারেন তাহলে সূরা ফাতিহা পড়ার পর যে সূরাগুলো আপনি পারেন তার মধ্য থেকে প্রতি রাকাতে একটি করে সূরা মিলিয়ে নিতে হবে। এই ভাবে কম্পক্ষে ১২ রাকাত নামাজ আদায় করা উত্তম। এর বেশি যত রাকাত আদায় করা যায় ততই ভালো।

প্রতি ৪ রাকাত পর পর কিছু তাসবিহ-তাহলীল আদায় করে মহান আল্লাহর নিকট দোয়া কামনা করা অতি উত্তম। এই ভাবে সারা রাত নামাজ আদায় করা যেতে পারে।

জিকির ও দোয়া: হাদিসে যে দোয়া ও জিকিরের অধিক ফজিলতের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো থেকে কয়েকটি নির্বাচিত করে অর্থ বুঝে বারবার পড়া যেতে পারে। ইস্তেগফার ও দরুদ আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়। কমপক্ষে ১০০ বার ইস্তেগফার ও ১০০ বার দরুদ পড়া যেতে পারে।

কার্তিক দেবসেনা কে বিয়েই করতে যাননি। নিয়ম অনুযায়ী বিয়ের দিন ছেলের মা সকাল বেলা কলাপাতায় ভাত খাবেন, কারণ ছেলের বউ এসে যদি খেতে না দেন সেই কারণে, কিন্তু কার্তিকের যেদিন বিয়ে ছিল, সেদিন মা দুর্গা কলাপাতায় ভাত খেতে বসেছেন, এই দৃশ্য দেখে ফেলেন কার্তিক। মায়ের এমন অবস্থা দেখে, তিনি মনে মনে খুব কষ্ট পান। আর প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন তিনি আর কোনদিন বিয়ে করতে যাবেন না। ব্যস, সেই থেকেই কার্তিকের নামের আগে আইবুড়ো কথাটি জুড়ে দেওয়া হয়।

আসুরিক বিয়ে ---- যদি কোন লোক রুপসী তরুণীর কোন আত্মীয় বা আত্মীয়কে অর্থের সাহায্যে ভুলিয়ে বা অন্য কোনও উপায়ে হাত করে তাকে এনে বিয়ে করে -- উক্ত লোকটির সাহায্যে --- একে বলা হয় আসুরিক বিয়ে। আসুরিক বিয়ে আজকাল মাঝে মাঝে হয়, তবে লোকে তা বুঝতে বা জানতে পারে না। তাবে কন্যার বা আত্মীয়ের অমতে এ সব করা উচিত নয়।

বাংলাদেশে একটা জটিল স্ববিরোধী অবস্থা বিরাজমান, যেখানে যৌনতা ও যৌন সম্পর্ক নিয়ে কথা বলাটা তেমন স্বাভাবিক নয়, কিন্তু অপর দিকে, বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে, সঙ্গীর দাবির কাছে নতি শিকার করার একটা চাপ থাকে। একারনে কাউকে “না” বলতে পারার অধিকার নারী পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কীভাবে আপনি না বলতে পারব? 

শারীরিক সম্পর্কের ইঙ্গিত সমূহ কি কি? 

প্রতিবার মুত্রত্যাগের সময় আমার সঙ্গীর যৌনাঙ্গে অনেক যন্ত্রণা হয়। এ সমস্যায় দীর্ঘকাল ধরে চলছে, তবে সম্প্রতি এটি খারাপ অবস্থা ধারণ করেছে। দই গ্রহণের মাধ্যমে এ ধরণের সমস্যা দূর হয় বলে আমি শুনেছিলাম। সে আজ সকালে প্রচুর পরিমাণে দই খেয়েছে, কিন্তু সমস্যা এখনো কমেনি।