4 Answers
কারন ইসলামের কতিপয় বিপথগামী লোক মনে করেন যে ইসলাম বিলীনের পথে।তারা বিষয়টি না বুঝে নানা রকম জঙ্গি কর্মকান্ডে লিপ্ত হয় যার ফলে ইসলামকে জঙ্গি বলা হয়।কিন্তু মূলত ইসলাম শান্তির ধর্ম
মুসলমান দের কাজ হল সব বিষয় এ আল্লাহর নাম নেয়া । নবীর সুন্নত পালন করা । বর্তমান সময় এ কিছু মানুষ বেড় হয়েছে যারা মুসলমান দের এই বিষয় কাজ এ লাগিয়ে তারা তাদের কাজ চালাচ্ছে । তাদের মূল টার্গেট হল ইসলাম ধর্মের নামে সবার কাছে অপপ্রচার করানো এবং নিজেদের কাজ হাসিল করা । এবং যেহেতু তারা ইসলাম কে কাজে লাগাচ্ছে তাই সবাই
মনে করছে মুসলিম রা এ জঙ্গি । সত্যি কার বিষয় মুসলিম রা জঙ্গি নয় ।
ইসলাম ধর্মে জিহাদের কথা উল্লেখ্য রয়েছে কিন্তু কিছু কিছু মুসলিমরা(যদিও এদের মুসলিম বললে ভুল হবে) জিহাদ বলতে বুঝতে পারে যে মানুষ মেরে হলেও ইসলাম ধর্ম প্রচার করবে । আর তাই তারা ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের মেরে ইসলাম প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। যেহেতু তারা সকলই মুসলিম নামে পরিচিত আর এই সকল কাজ বেশির ভাগই ইসলামিক দেশের লোকেরা করছে তাই ইসলামকেই জঙ্গি বলছে । যদিও কথা একবারেই ভুল কারণ খুব অল্প সংখ্যক পথ ভ্রষ্ট মুসলিম এই কাজ করছে। আর ইসলামে প্রকৃত পক্ষে মানুষ হত্যা করে জিহাদের কথা আমার জানা মতে কোথাও লেখা নাই। আর অন্য ধর্মের লোকদের হত্যা কিংবা জুলুম করার কথাও কোথাও লেখা নাই।
এর অন্যতম মূল কারণ হল মিডিয়া মুসলমানদের হাতে নেই। অধিকাংশই ইহুদি খ্রিস্টানদের হাতে। ফলে বিবিসি, সিএনএন, রয়টার্স ইত্যাদি ইহুদি-খ্রিস্টান মিডিয়াগুলো যেটাকে জঙ্গিবাদ বলছে, আমরাও সেটাকেই জঙ্গিবাদ বলছি। আমরা সংবাদগুলো তাদের কাছ থেকেই নিচ্ছি এবং তাদেরকেই সঠিক মনে করছি। আরেকটা কারণ হল- ক্ষমতা আমাদের হাতে নেই! এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই— আমাদের সরকার ভারত, আমেরিকার সন্তুষ্টি ছাড়া চারদিনও ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। যেহেতু অমুসলিমদের কথায়ই আমাদের চলতে হচ্ছে, তাই তারা যেটাকে জঙ্গিবাদ বলছে, আমরাও সেটাকেই জঙ্গিবাদ বলছি। দেখুন, হলুদ মিডিয়া এবং পশ্চিমাদের কল্যাণে জঙ্গি, জিহাদ ইত্যাদি শব্দ এবং অর্থ ডাইওয়ার্ড করে পাল্টে দেওয়া হয়েছে। জঙ্গি মানে যোদ্ধা। আমেরিকা যুদ্ধ করছে, তবু তারা জঙ্গি নয়। রাশিয়া যুদ্ধ করছে, তবুও তারা জঙ্গি নয়। কারণ, তাদেরকে জঙ্গি বলার কেউ নেই। তারা যখন নির্বিচারে মানুষ মারে, তখন সেটা জঙ্গিবাদ হয় না! ধর্মের কোনো হাত পা নেই। ধর্ম কাউকে হত্যা করে না। তাই দুই চারজন মুসলমান যদি কাউকে বিনা দোষে হত্যা করেও ফেলে, তবুও ধর্মকে দোষ দেওয়ার সুযোগ নেই। দেখুন, হিটলার— একাই যে ষাট লাখ ইহুদিকে হত্যা করেছে, একারণে কিন্তু কেউ খ্রিস্টধর্মকে দোষী করছে না। অনেকে তো হিটলারকেই কিছু বলছে না। মুসোলিনি— আরেক সন্ত্রাসী, তাকেও কেউ কিছু বলছে না, তার ধর্মকেও না। কারণ, তাদেরকে বলার মতো কেউ নেই। কিন্তু একজন মুসলমান যদি কিছু করে ফেলে, সঙ্গে সঙ্গে তার ধর্মকে দায়ী করা হয়। কারণ, মুসলমানদেরকে এবং তাদের ধর্মকে দায়ী করা সহজ। মুসলমানরা আজ দুর্বল। একটা কথা আছে, 'সকল মাছে গু খায়, আর লাইড়া মাছের দোষ হয়।' মোটকথা, ইহুদি খ্রিস্টানরা মুসলমানদেরকে দুর্বল পেয়ে তাদের ইচ্ছেমত সন্ত্রাসী, জঙ্গি ইত্যাদি ট্যাগ দিচ্ছে। কিন্তু আমাদের হাতে মিডিয়া এবং রাষ্ট্র ক্ষমতা পূর্ণভাবে নেই বিধায় আমরাও তাদের কথা মেনে নিচ্ছি, এবং সেটাই প্রচার করছি।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy