3 Answers
এটি একটি যান্ত্রিক সমস্যা ছিল ।আর কোরআর শরীফে বলা হয়েছে প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকে নিরাপদের কথা।
নিরাপদ নগরী বলতে এখানে যুদ্ধ, হাঙ্গামা, হত্যা বা রক্তপাত ইত্যাদি নিষিদ্ধ করা হয়েছে যার সবই মানবঘটিত। ক্রেন ধ্বসে পড়া একটি দুর্ঘটনা, কেউ ইচ্ছে করে এটা ঘটায়নি। যান্ত্রিক ত্রুটির কারনেই এমনটা হয়েছে। এর সাথে উক্ত বিষয়ের কোনো যোগসাজশ নেই।
আল্লাহর ঘোষণা অনুযায়ী মক্কা অবশ্যই নিরাপদ শহর। ইরশাদ হয়েছে, 'যে ব্যক্তি সেখানে (কাবার চত্বরে) প্রবেশ করে, সে নিরাপত্তা লাভ করবে।' (সুরা আলে ইমরান : ৯৭) অন্য জায়গায় ইরশাদ হয়েছে, 'তারা কি দেখে না যে আমি মক্কাকে একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল করেছি। অথচ এর চতুষ্পাশ্র্বে যারা আছে, তাদের ওপর আক্রমণ করা হয়।' (সুরা আনকাবুত : ৬৭) আরো ইরশাদ হয়েছে, 'আর স্মরণ করো সেই সময়ের কথা, যখন আমি এই গৃহকে (কাবা) মানবজাতির মিলনকেন্দ্র ও নিরাপদ আশ্রয়স্থল করেছিলাম।' (সুরা বাকারা : ১২৫) প্রশ্ন হলো, নিরাপদ নগরে দুর্ঘটনা কেন? এর উত্তর হলো, আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোনো মুফাসসিরই কোরআনে বর্ণিত মক্কার 'নিরাপত্তার' ব্যাখ্যায় এমনটি বলেননি যে মক্কা ও হারামের নিরাপত্তার অর্থ, 'মক্কায় মানুষের সৃষ্টি কিংবা প্রাকৃতিক কোনো দুর্ঘটনা ঘটবে না।' বরং অন্য শহরগুলোর মতো এখানেও তা ঘটতে পারে। সুতরাং কোরআনে বর্ণিত 'নিরাপত্তার' সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সংঘর্ষ নেই। কাবাকেন্দ্রিক হস্তীবাহিনীর ঘটনা খোদ কোরআনেই আছে। নুহ (আ.)-এর যুগে মহাপ্রলয়ে ও ইবনে জুবাইরের আমলে কাবা শরিফ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টিও ইতিহাসসিদ্ধ।