2 Answers
মাতৃভূমি বাংলাদেশে প্রায় ৭৬ প্রজাতির মাছ রয়েছে। কুইচ্চা তাদের অন্তর্ভুক্ত নয়, এটি মাছ নয়। এটি কেবল একটি জলজ প্রাণী, মুসলমানদের জন্য অখাদ্য। বিদেশে রপ্তানীর জন্য অথবা উপজাতি কিংবা অমুসলিমদের কাছে বিক্রির জন্য কুইচ্চা শিকার, আড়তায়িতকরন সবই বৈধ আছে। তবে, হোটেলে-মোটেলে বাইমের নামে মুসলমানদের আহারে কুইচ্চা প্রদান এবং 'আহার্যরুপে কুইচ্চা ভক্ষণ-কোনটিই মুসলমানদের জন্য জায়েয নয়।
যে প্রাণী শুধু মাত্র পানিতে বসবাস করে সেই প্রাণী খাওয়া জায়েজ। যদি কারো খেতে রুচি হয়, তিনি খেতে পারবেন। যেহেতু নবী (সাঃ) হাদিসের মধ্যে বলেছেন, "সমুদ্রের অথবা নদীর যেই মৃত প্রাণী আছে, সেগুলো সবটাই হালাল।" এর মধ্যে এগুলো সবই অন্তর্ভুক্ত হবে এবং এগুলো খাওয়াও হালাল হবে। তবে ব্যাঙ হালাল নয়, ব্যাঙ পানি ছাড়াও বসবাস করে এবং এছাড়া রাসূল সাঃ ব্যাঙ মারতে নিষেধ করেছেন।
সামুদ্রিক প্রাণী যা পানিতে থাকে, তা জীবিত বা মৃত খাওয়া হালাল। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ সমুদ্রের পানি পবিত্র এবং তার মৃত প্রাণী হালাল।" [চারজন এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। শব্দ বিন্যাসে আবূ শাইবার, ইবনু খুযাইমাহ ও তিরমিযী হাদীসটিকে সহীহ্ বলেছেন। ইমাম মালিক, শাফি‘ঈ ও আহমাদ বিন হাম্বালও এটি বর্ণনা করেছেন।] (বুলুগুল মারাম, হাদিস নং ১)
জনাব, এটি মূলত রুচির বিষয়। যদি কেউ খেতে চান, খেতে পারেন। কেউ যদি কাউকে জোর করে খাওয়াতে চায়, তাহলে তার হয়তো সমস্যা তৈরি হতে পারে।