আমার ধাতু সমস্যার সমাধান ঘরোয়া উপায়ে কিভাবে করব।
14466 views

3 Answers

ধাতু দুর্বলতার কারণ , লক্ষণ এবং চিকিৎসা!
অনৈচ্ছিক বীর্যপাতের নামই হলো ধাতু দুর্বলতা । এ ধরনের সমস্যায় সপ্নদোশ বা কম উদ্দীপনা ছাড়াই বারবার বীর্যস্থলন হয় । সাধারণভাবে বলতে গেলে ইহা নিজে কোন রোগ নয় বরং অন্যান্য রোগের উপসর্গ । যৌবন কালে অস্বাভাবিক উপায়ে ধাতু ক্ষয় হলে এই সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে , অতিরিক্ত যৌন মিলন করা ইহার প্রধান কারণ । আবার অনেক সময় সিফিলিস , গনোরিয়া রোগের লক্ষণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে ।

 

*এর লক্ষণসমূহ :- স্পারম্যাটোরিয়ার লক্ষণযুক্ত রোগীর ধাতু অত্যন্ত তরল হয় । অনেক সময় পাতলা পানির মত । নির্গত ধাতু ঘনত্ব (viscosity) খুব কম । রোগী ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং দেহগত অপুষ্টির ভাব প্রকাশ পেয়ে থাকে । দেহের সৌন্দর্য নষ্ট হয় এবং জীর্ণ শীর্ণ হয়ে পড়ে , মুখ মলিন এবং চক্ষু কোঠরাগত হয়ে পরে । দেহে প্রয়োজনীয় প্রোটিন এবং ভিটামিনের প্রবল অভাব পরিলক্ষিত হয় । রোগীর জীবনীশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং নানা প্রকার রোগে অতি সহজেই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ।

 

*দেহে যৌন হরমোন বা পিটুইটারি এড্রিনাল প্রভৃতি গ্রন্থির হরমোন কম নিঃসৃত হয় । ইহার ফলে দেহে যৌন ক্ষমতা কমে যায় এবং ধাতু ধীরে ধীরে পাতলা হতে থাকে । আবার এর ফলে গনোরিয়ার মত রোগের প্রকাশ লাভ করার সুযোগ হয় । ধাতু ক্ষয় বেশি হওয়ার দরুন দৈহিক এবং মানসিক দুর্বলতা বৃদ্ধি পায় । আক্রান্ত ব্যক্তি সর্বদাই অস্থির বোধ করে । বসা থেকে উঠলেই মাথা ঘোরে এবং চোখে অন্ধকার দেখে , ক্ষধাহীনতার ভাব দেখা দেয় । ইহাতে পেনিস বা জননেদ্রীয় দুর্বল হয়ে যায় , শুক্রের ধারণ শক্তি কমে যায় । রাত্রে স্বপ্ন দেখে ধাতু ক্ষয় হয় , দিনের বেলায় স্বপ্ন দেখে ধাতু ক্ষয় হয় ।

 

ধূমপান করেন? এই পানীয়টি পরিষ্কার করবে আপনার ফুসফুস!

 

উপরের আলোচিত লক্ষণগুলির সব কয়টি বা কোন কোনটি এই সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয়ে থাকে । যেহেতু এই অবস্থায় আক্রান্ত ব্যক্তি মানসিক ভাবে অনেক দুর্বল থাকে তাই রাস্তা ঘাটের তথাকথিত হারবাল তাদের খুব সহজেই প্রতারিত করে থাকে । কিন্তু দেখা যায় তাদের চিকিত্সায় এই সমস্যাটি পুরুপুরি নির্মূল হয় না । আর তখন ঐসব চিকিত্সকরা আক্রান্ত ব্যক্তিকে নানা প্রকার উত্তেজক ঔষধ দিয়ে এইগুলি সব সময় খেয়ে যেতে বলে । আর সহজ সরল ব্যক্তিরা আসল সত্যটা না জানার কারণে তাদের দেয়া ক্ষতিকর উত্তেজক ঔষধগুলি দিনের পর দিন ব্যবহার করে করে সমস্যাটিকে আরো জটিল থেকে জটিলতর করে তুলে ।

 

জেনে নিন দাম্পত্য জীবনে সুখের জন্য মাসে কতবার মিলন করা উচিত!

 

যথাযথ চিকিৎসায় ধাতু দৌর্বল্য (Spermatorrhoea) স্পারম্যাটোরিয়ার সমস্যাটা একেবারে মূল থেকে নির্মূল হয়ে রোগী পুরুপুরি সুস্থ হয়ে উঠে । তার জন্য খুব বেশি দিন ধরে ঔষধও খাওয়া লাগে না । তাই এ ধরনের সমস্যায় কেউ আক্রান্ত হলে অযথা উত্তেজক এবং ক্ষতিকর ঐসব ঔষধ খেয়ে খেয়ে আপনার যৌন জীবন বিপর্যস্থ না করে যথাযথ চিকিত্সা নিন , এই সমস্যা থেকে বাঁচবেন এবং খুব দ্রুতই আরোগ্য লাভ করবেন ।  ইনশাল্লাহ । ধন্যবাদ ।
14466 views

ধাতু দৌর্বল্য (Spermatorrhoea) কি : – অনৈচ্ছিক বীর্যপাতের নামই হলো ধাতু দূর্বলতা হলো ইচ্ছা, উত্তেজনা, নাড়াচাড়া ছাড়াই পেশাবের আগে বা পরে পুরুষাঙ্গ হতে বীর্য বের হওয়া, অথবা পেশাবের সাথে বা কঠোর মেহনত, বোঝা উত্তোলন অথবা উত্তেজনা আসার দ্বারা কিংবা মহিলাকে স্পর্শ করার দ্বারা বীর্যপাত হয়। আবার অনেক সময় জোর খাটানোর সময় বীর্যপাত হয়ে যায়। তদ্রুপভাবে ঘুমে গেলে বীর্যপাত হয়। ধাতু বা বীর্য যেহেতু শরীরের রূহ বলা হয়ে থাকে, সেহেতু বীর্যপাত হওয়ার দ্বারা শরীরে অলসতা ও ধাতু দূর্বলতা দেখা দেয়। এমনকি কোমরে ব্যথাও অনুভব হয়। ধাতু দূর্বলতা সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক হলো মাথার ব্রেণে দুর্বলতা প্রকাশ পায়। চেহারা শুকিয়ে যায়। শারীরিক দুর্বলতাও ব্যাপকভাবে প্রকাশ পায়। কোনো কাজেই ভালো লাগে না। সব কাজেই বিরক্তি বিরক্তি ভাব দেখা দেয়। সব সময় মনে চায় যদি শুয়ে থাকতে পারতাম। মহিলাদের প্রতি যৌন আকর্ষণ হ্রাস পেতে পেতে এক সময় তাদের প্রতি কোনো চাহিদাই জাগে না। কারো সাথে মেলা-মেশা, কথাবার্তা বলতেও ভালো লাগে না। নীরব ও অন্ধকার লাগে। একাকী ও নির্জনতা পছন্দ হয়। কারো কারো অবস্থা এমন করুণ হয়ে দাড়াঁইয়, যার কারণে আত্মহত্যার জন্যও প্রস্তুতি নেয়। এসব কেবল ধাতু দুর্বলতার কারণে হয়ে থাকে। ধাতু দুর্বলতা রোগের কারণঃ ধাতু দুর্বলতার অনেক কারণ আছে। তন্মধ্যে নিম্মোক্ত কারণগুলো বেশিরভাগ লোকদের মাঝে পাওয়া যায়। ১. উত্তেজনার বশিভুত হয়ে হস্তমৈথুন করে বীর্যপাত ঘটানো। ২. সমকামিতার মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটানো। ৩. সব সময় পেটের অসুখ লেগে থাকার কারণে ধাতু দূর্বলতা হয়। ৪. কতক সময় অধিক গরম ও বিলম্বে হজম হয় এম খাদ্য খাওয়ার দ্বারা। ৫. ভরপেটে সহবাস করার দ্বারা ধাতু দূর্বলতার দেখা দেয়। ৬. অশ্লীল, যৌন উদ্দীপক ছবি দেখার দ্বারা বীর্যপাত হয়ে থাকে। আর এসব কারণেই বেশিরভাগ ধাতু দুর্বলতা রোগ সৃষ্টি হয়ে থাকে। পুরুষের বীর্য ধাতু দূর্বলতার সমস্যা ও সমাধান প্রত্যহ প্রাত:কালে অর্ধ পোয়া পরিমাণ ছোট পিয়াঁজ কুচি লবন চূর্নসহ চিবাইয়া খাইয়া আধা সের পরিমান কাচাঁ দুধ পান করিবেন ২/৩ সপ্তাহ এ ঔষধ সেবনে শুক্র গাড় ও তিশক্তি বৃদ্বি হইবে এবং ধাতু দূর্বলতা দূর হবে। পূর্ব দিন রাত্রে সামান্য একটু পানিতে অর্ধ ছটাক পরিমান ইছুবগুল ভিজাইয়া রখিবেন। পরদিন প্রাত:কালে ইহার সহিত ১ পোয়া ছাগলের কাচাঁ দুধ ও কিছু চিনি মিশাইয়া, বাসি পেটে সেবন করিবেন। নিয়মিত এ ঔষধ ২/৩ সপ্তাহ সেবন করিলে বলবীর্য অত্যাধিক বৃদ্বি পাইবে এবং ধাতু দূর্বলতার আস্তে আস্তে সম্পাপ্তি ঘটবে। শুকনো আমলকী ৫০ গ্রাম উত্তমরুপে চূর্ন করে পরিস্কার কাপড়ে ছেকে নিতে +হবে এবং কিছু পরিমান আমলকি পিষে রস বাহির করে নিতে হবে। ঐ আমলকী রসের সহিত আমলকি গুড়া উত্তমরুপে মিশাইয়া অল্প আঁচে শুকাইয়া পুনরায় রৌদ্রে শুকাইয়া, শুস্ক করে নিতে হইবে। এবার ঐ চূর্নের সহিত মিছরি গুড়া করে পরিমান মতো মধু নিয়ে প্রত্যহ সকালে সেবন করিলে নপুংসকতা নাশ হয়। তিন তোলা পরিমাণ ছোলাবুট রাত্রে ধুইয়া ভিজাইয়া রাখিনে সকাল বেলা ঘুম হইতে উঠে হাত মুখ ধুয়ে খালী পেটে চিবাইয়া খাইবেন। এই ভাবে একাধারে অন্তত একমাস খাইলে পরে ধাতু দৌর্বল্য রোগ আরোগ্য হয়। কৃষ্ণতিলা ও আমলকী সমপরিমানে চূর্ন করিয়া উত্তমরুপে ছেপে নিবেন, প্রত্যহ রাত্রে শয়নকালে ১ তোলা পরিমান চূর্ন মুখে দিয়া এক গ্লাস ঠান্ডা পানি পান করিবেন। এইভাবে ২১ দিন নিয়মিত পান করিলে আপনার গোপন সমস্যা সমাধান হবে। আম, জাম, ও তেঁতুলের বীজ সমান পরিমান নিয়া উত্তমরুপে চূর্ন করিতে হইবে। প্রত্যহ রাত্রে শয়নকালে ১ তোলা পরিমান চূর্ন মুখে দিয়া এক গ্লাস ঠান্ডা পানি পান করিবেন। এই ভাবে ৩ সপ্তাহ সেবন করলে আপনার ধাতু দূর্বলতাসহ গোপন সমস্যা সমাধান হবেই। প্রতি রাতে শোয়ার পূর্বে এক কোয়া পিয়াজ দশটি কালো জিরার সাথে চিবিয়ে খেলে ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত যৌবন শক্তি বহাল থাকে। পুরাতন আম গাছের ছাল আগের দিন আধা গ্লাস পরিমান পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে খালী পেটে সমপরিমানে গরুর কাচাঁ দুধ দিয়ে পান করলে আপনার গোপন সমস্যা ভালো হবে এবং ধাতু দূর্বলতাও দূর হবে। কেউ যদি যৌনরোগে ভূগেন। এই রোগ দেখা দেওয়ার পূর্বে বহু হস্তমৈথুন করেছেন। বর্তমানে ধজভঙ্গ হয়ে গেছে। প্রসাবের বেগ হলে ২/১ মিনিট ধারণ করতে পারেন না। প্রসাবে জ্বালা পোড়া হয়। কোমর ব্যথা করে। পায়খানা ও প্রাসাব কালে ধাতু যায়। শরীর দুর্বল। তাহলে আপনে নিয়মিত ভাবে TRIBULUS TERRES Q (মাদার) কিনে সকালে খালি পেটে দুপুরে এবং রাত্রে ৫ ফোটা করে সাড়ে তিন কাপ পানিতে মিশিয়ে খাবেন।*হোমিও*

14466 views

ধাতু সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক ঘটনা হলেও

বেশী মাত্রা ও প্রতিদিন হলে ডাক্তারের পরামর্শ

অনুযায়ী ঔষধ খেতে হবে, এটি নিয়ে চিন্তার

হওয়ার কারণ নাই, ঘরোয়া পদ্ধতি কার্যকরী

নয়, একজন যৌন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের

অথবা হামদর্দের চিকিত্সা নিতে পারেন

14466 views

Related Questions