4 Answers
শরীর ফিট রাখতে ব্যায়ামের বিকল্প নেই।চিত্রসহ শরীর ঢমফিট রাখতে উপকারি কয়েকটি ব্যায়ামের লিংক নিচে দেওয়া হল:-বডি ফিট রাখুন
খাওয়াদওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা
করতে হবে ফিট থাকতে গেলে, সকালে একটু
জগিং করুন, পুশ আপ দিন, স্কিপিং পারলে
করুন কয়েকবার, তারপর কিছু মেদ কমানোর
abs workout করুন, স্নান করার সময় পুকুরে
একটু সাঁতার কেটে আসুন, বিকেলের দিকে কোনো
ফিল্ডে কয়েকপাক হেঁটে আসুন, রাতে শোবার
আগে বাড়ির ছাদে কয়েক-পা পাইচারি করে
নিন, তারপর ৬-৭ঘন্টা বিন্দাস একটা ঘুম দিন,
শরীর ফিট থাকতে বাধ্য।
আরও কিছু জানতে চাইলে মন্তব্য করুন।
শরীর ফিট রাখার কিছু কার্যকরী কৌশল- পুশ আপ বাসায় করা ব্যায়ামের মধ্যে এর চেয়ে ভালো আর কোনোটা নেই। এটি করতে হাত দুটি বেশি প্রসারিত করে রাখলে চেস্টের ওয়ার্কআউট হবে। আর একদম কাছাকাছি রাখলে ট্রাইসেপের ওয়ার্কআউট হবে। নিজের ঘরেই যখন তখন করতে পারবেন পুশ আপ। এজন্য প্রথমে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। এবার দুই হাতের তালু আর পায়ের বুড়ো আঙুলের ওপর ভর করে ওঠার চেষ্টা করুন। সম্পূর্ণ ওঠা হলে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসুন। প্রথম দিকে ৫ বারের বেশি করা আপনার পক্ষে সম্ভব হবে না। ধীরে ধীরে অভ্যাস করুন ৫০টা দিতে। কয়েকদিন পর একবারেই দিতে পারবেন। দুই পা বিছানা বা চেয়ারের উপর রেখেও পুশ আপ করতে পারেন। তাহলে এই কাজে ভিন্নতা আসবে। পুল আপ অনেকের বাসাতেই ঝুলার মত কিছু না কিছু থাকে। ছাদের নিচে জিনিসপত্র রাখার জন্য এক্সট্রা একটা পার্ট থাকে। সেটা ধরে ঝুলতে পারেন। অথবা বাসার উঠানে ২ গাছের মাঝখানে একটা মোটা লোহার রড লাগিয়ে দিন। তারপর সেটা ধরে ঝুলে পড়ুন আবার উপরে ওঠার চেষ্টা করুন। পুল আপ একটি অসাধারন ব্যায়াম। প্রতিদিন ৫০টা পুল আপ দিতে পারেন। আপ এন্ড ডাউন ঘরের মধ্যে অভ্যাস করুন একশো বার উঠবস (আপ এন্ড ডাউন) করার। এতে হাঁটুর মধ্যে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হবে। দেহের ভারসাম্যতা আসবে। জাম্পিং নিজের ঘরেই আপনি লাফাতে (জাম্পিং) পারেন। একাধারে একশো বার করুন। সঙ্গে হাতদুটোও উপর নিচ করুন। তাহলে সমস্ত শরীরের ব্যয়াম হবে। সতর্কতা খুব তাড়াতাড়ি কোনো কিছু আশা না করাই ভালো। শেষে নিরাশ হতে হবে। কমপক্ষে এক বছর দরকার মোটামুটি মানের একটা শরীর বানানোর জন্য। জিম করার পর অবশ্যই শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার খান। সালাদ,সবজি, মাছ এবং ফল জাতীয় খাবারের উপর বেশি নির্ভর করুন। তবে মুরগি, ডিম, গরু, ভাত খাওয়া একদম ছেড়ে দেয়া ঠিক হবে না। পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
বডি ফিট রাখতে হলে করণিয়। সেজন্য স্বাস্থ্যকর খাবার, ব্যায়াম ও মনের খোরাকের দিকেই নজর দিতে হয়৷ নিজেকে ফিট রাখতে যা করবেন জেনে নিনঃ মানুষের মস্তিষ্কই যদি সুস্থ না থাকে, তাহলে আর সুস্থ থাকার মূল্য কোথায়? সেজন্য নিয়মিত আখরোট খান৷ এতে অনেক বেশি ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা মস্তিষ্ককে রোগ থেকে রক্ষা করে৷ আর টমেটো, গ্রিন টি-তে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট মস্তিষ্কের কোষগুলোকে রক্ষা করে স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে৷ সামুদ্রিক মাছ আলঝেইমার রোগের হাত থেকে মস্তিষ্ককে দূরে রাখে৷ মস্তিষ্ক থেকেই শুরুঃ যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষেজ্ঞ ডা. বেথ অলিভার বলেন, ‘‘প্রতিদিন, প্রতিবেলায় বিভিন্ন রঙয়ের ফল ও সবজি এবং যথেষ্ট পরিমাণে আঁশযুক্ত খাবার, পানি, আপেল ও আখরোট, সূর্যমুখী ফুলের বিচি, ডাল এবং ডিমের হলুদ অংশ খান৷ এসবই হৃৎপিণ্ডের জন্য খুবই উপকারী৷’’ হৃৎপিণ্ড বা হার্টঃ খেলাধুলা, হাঁটাচলা, ব্যায়াম উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে ডায়াবেটিস রোধ করে৷ কারণ ডায়াবেটিস থেকেই কিডনির নানা সমস্যা দেখা দেয়৷ ফলমূল, শাকসবজি, ফাইবার ইত্যাদি খেয়ে ওজন ঠিক রাখা প্রয়োজন৷ লবণ যতটা সম্ভব কম খাওয়া উচিত, কারণ অতিরিক্ত লবণ কিডনির ক্ষতি করে৷ কিডনি পরিষ্কার রাখতে দিনে দেড় থেকে দুই লিটার পানি পান করা প্রয়োজন৷ কিডনি ঠিক রাখতেঃ হাড় শক্ত রাখতে নিয়মিত শরীর চর্চা বা বিশেষ ধরনের ব্যায়াম বড় ভূমিকা পালন করতে পারে৷ হাড় নরম বা ভেঙে যাওয়ার জন্য শুধু বয়স বাড়াই একমাত্র কারণ নয়৷ থাইরয়েড, পেটের ক্রনিক সমস্যা বা পাকস্থলির অসুখের কারণেও হাড় নরম বা ক্ষয় হতে পারে৷ আর পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার না খাওয়া ও অতিরিক্ত ধূমপান ও নানা ধরনের ওষুধপত্র সেবন হাড়কে নরম করতে পারে৷ হাড়ের যত্নঃ মানুষের শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ অন্ত্র বা পেট যা লম্বায় প্রায় আট মিটার৷ শরীরের গ্রহণ করা খাবারগুলো সহজপাচ্য বস্তুতে পরিণত করে অন্ত্র৷ সেখানে সমস্যা দেখা দিলে সবই ওলট-পালট মনে হয়৷ সেকথা মনে হয় কমবেশি সবাই জানি৷ তাই শরীরকে ফিট রাখতে হলে অবশ্যই পেট ঠিক রাখতে হবে৷ তাই হাঁটাচলা, শষ্যদানা, বিচি, সাদা দই, শাকসবজি, ফলমূল ও সুষম খাবার গ্রহণ খুবই দরকার৷ পেট বা অন্ত্র ঠিক রাখুনঃ তারুণ্য ধরে রাখতে অ্যান্টি- অক্সিডেন্টের জুড়ি নেই৷ ফাস্ট ফুড, স্ট্রেস, অতিরিক্ত টেনশন, ধূমপান, মদ্যপান ইত্যাদি ত্বক নষ্ট করে৷ সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে৷ তাই রোদ থেকে দূরে থাকা উচিত৷ শরীর ও মন ভালো এবং ফিট রাখার জন্য শরীরের ভেতরের মতো শরীরের ত্বকের স্বাস্থ্যও ভালো থাকা প্রয়োজন৷ ল্যুবেক বিশ্ববিদ্যালয় ক্লিনিকের ত্বক বিশেষজ্ঞ ডা. বিরগিট কালে বলেন এসব কথা৷ অতিরিক্ত রোদ নয়! আমাদের শরীরের সমস্ত ভার বহন করে আমাদের পা দুটো৷ তাই পায়ের স্বাস্থ্য খুব জরুরি৷ পায়ের মাংসপেশি শক্ত করতে ও ফিট থাকতে হাঁটাহাঁটির কোনো বিকল্প নেই৷ হাঁটা যেকোনো মানুষকে ফিট রাখতে বড় ভূমিকা পালন করে৷ হেঁটে পায়ের যত্নঃ শরীরচর্চা বা ব্যায়াম ছাড়া শারীরিকভাবে সুন্দর হওয়া সম্ভব নয়৷ তাছাড়াও শারীরিক এবং মানসিকভাবে ফিট থাকার জন্য বছরে অন্তত একবার ‘মেডিক্যাল চেকআপ’ করিয়ে নেয়াও অত্যন্ত দরকারি৷ সুত্রঃ দৈনিক নয়া দিগন্ত।