user-avatar

Jobedali

Jobedali

Jobedali এর সম্পর্কে
.
যোগ্যতা ও হাইলাইট
Calcutta Boys' School এ/তে - নিয়ে পড়াশুনা করছেন 0-0
পুরুষ
অবিবাহিত
হিন্দুধর্ম
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 8.47M বার দেখা হয়েছে
জিজ্ঞাসা করেছেন 5.01k টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 4.61M বার
দিয়েছেন 4.87k টি উত্তর দেখা হয়েছে 3.86M বার
660 টি ব্লগ
1 টি মন্তব্য

ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র এর pdf download লিঙ্ক http://bsl.org.bd/Gothontontro.pdf

যৌন মিলনের সময় আপনার যদি তাড়াতাড়ি বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে এই সমস্যা টা কে বলা হয় premature ejaculation.কিছু lifestyle পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি উপকৃত হতে পারেন:1. পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া।2. যৌন মিলনের সময় মাইন্ড কে একটু distract করুন।3. anxiety বা depression এ ভুগলেও এমন টা হতে পারে।গ্রাহক,সেক্স এর সময় nervousness এর কারণে বীর্যপাত আগে আগে হয়ে যেতে পারে।তাই এই বিষয়ে আপনার পার্টনার এর সাথে খোলাখুলি কথা বলে নিবেন।সেক্স করার সময় যদি মানসিক ভাবে আপনারা একে অপরের কাছাকাছি আসতে পারেন তাহলে এই সমস্যা গুলো আর হবেনা।সেক্স এর সময় কনডম ব্যবহার করলেও এই সমস্যাটি হবেনা।এতেও কাজ না হলে আপনি একজন Urology specialist এর কাছে যেতে পারেন।

স্পার্ম বা শুক্রানু এর মর্ফোলজি এবংমোটিলিটি যদি ঠিক থাকে তাহলে প্রতি মিলিমিটার সিমেনে ৪০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন স্পার্ম থাকলে তাকে নরমাল ধরা হয়। ১০ মিলিয়ন এর নিচে হলে শুক্রানু কাউন্ট কম ধরা হয়। আর যদি শুক্রানু কাউন্ট ২০ মিলিয়ন এর বেশি হয় সেইসাথে মর্ফোলজি এবং মোটিলিটি যদি ঠিক থাকে তাহলেও গর্ভধারণ সম্ভব। শুক্রানু কাউন্ট কম হলে হতাশ হওয়ার কিছু নাই। একটি নির্দিষ্ট পরিমান পর্যন্ত কাউন্ট ওষুধের মাধ্যমে ঠিক করা সম্ভব। ইন্টারনেটে অনেক খাবারের কথা বলা আছে যার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নাই যে এই খাবারগুলো কাউন্ট বাড়াতে সাহায্য করে।

কোনো দম্পতি যদি তাদের বন্ধ্যত্ব সমস্যা আছে বলে ধারণা করে, বন্ধ্যত্ব সমস্যার কারণ চিহ্নিত করার জন্য স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই পরীক্ষা দরকার হয়। পুরুষের যে পরীক্ষাটি করা হয় তাকে সিমেন এনালাইসিস বা বীর্য পরীক্ষা বলা হয়।
বীর্য পরীক্ষা কিভাবে করতে হয়
1. তিন থেকে পাঁচ দিন মেলামেশা বন্ধ রাখা বীর্য পরীক্ষার পূর্বশর্ত।
2. এই পাঁচ দিন স্ত্রীর সাথে মেলা- মিশা বা মাস্টারবেট/হস্তমৈথুন করা যাবে না।
3. বীর্যে দেবার জন্য সময় নিয়ে ধীরে-সুস্থে আসুন,
উদ্বিগ্ন বা উত্তেজিত হবেন না।
4. কখনও কখনও বীর্যে দিতে কিছু সময় লাগে বা দেরি হয়,
দুশ্চিন্তা না করে কিছুটা সময় অপেক্ষা করে অবার চেষ্টা করুন।
5. যত্নের সঙ্গে পরীক্ষার রিপোর্ট তৈরি করতে হয় বলে ভালো ও স্বীকৃত ল্যাবরেটরিতে গিয়ে পরীক্ষাটি করা উচিত।
বীর্য পরীক্ষা রিপোর্টে কি কি দেখা হয়:
 শুক্রাণুর সংখ্যা
 শুক্রাণুর নড়াচড়ার গতি
 শুক্রাণুর গঠন

নারী দেহের অন্যতম একটি সমস্যা হচ্ছে স্তনে ব্যথা হওয়া। এই ব্যথা নারীরা বিভিন্ন সময় অনুভব করেন। এই ব্যথা নানা কারণেই হতে পারে। কিন্তু স্তনে ব্যথা হলে অনেক নারীই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্তন ক্যান্সার হওয়ার আশংকায়।
তবে স্তনে ব্যথা মানেই স্তন ক্যানসার হবে তা কিন্তু নয়। তাই চলুন জেনে নেয়া যাক এই ব্যথা হওয়ার কারণ ও প্রতিকার-

কারণ

> শরীরে হরমোন পরিবর্তনের কারণে কিশোরীদের মাসিকের সময় স্বাভাবিকভাবেই স্তনে হালকা ব্যথা হতে পারে। অনেক সময় মাসিকের আগেও ব্যথা হয়। এতে ভয়ের কোনো কারণ নেই।

> স্তনে ব্যথার একটি অন্যতম কারণ স্তনে প্রদাহ বা মাসটাইটিস। এটি ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া অথবা ছত্রাকের সংক্রমণে হয়ে থাকে। এমনকি যক্ষ্মার কারণেও  স্তনে ব্যথা হতে পারে। ব্যথার সঙ্গে জ্বর আসতে পারে। এ রকম হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

> স্তনের ভেতর সিস্ট হতে পারে, যার ভেতর তরলজাতীয় পদার্থ থাকে। স্তনের গ্রন্থি যখন বৃদ্ধি পায়, তখন অনেক সময় সিস্ট হয়। সিস্টের কারণে ব্যথা হয়। বেশির ভাগ সিস্ট নিরীহ হলেও সন্দেহ হলেই দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

> অন্তঃসত্ত্বা নারীরা গর্ভকালে স্তনে ব্যথা অনুভব করেন। সাধারণত গর্ভাবস্থার তিন মাস চলাকালে এ ব্যথা শুরু হয়। তখন স্তনের আকার বৃদ্ধি পায় এবং অনেক সময় স্তনের ওপর দিয়ে নীল শিরা দেখা যায়। এ সময় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় ও হরমোনের হ্রাস-বৃদ্ধির কারণে এ ব্যথা হয়।

> মা হওয়ার পর সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ও অনেক নারী স্তনে ব্যথা পান। শিশুকে বুকের দুধ দেয়ার আগে ও পরে স্তন পরিষ্কার করে নেয়া ভালো। এতে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। অনেক সময় স্তনে ঘা বা ফোড়া হয়। জীবাণুর সংক্রমণে এমনটা হয় এবং স্তনে প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে।

করণীয়

> স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে, যাতে চর্বি কম ও পুষ্টি বেশি থাকে।

> দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তাহলে হরমোন সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

> স্তনের মাপ অনুযায়ী অন্তর্বাস ব্যবহার করতে হবে। খুব ছোট বা আঁটসাঁট অন্তর্বাস এড়িয়ে চলতে হবে।

> শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ালে প্রতিবার দুধ দেয়ার আগে ও পরে স্তন ও নিপল পরিষ্কার করতে হবে। সব সময় পরিষ্কার কাপড় পরতে হবে।

> ভিটামিন বি–৬, ভিটামিন বি–১ (থায়ামিন) এবং ভিটামিন–ই–সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

> যেকোনো ব্যথা, ফোলা, রঙের পরিবর্তন লক্ষ করলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

সূত্র: ডা. মো. আজিজুর রহমান, বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার

একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের BMR হল দেহ ত্বক প্রতি বর্গমিটার আয়তনের জন্য প্রতি ঘণ্টায় 40 কিলো ক্যালরি। মহিলাদের ক্ষেত্রে এর মান মাত্র 37 কিলোক্যালরি । একজন প্রাপ্তবয়স্ক অসুস্থ লোকের মৌল বিপাক এর জন্য দিনে প্রায় 1728 কিলো ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন হয়।
কোনো সুস্থ-স্বাভাবিক' ব্যক্তি হালকা খাদ্য গ্রহণের 12 থেকে 18 ঘন্টা পর সম্পূর্ণ শারীরিক ও মানসিক বিশ্রাম রত অবস্থায় এবং আরামদায়ক পরিবেশ দেহের প্রয়োজনীয় শারীরবৃত্ত কার্যকলাপ সমূহ পরিচালনার জন্য দেহ থেকে যে ন্যূনতম তাপশক্তি উৎপন্ন হয় তার হার কেই বলা হয় মৌল বিপাকীয় হার বা বেসাল মেটাবলিক রেট ( BMR )


ভিটামিন B3 বা নিয়াসিন কে PP ফ্যাক্টর বলা হয়।
PP কথার পুরো অর্থ হল পেলেগ্রা প্রিভেনশন বা পেলেগ্রা প্রতিরোধ। ভিটামিন B3 পেলেগ্রা রোগ হওয়া আটকায় তাই এই ভিটামিন কে পি পি ফ্যাক্টর বা পেলেগ্রা প্রিভেনটিভ ফ্যাক্টর বলা হয়।

যে বুননে ওয়েফ্ট সুতা টানা সুতার মধ্য দিয়ে এমনভাবে চলাচল করে যে কাপড়ের উপরিভাগে কোনাকুনি একটি ভাব ফুটে উঠে, একে টুইল বা তেরছা বুনন বলে।
যখন একটি ওয়েফ্ট সুতা একটি টানা সুতার ওপর-নিচ দিয়ে অতিক্রম করে, সে বুননটিকে সাদাসিধে বুনন বলা হয়।
তাঁতের সাহায্যে টানা ও ওয়েফ্ট সুতার পারস্পরিক সমকৌনিক বন্ধনকে বুনন বলে।

ব-দ্বীপ কি?

Jobedali
Sep 4, 12:54 PM