3 Answers
আপনি আল্লাহর নাম নিয়ে ওয়াদা না করলেও তা ওয়াদা হিসাবে গণ্য হয়।যদি আপনি ওয়াদা ভঙ্গ করেন তাহলে আপনার উচিত মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট ক্ষমা প্রাথনা করা।
ওয়াদাঃ প্রতিশ্রুতি বা প্রতিজ্ঞা পালন করা মানব জীবনের একটি মহত্তম গুণ। যা পালন করা কঠিনতম সর্বোতকৃষ্ট কাজ। প্রতিশ্রুতি পালন করা যেন ঈমানের একটি অঙ্গ। ইসলাম এসব প্রতিশ্রুতি পালন করার জোরালো তাকিদ প্রদান করেছে। আল্লাহ তাআলা ওয়াদা পালনকারীকে ভালোবাসেন। প্রতিশ্রুতি পালন করা আল্লাহর একটা অন্যতম গুন। আল্লাহ নিজে প্রতিশ্রুতি পালন সম্পর্কে আল কোরআনে ইরশাদ করেনঃ জেনে রাখ! আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে তা আল্লাহর-ই। জেনে রাখ! আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য, কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না। (সূরা ইউনুসঃ ৫৫) আল্লাহ তাআলা আরো ইরশাদ করেনঃ হে ঈমানদারগণ ! তোমরা যা কর না তা তোমরা কেন বল? তোমরা যা কর না তোমাদের তা বলা আল্লাহর দৃষ্টিতে খুবই অসন্তোষজনক। (সুরা সফঃ ২/৩) জনাব ওয়াদা ভঙ্গের কাফফারা দিতে হয়না। শরীয়তের এর কোন নিয়ম নেই। তবে ওয়াদা ভঙ্গ করা অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ। কারণ, হাদিসে মুনাফিক দের একটি নিদর্শন হিসেবে ওয়াদা ভঙ্গ করাকে সাব্যস্ত করা হয়েছে। এতদা সত্বেও আপনার এ ওয়াদা ভবিষ্যতে গোনাহ না করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া বুঝায়; যা তাওবার অংশ। কারণ, তাওবা পূর্ণ হয় তিনটি কাজের মাধ্যমে; তন্মধ্যে একটি, ভবিষ্যতে সেই কাজ পুনরায় না করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া। আর তাওবার মধ্যে অটল না থাকতে পারলে পুনরায় তাওবা করতে হয়। তাই আপনি তাওবা করুন! ইস্তেগফার করুন! এখন এটাই আপনার করণীয়।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy