4 Answers

অনেক সময় আমাদের পেটে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে এবং সমস্যা গুলো বিষণ বিরক্তিকর এবং কষ্টদায়ক। পেটের রোগ গুলোর মধ্যে আইবিএস বিশেষ একটি। যার ফলে ঠিকমত পায়খানা হয়না কিংবা বেশি বেশি পেট খারাপ হয়। এই সমস্যার জন্য অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে অথবা আমাদের এই লেখাটি অনুসরণ করতে পারেন। আইবিএস রোগের লক্ষণঃ > পেটের মধ্যে সারাদিন বুদবুদ আওয়াজ হতে থাকে। মনে হয় পেটের মধ্যে গ্যাস ভরে আছে। > কখনো পাতলা পায়খানা, কখনো কষা পায়খানা (কনস্টিপেশন) হয়। > ঘুমের মধ্যে সাধারণত কখনো কখনো পায়খানার বেগ হয়। > যাদের কষা পায়খানার প্রবণতা বেশি তারা পেটে ব্যথা নিয়ে টয়লেটে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলেও অতৃপ্তি নিয়ে টয়লেট থেকে বের হতে হয়। > যাদের সব সময় পাতলা পায়খানা হয় তাদের ক্ষেত্রে প্রথমে পেটে ব্যথা হয় এবং পরে পাতলা পায়খানা হওয়ার পর তা কমে আসে। ঘন ঘন বাথরুমে যেতে হয় এবং প্রতিবার খুব অল্প পরিমাণে পায়খানা হয়। > পায়খানার সময় প্রচুর পরিমাণে আম বা মিউকাস যায়। আম যায় বলে অনেকে অজ্ঞতাবশত একে আমাশয় বলে। চিকিৎসা: > রোগীকে প্রেষণা দিয়ে তার নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়াতে হবে। > যদি পাতলা পায়খানা বেশি হয়, তাহলে তাকে প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি বা ফাইবার জাতীয় খাবার খুব কম খেতে হবে। > ডায়ারিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ খেতে হবে(যেমনঃ লোপেরামাইড, কোডেইন ফসফেট, কোলেস্টাইরামিন ইত্যাদি)। > যদি কষা পায়খানা হয়। তাহলে তাকে প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি খেতে হবে। কাজ না হলে ইসবগুলের ভুষি খাওয়ানো যেতে পারে। > তলপেতে বুদ বুদ শব্দ কমাতে মেবেভারিন গ্রুপের ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। যদি এইসব সমাধানের মধ্য দিয়ে কোন পরিবর্তন না হয়।তাহলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

17061 views

অনেক সময় পেটের মধ্যে গ্যাস জমলে এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয় মাঝে মধ্যে এ থেকে পায়খানারও সমস্যা দেখা দেয় তবে আপনি সময় নিয়ে দেখেন এমনেতেই ঠিক হয়ে যেতে পারে যদি জটিল আকার ধারন করে তবে আপনাকে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে

17061 views
পেট ফাপার কারণে এমনটা হয়ে থাকে। অতিরিক্ত খাবার খেলে যখন তা পুরোপুরি পাঁচন হয়না তখন তা আমাদের অন্ত্রের কার্বনডাইঅক্সাইডের মিশ্রণে মিথেন গ্যাস তৈরী করে৷ এ কারণেই মূলত এই পেটফাঁপা ভাব হয়৷ এছাড়া যেসব কারণে এমন হতে পারে তা জেনে নিন।
কারণ :
  1. তেল চর্বি জাতীয় খাবার খেলে যা খুব সহজে হজম হয়না।
  2.  কোমলপানীয় পান করলে যাতে কার্বনডাইঅক্সাইড রয়েছে।
  3. খাবার ভালমত না চিবিয়ে খেলে এবং খাবারের সময় অতিরিক্ত পানি পান করলে।
  4.  ধূমপান করলে।
  5. অবসাদ, দুশ্চিন্তা বেশি করলে।
  6. পেপটিক আলসার বা পাকস্থলীর 
  7. কোনো ইনফেকশন অথবা কৃমি হলে।
  8. লেকটোজ ইনটলারেন্স অর্থাৎ দুধ বা দুধ জাতীয় খাবার যাদের ঠিকমত শরীরে হজম হয় না তাদের ৷
মুক্তির উপায় :
  1. পেটের জন্য উত্তেজক বা পেটের সমস্যা বাড়িয়ে দেয় এমন খাবার পরিহার করতে হবে। কিছু কিছু খাদ্য পেটে গ্যাস তৈরি করে যেমন শিম, বাদাম তৈলাক্ত খাবার ও পনির, যাদের সহ্য হয় না এবং এরা এসব এড়িয়ে যাবেন।
  2. ধূমপান বা মদ্যপান এবং অতিরিক্ত কোমল পানীয় বর্জন করা উচিত।
  3. খাবার আস্তে ধীরে চিবিয়ে খান। একটু সময় নিয়ে খাবার কে গিলুন। গোগ্রাসে না গিলে খেলে পেটে বাতাস ঢুকবে না। খাওয়ার আধ ঘন্টা পর পানি পান করুন৷
  4. দুধ সহ্য হয় না বা ল্যাকটোজ হজম হয় না। এমন হলে দুধ, পনির, দুধজাত খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিন। সয়া দুধ অথবা দই খাওয়া যেতে পারে। কারণ দই এ ল্যক্টজ ল্যক্টিক এসিড হয়ে যায়।
খাওয়ার ওষুধ :
আর যখন এই সমস্যাটি মাত্রাতিরিক্ত দেখা দেবে তখন ইসোমিপ্রাজল গ্রুপের ২০মিলিগ্রামের একটি ট্যাবলেট (বাজারে ইসোরাল, মেক্সপ্রো, ইসনিক্স, নেক্সাম, ওপটন নামে পাওয়া যায়) এবং ডমপেরিডন গ্রুপের ১০মিলিগ্রামের একটি ট্যাবলেট খেতে পারেন (বাজারে ডোমিরেন, ডিফ্লাক্স, ডন-এ নামে পাওয়া যায়)৷ ধন্যবাদ
17061 views



আপনি Yamadin 20 mg খেয়ে দেখুন

কাজ হতে পারে।

অথবা Finix 20mg খেয়ে দেখুন কাজ হতে

পারে। দিন দুইবার

Finix টা বেশি কাজ হতে পারে

বিঃদঃ দুটো একসাথে খাওয়া নিষেধ।


17061 views

Related Questions