2 Answers

আপনার ইতিবাচক দিক হলো আপনি নিজে নিজে ইয়াবা ছাড়তে ইচ্ছুক ।তবে ইয়াবা ছাড়তে চাইলে সহজে ছাড়া যায় না। ছেড়ে দিলে ঘুম ঘুম লাগে, নিজেকে শক্তিহীন মনে হয়। কোনো কিছুতে উদ্যম পাওয়া যায় না। সবকিছু ফাঁকা ফাঁকা লাগে। তখন রোগী আবার ইয়াবা নিতে বাধ্য হয়। আপনার জন্য সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো, আপনি নিজেই ছাড়তে চাইছেন। কোনো মাদকাসক্ত রোগী যদি নিজে ছাড়তে চায়, তাহলে সে অবশ্যই মাদক থেকে ফিরে আসতে পারে। আপনার পুরোনো বন্ধু, মুঠোফোন, টাকা, যে জায়গায় মাদক নিতেন, যে সময় মাদক নিতেন—এসব থেকে মুক্ত থাকতে হবে।এছাড়া স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কাজ না হলে ঢাকায় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে যোগাযোগ করুন ।

3058 views

ভাইয়া,আপনার মনোবল আছে এ থেকে বিরত থাকার তাই আপনি চাইলে এ থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন ।তবে একটু সময় লাগবে আর মনোবল ও উদ্দেশ্য অটুট রাখতে হবে । আমার মতে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন একেবারে ছেড়ে দেওয়া অনেক কষ্টের এবং তা সম্ভবও হয়না আবার যদি হঠাত্‍ সেবন ছেড়ে দেয়া হয় তবে সমস্যা দেখা দেয় ।যেমনঃ অস্বাভাবিক আচরণ,শারিরীক অস্বস্থি,রোগের প্রাদুর্ভাব ইত্যাদি । ভাইয়া আপনি যদি প্রতিদিন সেবনে আসক্ত হন তবে সপ্তাহে আপনি ৭টা ইয়াবা গ্রহণ করেন ।যদি একদিন পর ১টা করে সেবন করেন তবে সপ্তাহে ৩-৪টা ইয়াবা হতে আপনি মুক্ত থাকতে পারবেন ।এতে মাসে অর্ধেক ইয়াবা সেবন হতে মুক্তি পেলেন এবং এতে আপনার সুবিধাও হবে ।তারপর ২-৩দিন অন্তর যদি গ্রহণ এবং পরবর্তীতে এর মাত্রা আরো কমিয়ে আনেন তবে একদিন এর থাবা হতে সম্পূর্ণ মুক্তি পাবেন ।তবে কখনো মনোবল হারাবেন না এবং গ্রহণের মাত্রা বেশি করবেন না ।সময়সাপেক্ষ বলে আপনি আস্তে আস্তে ইয়াবার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন ।আর আপনি যদি মুসলিম হন তবে নামাজ আদায় করুন আর অন্য ধর্মাবলম্বী হন তবে ধর্মমতে উপাসনা করুন ।এসবও আপনাকে প্রটেক্ট করবে।

3058 views

Related Questions