আমি একটা কাজ করি বাক্তিগত প্রতিস্তানে। সকালে উঠার সময় শরীর খুব ক্লান্ত লাগে । কাজের মধ্যে সব সময় টেনসেন হয়......... কি করলে টেনসেন কম হবে?

আমি একটা কাজ করি বাক্তিগত প্রতিস্তানে। সকালে উঠার সময় শরীর খুব ক্লান্ত লাগে । কাজের মধ্যে সব সময় টেনসেন হয়......... কি করলে টেনসেন কম হবে? 

2679 views

2 Answers

রাতে বেশি করে পানি খেয়ে ঘুমাবেন সকালে খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠার চেষ্টা করবেন। তাহলে গলা কম শুকাবে না । -খুব টেনশন হলে দম কন্ট্রোল করতে শিখুন। -চোখের দৃষ্টি অসীমে রেখে নাক দিয়ে আস্তে আস্তে করে বুক ফুলিয়ে দম নিম। -তারপর ঠোটের ফাক দিয়ে হালকা শব্দ করে আস্তে আস্তে দম ছাড়ুন, এভাবে ৫-১০মিনিট করুন। প্রথম প্রথম কাজটা করতে কিছুটা কঠিন মনে হতে পারে কিংবা হাসি আসতে পারে। যেমনই লাগুক আপনি অনবরত করে যান, পরিবর্তনটা পরবর্তীতে বুঝতে পারবেন।

2679 views Answered

টেনশন নেই এমন মানুষ মনে হয় খুঁজে পাওয়া যাবে না। আর তাই এই টেনশন থেকে আপনি কিভাবে মুক্তি পাবেন সে বিষয়ে জানা আপনার জন্য অনেক বেশি জরুরি। মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে নানা ধরনের টেনশনের উৎপত্তি ঘটে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কারো সঙ্গে শেয়ার না করায় বা মানসিক অসুস্থতার কারণে এটি বড় আকার ধারণ করে। মানুষতো আর ইচ্ছে করে টেনশন করে না। তার ব্যক্তিত্ব ও পরিস্থিতির কারণে সে টেনশন করে। ব্যক্তিগত বিকাশ ঘটিয়ে সবল ঢেড় ব্যক্তি গড়ে তোলে জটিল পরিস্থিতিতে হা হুতাশ করে ভেঙ্গে না পড়ে বুদ্ধি খাটিয়ে ধাপে ধাপে বাস্তবসম্মতভাবে সমস্যা মোকাবেলা করেই টেনশনমুক্ত হতে হয়। ছোট ছোট টেনশন চেপে রাখলে তা ভবিষ্যতে বড় টেনশনের কারণ হতে পারে। জীবন ধারণ ও জীবন যাপন পদ্ধতির মধ্যে টেনশনমুক্ত পদ্ধতি অবলম্বন জরুরি। কোন বিষয়ে আমরা যদি উদ্বিগ্নবোধ করি তাহলে প্রথমে নিজেকে বোঝাতে হবে। খুব বেশি উদ্বিগ্ন হলে সমস্যার সমাধান হবে না। বরং সমস্যাটি কি, কিভাবে সমাধান করা যায়, সমাধান করতে হলে কাকে বলতে হবে, কে এই বিষয়ে বেশি জ্ঞান রাখে এবং সমাধানের সহযোগী হবেন ইত্যাদি নিয়ে ভাবলে সমস্যার সমাধান হতে পারেন। অনেক সময় দেখা যায়, অনেক চেষ্টা করেও টেনশন থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না। স্বাভাবিক জীবন-যাত্রায় টেনশন প্রতিক্রিয়াগুলো সমস্যা সৃষ্টি করে। এসব ক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্য সেবাদানকারীদের সহযোগিতা নিলে তারা কিভাবে টেনশন কম করা যায় সেব্যাপারে সহযোগিতা করতে পারেন। সম্পূর্ণভাবে টেনশনমুক্ত থাকতে হলে জীবন ও জগত সম্পর্কে নেতিবাচক চিন্তা পরিহার করতে হবে। বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে কঠিন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা ও দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে সবল ব্যক্তিত্ব গড়ে উঠবে। যে সমস্যা একা সমাধান করা সম্ভব নয় তার সমাধানে অনেককে সঙ্গে নিতে হবে। এভাবে বাস্তবকে জয় করে টেনশন থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। টেনশন থেকে মুক্তি পেতে চাইলে আর যাই করুন, টেনশনকে কোন ভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া চলবে না।

2679 views Answered

Related Questions

Next steps